খুলনা | রবিবার | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১ পৌষ ১৪২৬ |

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আজ

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আজ

আজ ১৪ নভেম্বর, বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। আমাদের  দেশে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। নারী-পুরুষ-শিশু সব বয়সী মানুষই এখন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। শহরাঞ্চলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গ্রামাঞ্চলেও এ ঘাতকব্যাধি মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। বিষয়টি উদ্বেগজনক।
ডায়াবেটিসে প্রতি বছর আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হারে বাড়ছে। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এ বৃদ্ধির হার অনেক বেশি। আইডিএফের ২০১৭ সালের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে বর্তমানে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায় ৪২ কোটি ৫০ লাখ। ১৯৮৫ সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৩ কোটি। বাডাস বলছে, দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখের বেশি নিবন্ধিত ডায়াবেটিস রোগী রয়েছে। সারাদেশে ৮৪ লাখেরও বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দশম স্থানে। বৃদ্ধির এ হার অব্যাহত থাকলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ সপ্তম স্থানে পৌঁছাবে। দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়া রোগটিকে এখনই প্রতিরোধ করা না গেলে আগামী ২০৩৫ সালে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসা-বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক ফেডারেশন (আইডিএফ) এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির বাংলাদেশে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও দু’টি সংস্থাই বলছে, আক্রান্ত হয়েও প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষই জানেন না যে তিনি ডায়াবেটিস বহন করছেন। আবার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের অবস্থাও তেমন ভালো নয়। এতে করে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত প্রতি দু’জনের একজন জানেন না তিনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এর মূল কারণ সচেতনতার অভাব। বড় ধরনের অসুস্থতা ছাড়া অধিকাংশ মানুষ শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অভ্যস্ত নন। 
বিশ্বের অনেক দেশ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট উদ্যোগী এবং বিভিন্ন মাত্রায় সফল। কিন্তু বাংলাদেশের চিত্র ভিন্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সফলতার হারও অনেক কম। ডায়াবেটিস একটি বিপাকজনিত রোগ। মানবদেহে ইনসুলিন নামক হরমোনের ঘাটতি হলে কিংবা উৎপাদিত ইনসুলিন কার্যকরভাবে শরীরে ব্যবহৃত না হলে বা শরীরের ইনসুলিন নিষ্ক্রীয় থাকলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। ডায়াবেটিসে আক্রান্তের দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যদক্ষতা হ্রাস পেয়ে হার্ট এ্যাটাক, কিডনি বিকল, অন্ধত্ববরণ, পায়ে পচন ধরতে পারে। আমরা মনে করি, বৈশ্বিক এ স্বাস্থ্য সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিরোধ করতে ব্যাপকভিত্তিক জনসচেতনতা ও জনসম্পৃক্ততা প্রয়োজন। সময়মতো খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও নিয়মিত হাঁটার মাধ্যমে প্রায় ৭০ শতাংশ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ



বিআরটিএ’র জবাবদিহি নিশ্চিত করুন

বিআরটিএ’র জবাবদিহি নিশ্চিত করুন

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০




ফেসবুক ব্যবহারে থাকুক সীমারেখা

ফেসবুক ব্যবহারে থাকুক সীমারেখা

০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০







ব্রেকিং নিউজ






বিজয়ের মাস ডিসেম্বর 

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর 

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৫১