খুলনা | শনিবার | ১৮ জানুয়ারী ২০২০ | ৫ মাঘ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

১৫শ’ একর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা, নির্ধারণ হয়নি স্থান : কনসালটেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন

এন আই রকি | প্রকাশিত ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৩০:০০

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) জন্য ১ হাজার ৫শ’ একর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবনা রয়েছে। তবে এখনও নির্ধারণ করা হয়নি জমি অধিগ্রহণের স্থান। এমনকি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের জন্য কনসালটেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়াও শেষ হয়নি। ফলে জমি অধিগ্রহণ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই, ডিপিপি প্রস্তুতসহ সকল কার্যক্রম এখনও প্রাথমিক অবস্থায় রয়ে গেছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, খুব দ্রুত এসকল কার্যক্রম শুরু করা হবে।
জানা যায়, ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বে প্রকল্প তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্ট্যাডিসহ অন্যান্য শর্তবলী পূরনের বিধান রয়েছে। সেক্ষেত্রে “খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন” শীর্ষক প্রকল্প তৈরির জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক ড. ফেরদৌস জামানকে সভাপতি করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি প্রজেক্ট প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজনীয় শিক্ষা সুবিধাদির জন্য ৭টি একাডেমিক ভবন, ১টি প্রশাসনিক ভবন, কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন ফার্ম, কৃষি খামার, মৎস খামার, ল্যাবরেটরি, ওয়ার্কসপ, ইন্ডাস্ট্রি, গবেষণার স্থান, রিসার্স সেন্টার, ইনস্টিটিউট, আবাসিক হল, বাসস্থানসহ শিক্ষা আনুষাঙ্গিক স্থাপনার নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়। 
সূত্রটি আরও জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণ প্রকল্পের জন্য কানসালটেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি। তবে খুব দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ হবে। এর পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোথায় কোন স্থাপনা হবে, তার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে এবং সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে ডিপিপি চূড়ান্তের পরই জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে। এর জন্য দেয়ানার বিল পাবলা এলাকা, আড়ংঘাটা বাইপাস সড়কের আশেপাশে প্রাথমিক অবস্থায় জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। যার সম্ভাব্য পরিমাণ প্রায় দেড় হাজার একর। তবে কোথায় জমি অধিগ্রহণ করা হবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে ফিজিবিলিটি টিমের রিপোর্টের ওপর। খুলনা জেলা প্রশাসকের সহযোগিতা নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু করা হবে। 
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ একর জমিতে প্রস্তাবিত প্রকল্পে ৭টি অনুষদ ও প্রশাসনিক স্থাপনা ছাড়াও থাকবে ভিসি বাংলো, প্রো-ভিসি বাংলো, ট্রেজারার বাংলো, রেজিস্ট্রারের বাসা, প্রফেসর কোয়াটার ৬০ ইউনিট, কর্মকর্তা কোয়াটার ৩০ ইউনিট, অন্যান্য শিক্ষক কোয়াটার ৬০ ইউনিট, অন্যান্য কর্মকর্তা কোয়াটার ৩০ ইউনিট, অন্যান্য কর্মচারী (১১-১৬ গ্রেড) কোয়াটার ৬০ ইউনিট, শিক্ষক ডরমেটরি ৬০ ইউনিট, কর্মকর্তা ডরমেটরি ৩০ ইউনিট, কর্মচারী (১৭-২০ গ্রেড) কোয়াটার ১০০ ইউনিট, কর্মচারী ডরমেটরি ১০০ ইউনিট, ছাত্র বিষয়ক/প্রক্টর অফিস, ছাত্রী হল ২টি (প্রতিটি ১০০০ সিট), ছাত্র হেলথ কেয়ার সেন্টার, ডে-কেয়ার সেন্টার, প্রধান গেট, স্কুল এ্যান্ড কলেজ, সমবায় মার্কেট ও সীমানা প্রাচীর। এছাড়াও ক্রীড়া কমপ্লেক্স, খেলার মাঠ, জিমনেশিয়াম ও সুইমিংপুল, স্টেডিয়াম (গ্যালারীসহ), কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া, শহিদ মিনার, বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ভাস্কর্য এবং বঙ্গবন্ধু, মক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ বিষয়ক সেন্টার। তবে প্রকল্পে স্থাপনাগুলোর নির্মাণ কাজ পরবর্তীতে সংযোজন ও বিয়োজন করার সুযোগ রয়েছে।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ