শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন:
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম...
শিরোনাম :
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের নাগেশ্বরী থানার ওসির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ নাগেশ্বরীতে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে গিরার পাড় তরুণ সংঘের কঠোর হুঁশিয়ারি নাগেশ্বরীতে ​হাউরিভিটা মসজিদের উন্নয়ন কাজে হাজী সোহেলের ২০ বস্তা সিমেন্ট অনুদান রূপগঞ্জে জমি বিরোধে ভাই-ভাবী ও মেয়ের জামাইয়ের হামলা, অপর ভাবী নিহত; আটক ৩ রূপগঞ্জে কুকুরের উপদ্রব, আতঙ্কের চার পা নাগেশ্বরীতে ফ্যামিলি কার্ড সুপারভাইজার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেন দক্ষিণ সুরমার চিহ্নিত অপরাধ স্পটগুলোতে যুবসমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কঠোর হুঁশিয়ারি প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে গেছে বন্ধুত্ব, মোবাইল গেমেই আসক্তি রূপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নরসিংদী সরকারি কলেজের ছাত্র মুয়াজ নিহত ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না সিসিক প্রশাসকের সিএ ফয়জুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নেপথ্যে প্রকৌশলী রাজিউদ্দিন

নাগেশ্বরীতে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে গিরার পাড় তরুণ সংঘের কঠোর হুঁশিয়ারি

নাগেশ্বরী উপজেলা প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছে সামাজিক সংগঠন ‘গিরার পাড় তরুণ সংঘ’। মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।

তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে সমন্বিত সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে ‘গিরার পাড় তরুণ সংঘ’।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) জুমার নামাজ শেষে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গিরার পাড় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. রুহুল আমিন, মো. শহিদুল ইসলাম (বিএসসি), বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. মিজানুর রহমান, মো. বকদুল হোসেন, মো. শহিদুল ইসলাম, হাফেজ মো. জসিম উদ্দিন, মো. মোফাচ্ছেল হোসেন, মো. সাদিকুল ইসলাম, মো. আপন মিয়া, মো. লিটন হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এ সময় তরুণ সংঘের সদস্যরা বলেন, মাদক শুধু একটি পরিবারকে ধ্বংস করে না, বরং পুরো সমাজ ও দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে। তাই মাদকের সরবরাহ, বিক্রি ও সেবনের বিরুদ্ধে সংগঠনটি কোনো ধরনের ছাড় দেবে না।

মাদক নির্মূলে ‘গিরার পাড় তরুণ সংঘ’ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

সামাজিক প্রতিরোধ ও সচেতনতা: বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও স্থানীয় পর্যায়ে মাদকবিরোধী পোস্টার ও লিফলেট বিতরণ এবং উঠান বৈঠকের আয়োজন।

প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়: স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় এলাকাভিত্তিক মাদক বিক্রির স্থান চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা।

কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসন: মাদকের গ্রাসে চলে যাওয়া স্থানীয় যুবকদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে কাউন্সেলিং ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া।

খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চা: তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড জোরদার করা।

মো. শহিদুল ইসলাম (বিএসসি) বলেন, “তরুণরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। সেই ভবিষ্যৎকে কোনোভাবেই মাদকের করাল গ্রাসে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। আমরা মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি। আমাদের এলাকাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত এই সামাজিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”

সংগঠনটির পক্ষ থেকে সব অভিভাবক, শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও যুবসমাজকে মাদকবিরোধী এ সামাজিক আন্দোলনে একাত্ম হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2026 shomoyerkhobor.com
Design & Developed BY starwebhostit