খুলনা | বুধবার | ২৩ অক্টোবর ২০১৯ | ৮ কার্তিক ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

দৌলতপুরে ট্রাকের হেলপার হত্যা মামলার আসামি কালা জনি’র আদালতে স্বীকারোক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:১৮:০০

দৌলতপুরে ট্রাকের হেলপার হত্যা মামলার আসামি কালা জনি’র আদালতে স্বীকারোক্তি

নগরীর দৌলতপুর তরফদার ঘাটে ট্রাক হেলপার মোঃ জনি ফরাজী (১৮) হত্যা মামলার আসামি মোঃ জনি ওরফে কালা জনি (২০) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। গতকাল সোমবার জনির দেয়া ফৌজদারী দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারার জবানবন্দী মহানগর হাকিম ড. মোঃ আতিকুস সামাদ রেকর্ড করেছেন। কালা জনি দৌলতপুর থানাধিন মহেশ্বরপাশা পশ্চিম সেনপাড়ার মোঃ আলমগীরের ছেলে। 
এর আগে পারভেজ হাসান রাব্বি ও মোঃ মামুনুর রশিদ লিমনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে রাব্বি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। রাব্বি দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা পশ্চিম সেনপাড়ার রোকা মিয়ার ছেলে ও লিমন একই এলাকার মোঃ লিয়াতক হোসেনের ছেলে। 
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোশারফ হোসেন জানান, নিহত জনিসহ আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ চুরি, ছিনতাই, মাদক বিক্রি চক্রের সদস্য। ১৫ দিন পূর্বে দিঘলিয়া থেকে তারা একটি স্বর্ণের চেইন ও ২ হাজার টাকা ছিনতাই করে। উক্ত টাকার ভাগ না দেয়ার জন্য জনিকে খুন করা হয়। ঘটনার দিন পূর্বপরিকল্পিতভাবে জনিকে গাঁজা খাওয়ানোর কথা বলে তারা দৌলতপুর থানাধীন সিএসডি গোডাউনের পূর্ব পাশের নদীর পূর্বপাড় দিয়ে দিঘলিয়া থানাধীন এসআর ইটভাটার পশ্চিম-দক্ষিণ কর্নারে নিয়ে যায়। সেখানে রাব্বি ও লিমন জনির হাত ধরে রাখে এবং কালা জনি ব্লেড দিয়ে গলায় পোচ দিয়ে শ্বাসনালী কেটে দেয়। পরে তারা ভৈরব নদে জনিকে ফেলে দিয়ে চলে আসে। 
জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট রাত ৮টার দিকে দৌলতপুর থানাধিন পশ্চিম সেনপাড়ার বাসিন্দা মোঃ মোস্তফা ফরাজীর ছেলে মোঃ জনি ফরাজী (১৮) কে বাড়ির সামনে থেকে ডেকে নিয়ে যায় রাব্বি, লিমন ও কালা জনিসহ অন্যান্যরা। রাতে জনি বাড়ি ফিরে না আসলে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। ৩১ আগস্ট দৌলতপুর তরফদার ঘাট থেকে নিহত জনির লাশ উদ্ধার করে দৌলতপুর থানা পুলিশ। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ

প্রখ্যাত সুফিসাধক খানজাহান (রহঃ)

প্রখ্যাত সুফিসাধক খানজাহান (রহঃ)

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:৪১