খুলনা | শনিবার | ২৩ নভেম্বর ২০১৯ | ৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

ক্যাসিনো : আ’লীগের দুই নেতার ৩৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:২৮:০০

রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানা আ’লীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক এবং তাঁর ভাই একই থানার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রূপন ভূঁইয়ার ৩৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাই এই দু’জনের বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার কমিশনের সভায় দু’টি মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয় ১ এ মামলা হবে বলে জানিয়েছে দুদক।
দুদক সূত্র বলছে, এনামুল হক এনু বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে ২১ কোটি ৮৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তাঁকে অবৈধ অর্থ অর্জনে সহায়তা করেছেন ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের কর্মচারী আবুল কালাম ও এনামুলের বন্ধু হিসেবে পরিচিত হারুন অর রশিদ। তাই এই তিনজনকে একটি মামলায় আসামি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে এনামুলের ভাই রুপন ভূঁইয়ার অবৈধ সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৪ কোটি। তাঁরও বৈধ কোনো আয়ের উৎস খুঁজে পায়নি দুদক।
চলমান ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এনামুল হক ও তাঁর ভাই থানা রূপণ ভূঁইয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। সেখান থেকে টাকা ও গহনা জব্দ করার পর ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের কর্মচারী আবুল কালাম ও এনামুলের বন্ধু হিসেবে পরিচিত হারুন অর রশিদের বাসায় অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে সব মিলিয়ে পাঁচ কোটি পাঁচ লাখ টাকা, চার কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার ও ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করে র‌্যাব।
অভিযান শেষ হওয়ার প্রায় এক মাসের মধ্যেও এঁদের কাউকেই গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে, ওই ঘটনায় সাতটি মামলা হয়েছে। সূত্রাপুর থানায় মানি লন্ডারিং ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দু’টি করে চারটি মামলা করে র‌্যাব। ওয়ারী থানায় দু’টি অস্ত্র আইনে এবং গেন্ডারিয়ার থানায় মানি লন্ডারিং আইনে একটি মামলা করা হয়। ওয়ারী থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় দুই ভাইকে আসামি করা হয়েছে।
ক্যাসিনো কাণ্ডে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সোমবার দু’টি মামলা করে দুদক। জিকে শামীম ও খালিদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে এ মামলা হয়। সূত্র : প্রথম আলো অনলাইন।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ