খুলনা | সোমবার | ১৮ নভেম্বর ২০১৯ | ৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

‘দেশের ক্রিকেটের ইমেজ নষ্ট করেছে আন্দোলনকারীরা পরিকল্পনকারী দু’একজনকে খুঁজে বের করা হবে ক্রিকেটাররা খেললে খেলবে, না খেললে নাই’ 

ক্রিকেটারদের ধর্মঘটে ‘ষড়যন্ত্র’ দেখছেন পাপন

ক্রীড়া প্রতিবেদক | প্রকাশিত ২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০

ক্রিকেটারদের আন্দোলনে নমনীয়তার বদলে উল্টো কঠোর অবস্থানেই দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন গতকাল মঙ্গলবার জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আভাস দিয়েছেন, আন্দোলনের পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে এ্যাকশনে যাওয়ার। পারিশ্রমিক এবং সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোসহ এই ১১ দফা দাবি সোমবার দুপুরের পরই মিডিয়ার সামনে উত্থাপন করেন জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটাররা। দাবি না মানা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট বর্জনেরও ঘোষণা দেন। ক্রিকেটারদের ধর্মঘট ডাকার পরদিনই গতকাল দুপুরে বৈঠকে বসেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকরা। সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বে ওই বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে আসেন পাপন নিজেই। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘ক্রিকেটাররা দাবি-দাওয়া নিয়ে আগে কেন আমাদের কাছে গেল না। গেলেই তো সব দাবি আমরা পূরণ করে দিতাম।’ পাপনের মতে, বড় কোনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে। যে ষড়যন্ত্রের কারণেই তারা বিসিবির কাছে দাবিগুলো না তুলে মিডিয়ার কাছে বলেছে। এতে তারা প্রাথমিকভাবে সফল হয়েছে। দেশের ক্রিকেটের ইমেজ নষ্ট করেছে। দেশের ইমেজ নষ্ট করেছে।
ভারত সফরকে সামনে রেখে আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে মিরপুরে ক্যাম্প শুরু হওয়ার কথা। বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘ক্যাম্প ঠিক সময়েই শুরু হবে। খেলোয়াড়রা যদি খেলতে না চায় তারা খেলবে না। ক্রিকেটাররা ক্যাম্পে যোগ না দিলে বোর্ডের কিছুই করার থাকবে না বলে হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। এতে তাদের কী বেনিফিট আমি বুঝি না। দুদিন পর ক্যাম্প, তারা আসতে চাইলে আসবে। ভারতে যদি যেতে চায় তাহলে যাবে।’
বিসিবি সভাপতির মতে, এ আন্দোলনের পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘টাকার জন্য ধর্মঘটে ক্রিকেটাররা, এটা বিশ্বাস করতে পারছি না। ধর্মঘটের পেছনে কোনো কারণ আছে। এগুলো একটা পরিকল্পনানার অংশ। ক্রিকেটের ইমেজ নষ্ট করতে তারা সফল হয়েছে।’
ক্রিকেটাররা ফোন ধরছে না জানিয়ে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তারা আসেনি। দু-তিনজনকে ফোন করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করছে না। ক্রিকেটের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। কিছু মিডিয়াও আছে। একটা লোক আছে যে মিথ্যা কথা বলে, আমি তিনবার প্রমাণ করলাস সে মিথ্যা কথা বলে। কিন্তু তাকে নিয়েই ফোকাস।’
বিসিবি সভাপতি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ডিএস্টাবলাইজ (অচল) করতে একটা ষড়যন্ত্র চলছে, এটা অনেকেই জানেন। সরকারের এমন কেউ নাই যে জানে না, কারা করছে তাও আমরা জানি। কে কে করছে তাও আমরা জানি, এমন না যে জানি না। আপনারাও জানেন।’
পাপন বলেন, ‘বিসিবিকে আক্রমণ করে, ডাইরেক্টরদের আক্রমণ করে বাইরে পাঠানো, বাইরে পাঠিয়ে বহু চেষ্টা করেছে আইসিসি থেকে স্যাংকশন আটকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। জিম্বাবুয়ের মতো আমাদেরও ব্যান করে দাও ৬ মাস, ১ বছর। ওটা যখন পায়নি তখন এটা হলো দ্বিতীয় কৌশল। সেকেন্ড কৌশল চলছে। ইন্ডিয়া ট্যুরে যদি কোনো রকমে না যায় তাহলে আইসিসির কী একটা এ্যাকশন হবে।’
পাপন বলেন, ‘এই আন্দোলনটা মূলতঃ কে কে করেছে, কেন করেছে আমি সবই জানি। আপনারাও জানেন। দু-একদিনের মধ্যে এটা অটো বের হবে। আপনাদের কিছুই করতে হবে না। একটু অপেক্ষা করুন।’ এই আন্দোলনে দু-একজন ক্রিকেটার আলাদাভাবে জড়িত বলে মনে করছেন পাপন। বাকিরা না বুঝেই এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘সামনে ভারত সফর। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আগে ক্যাম্প ও খেলা বয়কট করা পরিকল্পিত। এছাড়া আন্দোলনে দু-একজন ছাড়া বাকিরা জেনেশুনে আসেননি। মূল দু-একজনকে খুঁজে বের করা হবে।’
কোয়াবের বিষয়টা নিয়ে পাপন বলেনম ‘ব্যক্তিগতভাবে নয়, দলগতভাবে ক্রিকেটারদের বেতন যাই বাড়ছে (৫ হাজার কিংবা ১০ হাজার)- সেটা কোয়াবের অনুরোধেই বেড়েছে। ক্রিকেটাররা ব্যক্তিগত ইস্যু নিয়ে আমাদের কাছে এসেছে। কিন্তু দলগত কোনো ইস্যু নিয়ে আমাদের কাছে কখনো আসেনি। তাদের বেতন ভাতা বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যেটাই বেড়েছে সেটা কোয়াবের সুপারিসেই বেড়েছে।’
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ



খুলনা টাইগার্সের পরিচালক সুজন

খুলনা টাইগার্সের পরিচালক সুজন

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০








বিপিএলের লোগো উন্মোচন

বিপিএলের লোগো উন্মোচন

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:৪২



ব্রেকিং নিউজ