খুলনা | রবিবার | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১ পৌষ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

পিইসি পরীক্ষীদের সরিয়ে নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ

গভ. ল্যাবরেটরি স্কুলে অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ কাজ করায় মূল ভবনে ফাটল

খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি  | প্রকাশিত ২২ নভেম্বর, ২০১৯ ০১:০১:০০

গভ. ল্যাবরেটরি স্কুলে অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ কাজ করায় মূল ভবনে ফাটল

খুলনা গভ. ল্যাবরেটরি হাই স্কুল ক্যাম্পাসে নির্মাণ কাজে অপরিকল্পিতভাবে মাটি কাটার ফলে মূলভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে স্কুল ভবনটিই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় গতকাল পিইসি পরীক্ষার আগে দু’টি কক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কোন প্রকার নিরাপত্তা বেষ্টনী না দিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঝুঁকিপূর্ণভাবে কাজ করায় স্কুলের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বেষ্টনী না দিয়ে কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে স্কুলের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পত্রালাপ করা হয়েছে। 
জানা গেছে, খানজাহান আলী, দৌলতপুর এবং খালিশপুর থানা অঞ্চল নিয়ে থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের জন্য আড়ংঘাটা থানা এলাকার তেলিগাতীতে অবস্থিত খুলনা গভ. ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের একাডেমিক ভবনের সামনে পশ্চিমপাশে স্থান নির্ধারণ করে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।  সেখানে চারতলা বিশিষ্ট একটি ভবনের দুই তালা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মনির ট্রেডার্স। স্কুল কর্তৃপক্ষ গত ১৯ নভেম্বর ভবন নির্মাণের ফাউন্ডেশনের জন্য স্কেবেটার দিয়ে মাটি খননের কাজ শুরু  করে প্রতিষ্ঠানটি। বুধবার স্কুলের কর্মচারীরা ভবন নির্মাণের অংশের একাডেমিক ভবনের পাশ থেকে মাটি ধস এবং ভবনের দ্বিতীয় তালায় বিল্ডিংয়ে ফাটল দেখতে পায়। বিষয়টি প্রধান শিক্ষককে অবহিত করলে তিনি সরেজমিনে ঘুরে গতকাল বৃহস্পতিবার ভবনটির ২১০ ও ২১১নং কক্ষের   পিইসি পরীক্ষার্থীদেরকে সরিয়ে নিয়ে অন্য রুমে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন। 
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা (ভারপ্রাপ্ত) খালেদা খানম বলেন কাজ শুরুর আগেই ঠিকাদারসহ ইঞ্জিনিয়ারদেরকে বলা হয়েছিল শিক্ষার্থীদের এবং ভবনের সকল ধরনের নিরাপত্তা বেষ্টনীর ব্যবস্থা করে কাজ শুরু করার জন্য। ঠিকাদার  প্রতিষ্ঠান তার কোন ব্যবস্থা না নিয়ে এবং আমাদেরকে অবহিত না করে কাজ শুরু করে। সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির কারনে ভবনটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন মূলভবন থেকে ১৩ ফিট দূর থেকে কাজ শুরু করার কথা বলা হলেও তারা স্কেবেটার দিয়ে এর মধ্যে মাটি খনন করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা শিক্ষা প্রকৌশল অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার সিদ্দিকুর রহমানের ব্যবহৃত (০১৭১১২৬৫১২০) মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।     
খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রুহুল আমিন বলেন ভবনটি আগে থেকেও জড়াজীর্ণ ছিলো। নতুন করে ফাটল ধরেছে কি না কেউ আমাকে কিছু বলেনি। খোঁজ নিয়ে  প্রকৌশলীদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নিতে পারবো।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ






বিজয়ের মাস ডিসেম্বর 

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর 

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৫১








ব্রেকিং নিউজ






বিজয়ের মাস ডিসেম্বর 

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর 

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৫১