খুলনা | শনিবার | ১৮ জানুয়ারী ২০২০ | ৫ মাঘ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

অতিথি শিক্ষক দিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম, রয়েছে জনবল সংকট

এন আই রকি | প্রকাশিত ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২৩:০০

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে ভেটেরিনারি, এ্যানিমাল এ্যান্ড বায়োমেডিকেল সায়েন্স এবং এগ্রিকালচার অনুষদ নিয়ে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে চলতি বছরের ৪ এপ্রিল শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। দু’টি বিভাগে ৬০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকে এখন অবধি কোন শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ায় অতিথি শিক্ষক দিয়ে চালানো হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত জনবল সংকট। 
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রহমান খান নিজেই রাত অবধি শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য সম্প্রতি দু’টি নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 
খুকৃবি’র শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষক না থাকায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ শিক্ষকরা তাদের ক্লাস নিচ্ছেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনার সরকারি বিএল কলেজ উল্লেখযোগ্য। কিছুদিন আগেই ১ম সেমিস্টার শেষ করেছেন। ক্লাস শুরু হয়েছে ২য় সেমিস্টারের। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষক না থাকায় কিছুটা সমস্যা হলেও বর্তমানে যারা ক্লাস নিচ্ছেন তারা খুবই অভিজ্ঞ। যার ফলে শিক্ষার্থীরা অনেকটা মাল্টিপোল সুবিধাও পাচ্ছেন। তবে তাদের দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াটি খুব দ্রুত শেষ করা প্রয়োজন। কারণ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষক থাকলে শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি সুযোগ সুবিধা নিতে পারেন। 
অন্যদিকে প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম সংখ্যক জনবল নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। যা ৪০ জনেরও কম। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। চলতি বছরের ২১ জুলাইয়ে ১৬টি পদের বিপরীতে ৪৯ জন এবং ১৭ সেপ্টেম্বর ২৯টি পদের বিপরীতে ৮২ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে এখনও অবধি নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাজ শেষ হয়নি। এ সকল নিয়োগের মধ্যে রয়েছে সহকারী অধ্যাপক, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রভাষক, শাখা কর্মকর্তা, উন্নয়ন কর্মকর্তা, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, সহকারী কম্পিউটার প্রোগ্রামার, ক্যাশিয়ার, বাবুর্চি থেকে শুরু করে ফটোকপি মেশিন অপারেটর, গাড়ির হেলপার, মালি, নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্ন কর্মী প্রমুখ। 
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলেই শিক্ষকসহ জনবল সংকট অনেকাংশ কমে যাবে। তবে বর্তমানে যারা শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছেন তারা সবাই খুবই মেধাবী ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তেমন কোন অসুবিধা হচ্ছে না বলে দাবি করেন কর্তৃপক্ষ। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ