খুলনা | মঙ্গলবার | ২২ অক্টোবর ২০১৯ | ৬ কার্তিক ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় যানজট

রেলের টিকিট যেন সোনার হরিণ এয়ারলাইন্সগুলোতে নৈরাজ্য 

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১১ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:০০:০০

রেলের টিকিট যেন সোনার হরিণ এয়ারলাইন্সগুলোতে নৈরাজ্য 

সাম্প্রতিক সময়ে যশোর-ঢাকা ফ্লাইটের চাহিদা বেড়েছে। সময় বাঁচাতেই সাধারণ মানুষ বাস, ট্রেন থেকে বিমানে যাতায়াতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। যার প্রেক্ষিতে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোরের বড় একটা জনগোষ্ঠী বর্তমানে বিমানে যাতায়াত করছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি বিমান এয়ারলাইন্স ইউএস বাংলা এবং নভোএয়ার যশোর-ঢাকা রুটের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়িয়েছে। তবে ইদার্নিংকালে যাত্রীর চাপ বেশি হওয়ায় এসব এয়ারলাইন্স তাদের ইচ্ছামতই ভাড়া আদায় করছে বলে যাত্রীদের অভিযোগ। এতে ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছেন নিয়মিত প্লেনের যাত্রীরা। 
জানা যায়, যে কোন উৎসবকে কেন্দ্র করেই এ রুটের ফ্লাইটের টিকিটের সংকট দেখিয়ে বাড়ানো হয় ভাড়া। যা এক প্রকার নৈরাজ্য। তাছাড়া শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি (মাওয়া) এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় (আরিচা) দীর্ঘ যানজটের কারণেও বিমানের টিকিটের দাম বৃদ্ধি করা হয়। সম্প্রতিকালে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষদের রাজধানী ঢাকা যেতে চরম বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে। পদ্মায় অস্বাভাবিক গতিতে পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি পারাপার ব্যাহত হচ্ছে। ফলে এসব ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়েছে। দুর্ভোগে পড়েছেন সহস্রাধিক যানবাহনের যাত্রী। এমন কি ঘাটে গিয়ে ৭/৮ ঘন্টা অপেক্ষা করার পর নদী পারাপার গতে হচ্ছে যাত্রীদের। 
অন্যদিকে ট্রেনের টিকিটে মিনিটের মধ্যেই সব বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। অনলাইনে বা সশরীরেও কোন টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। এমন অবস্থায় অনিয়মিত যাত্রীরা প্রয়োজনের তাগিদে বিমানের টিকিট কাটতে গিয়ে বিপদে পড়েছেন। বিমানের টিকিটের স্বাভাবিক মূল্যের তুলনায় দ্বিগুণ টাকা দিয়েও টিকিট মেলাটা দূর্বিসহ হয়ে পড়েছে। অথচ প্রতিদিন যশোর-ঢাকা রুটে বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস বাংলারা ৪টি, নভোএয়ারের ৫টি এবং সরকারিভাবে বিমান বাংলাদেশের নিয়মিত ১টি ফ্লাইট থাকার পর টিকিট সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত মূল্যে টিকিট বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। 
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকটি এয়ারলাইন্সে টিকিটের মূল্য সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যশোর-ঢাকা রুটে সাড়ে ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত টিকিটের মূল্য রাখা হচ্ছে। যেখানে অন্য সময়ে আড়াই হাজার থেকে দু’হাজার ৭শ’ টাকার মধ্যেই টিকিট পাওয়া যেত।
এ বিষয়ে ঢাকা এবং খুলনার কয়েকটি এজেন্সির সাথে কথা হলে তারা জানান, টিকিটের দাম বৃদ্ধি বা কমানো সম্পূর্ণ এয়ারলাইন্সের এজেন্সিরা করেন। গ্রাহকরা যেখান থেকে টিকিট সংগ্রহ করেন তারা হল মূলত ডিলার বা এজেন্ট। তাদের হাতে কিছুই নেই। উৎসব পার্বনে বিমানের টিকিটের মূল্য বৃদ্ধির বিষয় নতুন নয়। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ