খুলনা | সোমবার | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২ পৌষ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

জমকালো উদ্বোধনীতে পর্দা  উঠলো এসএ গেমসের

ক্রীড়া প্রতিবেদক | প্রকাশিত ০২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৩৬:০০

চোখ ধাঁধানো আর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে পর্দা উঠলো দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিক খ্যাত সাউথ এশিয়ান গেমস বা এসএ গেমসের ১৩তম আসরের। এসএ গেমসের জন্মস্থান হিসেবে খ্যাত নেপালে জমকালো গতকাল রবিবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্দা উঠেছে এই গেমসের। নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী বান্দারি গেমসের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। আর নেপালের অলিম্পিয়ান ও তায়কোয়ানদোতে চারবারের এসএ গেমস স্বর্ণ জয়ী দীপক বিষ্টা মশাল প্রজ্জ্বলন করেন। এই মশাল জ্বলবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশের ৩২৫০ জন এ্যাথলেট ২৭টি ডিসিপ্লিনে ১১১৩টি পদকের জন্য লড়বেন। 
নেপালে দশরথ স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই সাউথ এশিয়ান গেমসের ইতিহাস ও প্রতিটি আসরের খুঁটিনাটি বিষয় তুলে ধরা হয়। এরপর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী বান্দারি স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন। পঞ্চবাদকের পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানানো হয়। এরপর নেপালের সেনাবাহিনীর অর্কেস্ট্রা দল বাদ্যযন্ত্রে নেপালের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। তাদের সঙ্গে গোটা স্টেডিয়াম গলা মিলিয়ে গায়। জাতীয় সঙ্গীত শেষ হওয়ার পর শুরু হয় মার্চপাস্ট। অ্যালফাবেটিক অর্ডার অনুযায়ী সর্বপ্রথম মাঠে প্রবেশ করে বাংলাদেশ দল। তাদের সামনে ছিল এসএ গেমসের এবারের আসরের মাসকট ব্ল্যাকবাক। দু’টি মাসকট নেচে নেচে সামনে আগাচ্ছিল। তাদের পেছনেই এসএ গেমসের আকর্ষণীয় একটি লোগো নিয়ে ছিলেন স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিহিত কয়েকজন রমণী। তাদের পেছনে নেপালের উপজাতীয় ঐতিহ্য তুলে ধরতে ভিন্নরকম সাজে একজন নেচে নেচে আসছিলেন। সবগুলো দলের সামনেই একজন করে ছিলেন তারা। পুরোটা সময় জুড়েই বাদ্যের তালে তালে নাচছিলেন। এরপর ছিলেন অলিম্পিক, এসএ গেমস ও দক্ষিণ এশিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের পতাকা বহনকারীরা। তাদের পেছনে এবারের এসএ গেমসে অংশ নেওয়া দলগুলোর পতকা নিয়ে ছিলেন একটি দল।
তাদের পেছনে ছিল বাংলাদেশ দল। বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেন গেল এসএ গেমসে সাঁতারে স্বর্ণ পদক জেতা মাহফুজা খাতুন শিলা। তিনি বাংলাদেশের পতাকা বহন করেন। তার পেছনে ছিলেন কাঠমান্ডুতে যে ১৯টি ইভেন্ট হবে সেটাতে অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশের অ্যাথলেট ও কর্মকর্তাগণ। বাংলাদেশের পেছনে ছিল ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, পাকিস্তান, নেপাল ও শরণার্থী দল।
মার্চপাস্ট শেষ হতেই স্টেডিয়াম এলাকার আকাশ রাঙিয়ে তোলে আতশবাজির ঝলকানি। এরপর রাষ্ট্রপতি তার স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর এসএ গেমসের মশাল প্রজ্জ্বলন করা হয়। নেপালের হয়ে যেসব এ্যাথলেট গেল ২৫-৩০ বছরে অলিম্পিকে অংশ নিয়েছেন তাদের হাত ঘুরে সবশেষ দীপক বিষ্টার হাতে যায় মশাল। তিনি স্টেডিয়ামের উত্তর-পশ্চিম কোণে উচুঁতে তৈরি করা বেদিতে মশাল প্রজ্জ্বলন করেন।
এরপর শুরু হয় বিভিন্ন বাহিনীর মার্চপাস্ট। তারপর শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সেখানে নেপালের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির নানাদিক তুলে ধরে হয় নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে। মাঝে লেজার শো এর মাধ্যমে গেমসের বিভিন্ন ডিসিপ্লিন ও উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো প্রদর্শন করা হয়। এরপর গেমসে অংশ নেওয়া সাতটি দেশের গানের সঙ্গে পারফরম্যান্স করা হয়। বাংলাদেশের সময় বাজানো হয় ‘মাগো, ভাবনা কেন, আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে....গানটি।’ এরপর নেপালের জনপ্রিয় শিল্পী গান পরিবেশন করে দর্শকদের মাতান। সবশেষ লম্বা সময় ধরে নগর কাঁপানো আতশবাজির শব্দ ও ঝলকানির মধ্য দিয়ে শেষ হয় ৩ ঘণ্টা ১৪ মিনিটের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ


প্রথম পর্বে ব্যাটে বলে সেরা যারা

প্রথম পর্বে ব্যাটে বলে সেরা যারা

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০









টানা তৃতীয় জয়ে সেমিফাইনালে খুলনা

টানা তৃতীয় জয়ে সেমিফাইনালে খুলনা

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০



ব্রেকিং নিউজ


বেসরকারি সোনালী জুট মিল বন্ধ ঘোষণা

বেসরকারি সোনালী জুট মিল বন্ধ ঘোষণা

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০১:৩০







বিজয় দিবস ও আজকের মূল্যায়ন

বিজয় দিবস ও আজকের মূল্যায়ন

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০১:২১



বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন আমাদের গর্ব

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন আমাদের গর্ব

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০১:১৬