খুলনা | শুক্রবার | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২২ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

কিছু পুলিশ ধরেই নিয়েছে দুর্নীতি  করলে কিছু হয় না : হাইকোর্ট

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ০৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৩০:০০

কিছু পুলিশের অন্যায়, অপকর্ম ও দুর্নীতির জন্য গোটা পুলিশ বাহিনীর অর্জন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। আর এর সংখ্যা পাঁচ শতাংশের বেশি হবে না। এরা ধরেই নিয়েছে পুলিশ দুর্নীতি করলে কিছু হয় না। গতকাল সোমবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে আদালত রাজধানীর উত্তর পূর্ব থানার এ এস আই মোস্তাফির রহমানের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- এই মর্মে রুল জারি করেছেন। পুলিশের আইজিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।  
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন এড. ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া ও সঙ্গে ছিলেন মোঃ আবুল কালাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এ্যাটর্নী জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার ও সহকারী এ্যাটর্নী জেনারেল  মোঃ সাইফুল আলম।
পরে ডেপুটি এ্যাটর্নী জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার সাংবাদিকদের বলেন, আদালত রাজধানীর উত্তর পূর্ব থানার এ এস আই মোস্তাফির রহমানের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- এই মর্মে রুল জারি করেছেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পুলিশের আইজিকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এড. ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া সাংবাদিদের জানান, গেলো ২৭শে জুন রাতে উত্তরাস্থ ভূতের আড্ডা রেস্টুরেন্ট থেকে ডিনার শেষে ভুক্তভোগী ইব্রাহিম খলিল ও পরিচিত নীল আক্তারসহ রিকশা যোগে বাসায় ফেরার পথে বিমানবন্দর রেলস্ট্রেশনে আসার পথে রাত ১১টা ১০ মিনিটে কসাই বাড়ি রেল ক্রসিংয়ের কাছে পৌঁছালে  একজন এপিবিএন সদস্য আমাদের পথরোধ করে রিকশা থেকে নামতে বলে। তখন আমরা রিকশা থেকে নামলে তিনি মোবাইল ফোন করে ‘স্যার দু’জনকে ধরেছি’ বলে দাঁড় করিয়ে রাখে। এ সময় আটকের কারণ জানতে চাইলে পরে জানতে পারবেন বলে জানান। কিছুক্ষন পরএ এস আই মোস্তাফিজুর এবং নেমপ্লেটবিহীন অজ্ঞাতনামা পুলিশ কনস্টেবল এসে আমাদেরকে এপিবিএন কোয়ার্টার গেটের দক্ষিণ পাশে  ব্যাটারী চালিত অটোতে উঠতে বলে। তখন আমি কারণ জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমান অশ্লীল ভাষায় গালি গালাজ ও ধমকানো শুরু করে। একপর্যায়ে ইব্রাহিমকে ওখানে রেখে এএসআই মোস্তাফিজুর নীলা আক্তারকে নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে সময় দেয়ার শর্ত ও ২০ হাজার টাকা দিলে ছেড়ে দেয়ার কথা বলে। পরে ৬ হাজার টাকা দিয়ে তারা  ছাড়া পায়।  
ভুক্তভোগী ইব্রাহিম বলেন, এ ঘটনায় এএসআই মোস্তাফিজুর রহমান ও তার সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা দু’জন কনস্টেবলের বিরুদ্ধে নাজেহালের ঘটনা বর্ণনা করে পুলিশ মহা পরিদর্শক বরাবর লিখিত আবেদন এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশানরকে সদয় অবগতিও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি প্রদান করি। কিন্তু আজ পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো প্রতিকার পাইনি।  
গত ২৫ জুলাই এ ঘটনা চ্যালেঞ্জ করে ইব্রাহিম বাদী হয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রমাণাদি সংযুক্ত করা হয়।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ











ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কারাগারে

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কারাগারে

০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২৫



ব্রেকিং নিউজ


বিজয়ের মাস ডিসেম্বর 

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর 

০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৫২

নিরালায় কেডিএ’র উচ্ছেদ অভিযান

নিরালায় কেডিএ’র উচ্ছেদ অভিযান

০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০১:১৫