বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন:
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম...
শিরোনাম :
রূপগঞ্জের সাওয়ানার হাত ধরে চীনে বাংলাদেশের গৌরবময় সাফল্য সিলেটে ‘সিনিয়র-জুনিয়র’ দ্বন্দ্বে তরুণকে ছুরিকাঘাত, ওসমানীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রূপগঞ্জে স্কাফ-উইনসিরেক্স, নগদ টাকা ও মোটরসাইকেলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাগেশ্বরীতে স্কুল ছাত্রীকে হেনস্তা করার জন্য বখাটেকে পুলিশে দিলো স্থানীয় জনতা মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ভিতরবন্দের হিরার দক্ষিণ সুরমায় আবারও ‘রিজিক ফুডকার্ট’-এর বৈদ্যুতিক তার চুরি মশক নিধন কার্যক্রম চোখেই পড়ে না রূপগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে আতঙ্কে মানুষ রূপগঞ্জে সিটি গ্রুপের অটো রাইস মিলে বয়লার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ২ সিলেটে কিশোর গ্যাংয়ের বেপরোয়া তাণ্ডব: আম্বরখানায় প্রতিবন্ধী কিশোরকে আহত করার অভিযোগ নাগেশ্বরীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর বিএনপির সদস্য সচিব আজিজুল হকের শুভেচ্ছা বার্তা

নাগেশ্বরীতে ফ্যামিলি কার্ড সুপারভাইজার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেন

নাগেশ্বরী প্রতিনিধি :

নাগেশ্বরী উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার নিয়োগ পরীক্ষায় চরম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতির আতুর ঘর হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে নাগেশ্বরী উপজেলা সমাজসেবা অফিসকে।

তথ্য ও গোপনে তোলা ছবিতে দেখা যায়, একজন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে “সিলেক্ট” লেখা হলেও পরে তা কেটে “নো” লিখে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় একই ব্যক্তির নাম পরপর দুইটি সিরিয়ালে প্রকাশ হয়েছে।

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম রসুল রাজা ইউএনও বরাবর অভিযোগ করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার নিয়োগ পরীক্ষায় যেন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কেউ না থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে প্রকাশিত তালিকায় ছাত্রলীগের এক কর্মীর নাম দেখা গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, এই নিয়োগে মেধার চেয়ে নেতাদের রেফারেন্স ও টাকার খেলা হয়েছে। স্বচ্ছতার অভাবে প্রকৃত মেধাবীরা বঞ্চিত হয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে নাগেশ্বরী উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আপনাদের বলা অভিযোগগুলো আমরা লিখে নিয়েছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পরবর্তীতে আপনাদের জানানো হবে।”

ঘটনাটি নিয়ে উপজেলাজুড়ে ক্ষোভ ও আলোচনা চলছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে স্বজনপ্রীতি, নিয়োগে অনিয়ম এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতার ঘাটতি সংক্রান্ত নানা অভিযোগে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন নাগেশ্বরী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেন। সাধারণ সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয় নানা মহলে ক্ষোভ এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তি বা জনআস্থার মাঝে তিনি এখন এক চরম চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মুখোমুখি।

​সম্প্রতি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির শুমারিতে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদের চূড়ান্ত তালিকায় অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে স্বজনদের স্থান দেওয়ার একাধিক অভিযোগ উঠেছে।নিয়োগ ও প্রশাসনিক সংক্রান্ত বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মী বা সাধারণ মানুষের প্রশ্নের জবাবে সরাসরি অবস্থান না জানিয়ে তা এড়িয়ে যাওয়া কিংবা সঠিক তথ্য প্রকাশে অনিচ্ছা প্রকাশের কারণে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। শুধু নিয়োগে অনিয়মই নয়, অতীতে এইচএসসি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কার্যক্রমে ‘ট্যাগ কর্মকর্তা’ হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অনুপস্থিতি নিয়েও নানামুখী অভিযোগ উঠেছিল।

​অভিযোগের এই আবহে তিনি বর্তমানে মূলত দুটি ভিন্ন প্রশাসনিক ও নৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। আগামীতে তিনি কোন পথে হাঁটবেন, তা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।

​অভিযোগ ও বিতর্কের বলয়ে থাকা জামাল হোসেনের পরবর্তী অবস্থান পুরোটাই নির্ভর করছে—তিনি প্রশাসনিক তদন্তের সম্মুখীন হয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছেন, নাকি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে স্থানীয় জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন তার উপর।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2026 shomoyerkhobor.com
Design & Developed BY starwebhostit