খুলনা | সোমবার | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ

নগরীতে এক কাঠার বসত ভিটা দখলে নেবার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক  | প্রকাশিত ১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:৩০:০০

নগরীতে এক কাঠার বসত ভিটা দখলে নেবার অভিযোগ


নগরীর গল­ামারী পুরাতন দরগাহ রোডের শামসুদ্দিন সড়কের পাশে প্রায় দেড় যুগ পূর্বে ক্রয়কৃত এক কাঠা জমির বসতভিটা জবর দখলের চেষ্টা করছে স্থানীয় চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা। সন্ত্রাসীরা বার বার হামলা চালিয়ে মারপিট ও লুটপাট করলেও মামলা নিচ্ছে না পুলিশ। আদালতে মামলা দায়ের করেও সুরাহা না পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী, কেসিসি মেয়র ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন বৃদ্ধা হালিমা বেগম। 
গতকাল রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপরোক্ত অভিযোগ করেন তিনি। তারপক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার মেয়ে মোছাঃ মর্জিনা খাতুন। 
লিখিত বক্তব্যে উলে­খ করা হয়, ২০০৩ সালে খুলনা থানাধীন ২৪নং ওয়ার্ডের গল­ামারী পুরাতন দরগাহ রোডের শামসুদ্দিন সড়কে বানিয়াখামার মৌজায় সিএস ৫৫১২ দাগের এসএ ৬৫১৭ নম্বরে সারা জীবনের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে মাত্র এক কাটা জমি মৃত হাজী সামসুদ্দিন নালা মেম্বরের ছেলে মোঃ ইকবাল হোসেনের কাছ থেকে ক্রয় করেন তার স্বামী মরহুম হোসেন আলী মোল­া। তিন বছর পূর্বে ইন্তেকাল করেন তার স্বামী। তারপরও শান্তিতেই বসবাস করছিলেন তারা। স¤প্রতি কেসিসি উচ্ছেদ অভিযানে তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে দিলে জানতে পারে আসল ঘটনা। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে-জমি বিক্রেতা রেজিস্ট্রি দলিলকৃত সম্পত্তি না দিয়ে দখল বুঝিয়ে দেয় সরকারি খাস জমি। হতদরিদ্র অশিক্ষিত মানুষ হওয়ায় তারা এ চক্রান্ত বুঝতে পারিনি। উচ্ছেদের পর কেসিসি’র সার্ভেয়ার জমির দলিলপত্র দেখে জমির পজিশন দেখিয়ে দিলে সেখানে কুঁড়িঘর বেঁধে বসবাস শুরু করে। গত ১৪ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা ভেঙে গুড়িয়ে দেয় তাদের মাথা গোজার ঠাঁই কুঁড়েঘর। তাকে বেধড়ক মারপিট করে ঘরে থাকা আমার ছেলের ল্যাপটপ, দু’টি মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এ ব্যাপারে কয়েকবার থানায় গেলেও অদৃশ্য কারণে মামলা নেননি অফিসার ইনচার্জ (ওসি)। 
বহুবার আমাদের ঘরবাড়ি ভেঙে তাড়িয়ে দেবার চেষ্টা করেছিল ওই ভূমিদস্যুরা। এর আগে, গত ১ সেপ্টেম্বর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মোঃ ইকবাল হোসেন, আশিক ও তার স্ত্রী রাজিয়াকে বিবাদী করে খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন (নং-২৪, ০১/০৯/২০১৯)। এতো কিছু পরও ক্ষ্যান্ত না হয়ে তারা বলছে-সামান্য কিছু টাকা নিয়ে জায়গা খালি করে খুলনা ছেড়ে চলে যেতে। অন্যত্থায় তাকে ও তার ছেলে মেয়েকে জীবনে শেষ করে দেবার হুমকি দিচ্ছে ওই সন্ত্রাসীরা।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ





কপিলমুনি মুক্ত দিবস আজ

কপিলমুনি মুক্ত দিবস আজ

০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৫০

পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ

পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ

০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৪৮








ব্রেকিং নিউজ





কপিলমুনি মুক্ত দিবস আজ

কপিলমুনি মুক্ত দিবস আজ

০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৫০

পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ

পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ

০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৪৮