ডাঃ বাহারুল আলমকে জেলা আ’লীগ থেকে সাময়িক বহিষ্কার


খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের জরুরি সভায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সরকার ও দলীয় প্রধান এবং রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য ফেসবুকে প্রদান এবং গত ৭ অক্টোবর দৈনিক সময়ের খবর পত্রিকায় তা প্রকাশিত হওয়ায় কার্যনির্বাহী সদস্য ডাঃ শেখ বাহারুল আলমকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার এবং কেন তাকে দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ করা হবে না, তা আগামী ৭ দিনের ভিতরে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে। 
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় জেলা আ’লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে দলীয় কার্যালয়ে জরুরি সভায় আরও বক্তৃতা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এড. সুজিত অধিকারী, সহ-সভাপতি সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব মোল্লা জালাল উদ্দিন, এড কাজী বাদশা মিয়া, পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ আলী ও বি এম এ সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জামাল ও মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু এমপি, ত্রাণ সম্পাদক এড. নিমাই চন্দ্র রায়, দপ্তর সম্পাদক এড. ফরিদ আহম্মেদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মিজানুর রহমান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হালিমা ইসলাম, উপ-দপ্তর সম্পাদক এড. শাহ আলম, সদস্য এড. রবীন্দ্র নাথ মন্ডল, সদস্য অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, সদস্য নুরে আলম জোয়াদ্দার।
সভায় ডুমুরিয়া উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক  অধ্যক্ষ নুরুদ্দিন আল মাসুদ, বটিয়াঘাটা উপজেলা সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আক্তার এবং ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু’র মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। এছাড়া শহিদ শেখ আবু নাসেরের সহধর্মিণী এবং সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন ও সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের মাতা শেখ রিজিয়া নাসেরের রোগমুক্তি কামনার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।
ডাঃ বাহারুল আলমের বক্তব্য : বিএমএ খুলনার সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম সময়ের খবরকে গতকাল রাতে বলেন, আমি এখন পর্যন্ত অফিসিয়াল কোন কাগজ বা চিঠি পাইনি। আমি বাংলাদেশের একজন সচেতন নাগরিক ও আ’লীগের একজন কর্মী হিসেবে দেশের পক্ষে কথা বলা ও ভারতের বিপক্ষে কথা বলা দলের বিরুদ্ধে কথা বলা হতে পারে না। বাংলাদেশের যে সকল স্বার্থ এবং অধিকার ভারতের কাছ থেকে পাওয়া আবশ্যক ছিলো তা না পাওয়ায় সংক্ষুব্ধ উক্তি ফেসবুকে দেয়া হয়েছে। এতে জননেত্রী শেখ হাসিনা, আ’লীগ ও ভারত সফর সম্পর্কে কোন মন্তব্য করা হয়নি। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের স্বার্থ ভারত যথাযথভাবে পালন না করার কারণে সংক্ষুব্ধ হয়ে কথা বলেছি। এভাবে যদি আমাদের অধিকার ক্ষুন্ন হতে থাকে এক সময় আমাদের সার্বভৌমত্ব নিয়েও প্রশ্ন দেখা দেবে। ভারত এর আধিপত্যের কারণে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন একটি আশঙ্কা থেকেই এ বক্তব্য দেয়া। এটা কোনভাবেই দলীয় বিরোধী ও দলীয় সরকার বিরোধী বা রাষ্ট্র বিরোধী তো নয়ই। তারপরও তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি মনে করি তাদের সুবুদ্ধির উদয় হবে। হাতে কাগজ পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
 


footer logo

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।