সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে স্থানীয় এক স্কাউট কর্মীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জড়িয়ে অপপ্রচার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তোলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মো. খোরশেদ আলম। এ ঘটনায় মানহানি ও সাইবার হয়রানির প্রতিকার চেয়ে তিনি ভূরুঙ্গামারী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে খোরশেদ আলমকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। এতে দাবি করা হয়, তিনি মেসেঞ্জারের মাধ্যমে বিভিন্ন তরুণ ও কিশোরকে বাসায় ডেকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা করেছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীর সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন খোরশেদ আলম।
অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে খোরশেদ আলম বলেন, “তরুণ ও স্কাউট সদস্যদের শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করাই আমার কাজের মূল লক্ষ্য। পরিচিত বা শুভাকাঙ্ক্ষীদের বাসায় যাওয়া কিংবা তাদের সহযোগিতা করাকে অসৎ উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং আমার চরিত্রহননের অপচেষ্টা।”
তিনি দাবি করেন, অতীতের কোনো বিরোধের জেরে তার বিরুদ্ধে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়ে থাকতে পারে। একই সঙ্গে তিনি যেকোনো আইনসম্মত ও নিরপেক্ষ তদন্তে সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছেন।
জিডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৫ আগস্ট ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন খোরশেদ আলম। জিডি নম্বর ৬৭৫ এবং ট্র্যাকিং নম্বর IW7VQK। এতে অভিযোগ করা হয়, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তার ছবি ব্যবহার করে ‘Khorshed Scout’ নামে একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে তার বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের মেসেঞ্জারে আপত্তিকর বার্তা পাঠাচ্ছে, ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং চাঁদা দাবি করছে।
জিডিতে তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ মো. আজিম উদ্দিনের অনুমোদনের কথা উল্লেখ রয়েছে। ডিউটি অফিসার হিসেবে মো. সোহাগ রানা এবং তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এসআই মোমিনুর রহমানের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
খোরশেদ আলম বলেন, তার বিরুদ্ধে ছড়ানো তথ্যের বিষয়ে তিনি নিরপেক্ষ তদন্ত চান। পাশাপাশি যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার না করার আহ্বান জানান তিনি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হলে জনমনে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা।