খুলনা | বুধবার | ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

গত পাঁচ সপ্তাহে গ্রেফতার প্রায় ৪ হাজার

পাকিস্তানি সেনা নিহত, কাশ্মীরে  উত্তেজনা আরও চরমে

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:৩৫:০০

ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে এক পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কাশ্মীর সীমান্তে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। গতকাল বৃহস্পতিবার কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ রেখায় (এলওসি) দুদেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বৃহস্পতিবার কাশ্মীরের হাজী পীর সেক্টরে সংঘর্ষ বিরতি নীতি লঙ্ঘন করে ভারতীয় বাহিনী গুলি চালিয়েছে। এ ঘটনায় গোলাম রাসূল নামে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন সিপাহী মারা যান।
আইএসপিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিহত ওই সেনা ভাওয়ালনগরের বাসিন্দা। ভারতীয় বাহিনীর হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালায় পাক সেনারা।
বিজেপি নেতৃত্বাধীন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গত ৫ আগস্ট দেশটির সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ও বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়। কাশ্মীর ও লাদাখকে দু’টি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে পার্লামেন্টে বিল আনা হয়। বিরোধীরা এ বিষয়ে নিয়ে সরব হলেও তাদের ঐক্যবদ্ধ বিরোধিতার অভাবে লোকসভা ও রাজ্যসভা দুই কক্ষে এ বিল পাস হয়। ভারত-পাকিস্তান কাশ্মীর ইস্যুতে নিয়ে শুরু থেকেই যুদ্ধে জড়ানোর মতো অবস্থানে রয়েছে। এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
আটক : কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসন কেড়ে নেওয়ার পর ভারতীয় বাহিনীর অভিযানে আগস্টে প্রায় চার হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। ভারতীয় সরকারের এক পরিসংখ্যান হাতে পাওয়ার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। গত ৬ সেপ্টেম্বর তারিখের এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী কাশ্মিরে প্রায় ৩ হাজার আটশ’ মানুষকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এর মধ্যে দুই হাজার ৬০০ জনকে বিভিন্ন শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা জম্মু-কাশ্মির পুলিশ এই আটকের সংখ্যা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।
গত ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ও বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয় বিজেপি নেতৃত্বাধীন দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। লাদাখ ও কাশ্মিরকে দু’টি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে পার্লামেন্টে বিল পাস হয়। এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কাশ্মির জুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত সেনা। জারি করা হয়েছে বিধিনিষেধ। কাশ্মিরের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রীসহ শত শত মানুষকে আটকের কথা জানা গেলেও মোট আটকের সংখ্যা বিষয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ করেনি ভারত সরকার।
গতকাল বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ৬ সেপ্টেম্বর ভারত সরকারের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে কাশ্মিরে অভিযান শুরুর পর থেকে ৩ হাজার আটশো মানুষকে আটক করা হয়েছে। তবে এসব মানুষকে কিসের ভিত্তিতে আটক করা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। 
এক ভারতীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এদের অনেককেই জননিরাপত্তা আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে। কাশ্মিরের জন্য প্রণীত এই বিশেষ আইনের অধীনে বিনা বিচারে যে কাউকে দুই বছর পর্যন্ত আটক রাখা যায়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৩ হাজারের বেশি মানুষকে পাথর নিক্ষেপকারী ও অন্যান্য দুষ্কর্মের জন্য আটক করা হয়েছে বলে ওই সরকারি নথিতে বলা হয়েছে। গত রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) কাশ্মিরের ৮৫ বন্দিকে আগ্রা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছে একটি পুলিশ সূত্র।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ




দাড়ি-বোরকার জন্যও আটক হয়েছেন উইঘুররা

দাড়ি-বোরকার জন্যও আটক হয়েছেন উইঘুররা

১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০০:০০






নাগরিকত্ব আইন চালু  করবই : মোদী

নাগরিকত্ব আইন চালু  করবই : মোদী

১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০০:২১




ব্রেকিং নিউজ










নগরীতে কেসিসি’র  উচ্ছেদ অভিযান

নগরীতে কেসিসি’র  উচ্ছেদ অভিযান

১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:০০

ভাষা আন্দোলনের দিনগুলি

ভাষা আন্দোলনের দিনগুলি

১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:০০