খুলনা | শুক্রবার | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২২ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

বেসরকারি স্কুলের বেতন দিয়েই পড়ছে শিক্ষার্থীরা 

খুলনা মডেল স্কুল এন্ড কলেজ সরকারিকরণের দুই বছর পরও শিক্ষার্থীরা সুবিধা বঞ্চিত

বশির হোসেন | প্রকাশিত ২৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০১:০০:০০

অনলাইনে খুলনা সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজকে সরকারি হিসেবে দেখেই আবেদন করেছিলেন একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা। তবে এখনও সরকারি কলেজের কোনো সুবিধা পাচ্ছে না তারা। বেসরকারি অন্যান্য কলেজের মতোই বেতন ভাতা দিতে হচ্ছে তাদের। এর প্রতিবাদে স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। তাতে কোন কিছুর সুরাহা হয়নি। এর মধ্যে আবারও ২০২০ সেশনে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে যাচ্ছে স্কুলটিতে।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে, ২০০৭ সালে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেসরকারিভাবে ১২ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। নগরীর বয়রা জলিল স্মরণীতে প্রতিষ্ঠিত হয় খুলনার স্কুলটি। যা ২০১৭ সালে সেপ্টেম্বরে একযোগে সরকারি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সরকারি ঘোষণার দুই বছরের বেশি সময় পার হলেও এখানকার শিক্ষার্থীরা এখন পর্যন্ত সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা পায়নি। তাদের অন্যান্য ব্যয়বহুল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতোই বেতন ও অন্যান্য খরচ বহন করতে হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে। ইন্টারনেটে এ স্কুলটিকে সরকারি স্কুল হিসাবে দেখানো হয়েছে। এতে একজন অভিভাবক শুরুতেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। যে কারণে চলতি বছরের মাঝামাঝি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়সহ সব কিছুতে ইন্টারনেটের ব্যবহার করতে হয়। ইন্টারনেটে কলেজটি সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ হিসেবেই লেখা রয়েছে। সরকারি সুযোগ সুবিধা পাওয়ার স্বার্থেই ভর্তি হয়েছিল শিক্ষার্থীরা। কলেজের প্রায় সব শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে সরকারি লেখা দেখেই। কিন্তু নামে সরকারি ওই কলেজে বেসরকারি হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে বেতন। 
স্কুলের সামনে গিয়ে কয়েকজন অভিভাবকের সাথে কথা বলে জানা যায়, কলেজটি ২০১৭ সাল থেকে সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ নাম লাগিয়ে রেখেছে। ভর্তির সময় শিক্ষকরা আশ্বাস দেয় দুই এক মাসের মধ্যে সরকারি বেতন ফি নেয়া হবে কিন্তু এখনও তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। পরীক্ষার ফি, বেতন ও অন্যান্য ফি পরিশোধ করতে চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা খরচ হয়, যা অভিভাবকদের জন্য খুবই কষ্টসাধ্য। অভিভাবকরা ওই টাকা পরিশোধ করতে রাজি নন। অতি দ্রুত এর সমাধান দাবি করেন তাঁরা।শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ শেখ মোঃ বদিউজ জামান বলেন, ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি সরকারিকরণ করা হয়েছে। তবে জনবল আত্মীকরণ করা হয়নি। মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী জনবল আত্মীকরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানকে আগের নিয়মেই চলতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত নয়। এ কারণে শিক্ষকসহ সব স্টাফদের বেতন দিতে হয় শিক্ষার্থীদের বেতন থেকে। নামে সরকারি হলেও কলেজে সরকারিকরণের কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায় না। সরকারি করণের সুবিধা পাওয়া গেলে শিক্ষার্থীদেরও ওই সুবিধা দেয়া হবে বলে জানান তিনি। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ



এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ১ এপ্রিল

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ১ এপ্রিল

৩০ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:৩১











ব্রেকিং নিউজ


বিজয়ের মাস ডিসেম্বর 

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর 

০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৫২

নিরালায় কেডিএ’র উচ্ছেদ অভিযান

নিরালায় কেডিএ’র উচ্ছেদ অভিযান

০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০১:১৫