খুলনা | বুধবার | ২৩ অক্টোবর ২০১৯ | ৮ কার্তিক ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা : দু’জন গ্রেফতার

নগরীতে এবি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সহায়তায় কানাডা প্রবাসীর একাউন্ট থেকে টাকা উধাও!

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:৫৭:০০

নগরীতে এবি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সহায়তায় কানাডা প্রবাসীর একাউন্ট থেকে টাকা উধাও!

নগরীর ইকবালনগর এলাকার বাসিন্দা কানাডা প্রবাসী মিজানুর রহমান টিটো নামের এক ব্যক্তির এবি ব্যাংকের একাউন্ট থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা উধাও হয়েছে! গ্রাহকের একাউন্টের টাকা উধাওয়ের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে খোদ সেই ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নগরীর ডাকবাংলাস্থ এবি ব্যাংকের দু’জন কর্মকর্তাসহ প্রতারক চক্রের ৬ জন সদস্যের নামে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)’র অভিযানে প্রতারণার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কানাডা প্রবাসী মোঃ মিজানুর রহমান টিটো নগরীর ৪১, হাজী মেহেরআলী রোড ইকবাল নগর এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। গত ৪ মাস পূর্বে তিনি কানাডা থেকে দেশে আসেন।  
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন নগরীর টুটপাড়া তালতলা হাসপাতাল রোডের ভাড়াটিয়া ফরিদুর রহমানের স্ত্রী নাজমা খাতুন (৪০) ও বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার দিগরাজ এলাকার মানসুর আলী মোল্লার ছেলে মোঃ জামাল হোসেন (৪৮)। তাদেরকে গতকাল বুধবার ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মহানগর হাকিম মোঃ শাহীদুল ইসলাম তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া রিমান্ড আবেদনের শুনানী আগামী রবিবার দিন নির্ধারণ করেছেন। 
ভুক্তভোগী প্রবাসী জানায়, নগরীর ডাকবাংলাস্থ এবি ব্যাংকের কমার্শিয়াল ম্যানেজার আনোয়ারের মাধ্যমে প্রবাসী মিজানুর রহমানের সাথে ফরিদুল ইসলামের পরিচয় হয়। এরপর থেকে ফরিদুল ইসলাম ওই প্রবাসীর সাথে কৌশলে সু-সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রবাসী মিজানুর রহমানের এবি ব্যাংকের একাউন্টের চেকের কয়েকটি পাতা নিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার সাথে আঁতাত করে গত ২২ আগস্ট ৩৫ লাখ টাকা তুলে নেন ফরিদুলসহ ওই চক্রটি। এরপর ২৭ আগস্ট তিনি ব্যাংকে গিয়ে নিজের একাউন্ট চেক করে দেখেন ৩৫ লাখ টাকা তুলে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় গত ১১ সেপ্টেম্বর প্রবাসী মিজানুর রহমান বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা করেন (নং-২১)। মামলায় এবি ব্যাংকের ডাক বাংলা শাখার কমার্শিয়াল ম্যানেজার মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩৫)সহ ৬ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার প্রধান আসামি বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার বাঁশতলা এলাকার হেমায়েত হালদারের ছেলে ফরিদুর রহমান (৪০)। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলো- এবি ব্যাংকের ক্যাশ ইনচার্জ মোঃ মাসুদ রানা লিটু (৪১), চট্টগ্রামের সেলিম কলোনীর বাসিন্দা আব্দুল মালেকের কন্যা মোছাঃ বিবি মরিয়ম (৩০), নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়া খালপাড় এলাকার মোঃ নওয়াব আলী শিকদারের ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫৫)। এরা সকলে মামলা দায়েরের পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি’র এসআই মধুসুদন বর্মন জানান, অভিযুক্ত দু’জনকে গতকাল বুধবার গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ চক্রের সাথে আরও ৫/৬ জন জড়িত রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ

প্রখ্যাত সুফিসাধক খানজাহান (রহঃ)

প্রখ্যাত সুফিসাধক খানজাহান (রহঃ)

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:৪১