মঙ্গলবার, ২১ Jul ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে প্রস্তুতি, সমন্বয় এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “Strengthening Community Resilience” শীর্ষক চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্টের ৪১ ওয়ার্ড ডিজাস্টার রেসপন্স টিমের সমন্বয় সভা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্টের আয়োজনে নগরীর লালদীঘিস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পাবলিক লাইব্রেরি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ও চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষিত, দক্ষ ও সংগঠিত যুব স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে প্রায় দুই হাজার প্রশিক্ষিত যুব স্বেচ্ছাসেবক যেকোনো দুর্যোগে দ্রুত সাড়া দিতে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্টের ৪১ ওয়ার্ড ডিজাস্টার রেসপন্স টিম দুর্যোগকালীন সময়ে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা যদি প্রতিটি ওয়ার্ডে এই ডিজাস্টার রেসপন্স টিমকে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে চট্টগ্রাম সিটির কোনো নাগরিকই জরুরি দুর্যোগকালীন সেবা থেকে বঞ্চিত হবে না।” ভবিষ্যতেও চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টকে আরও শক্তিশালী, দক্ষ ও জনমুখী সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারি গোলাম বাকি মাসুদ দুর্যোগ প্রস্তুতিতে সমন্বিত পরিকল্পনা, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং ওয়ার্ডভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত যুব স্বেচ্ছাসেবকরাই দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জরুরি সেবাদানে সবচেয়ে বড় শক্তি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের কার্যকরী পর্ষদ সদস্য জিয়াউল হক সোহেল, চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্টের যুব প্রধান দীপ্ত ভট্টাচার্য্যসহ তিন শতাধিক যুব স্বেচ্ছাসেবক।
সমন্বয় সভায় ওয়ার্ডভিত্তিক দুর্যোগ প্রস্তুতি, দ্রুত সাড়াদান ব্যবস্থা, স্বেচ্ছাসেবকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা একটি সমন্বিত, দক্ষ ও কার্যকর ওয়ার্ডভিত্তিক ডিজাস্টার রেসপন্স নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।