নগরীতে পিতা-পুত্রকে হত্যা করে ট্রাক ছিনতাই মামলায় ৪ আসামি রিমান্ডে 


নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন শিরোমনি পশ্চিম পাড়ার চিংড়িখালিতে বাঁশ বোঝাই ট্রাক ছিনতাই করে ব্যবসায়ী শমসের আলী মন্ডল (৫৬) ও তার ছেলে রোকন মন্ডল (৩০) হত্যা মামলায় ৪ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। পুলিশের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানী শেষে গতকাল সোমবার মহানগর হাকিম তরিকুল ইসলাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। ঘটনার দিন পিতা শমসের আলী মন্ডল নিহত হলেও পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ছেলে রোকন মন্ডল মারা যান। 
রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলো চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের হাতিকাটা এলাকার মৃত মতলেব মন্ডলের ছেলে মোঃ ইয়াসিন (৩৪), অলোকদিয়া এলাকার মৃত মাহাবুব উদ্দিনের ছেলে মোঃ রাকিব উদ্দিন রিয়াদ (২৪), ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার আড়পাড়া গ্রামের মোঃ আজিজ আকনের ছেলে মোঃ কবির হোসেন আকন (২৭), একই গ্রামের মোঃ ইউসুফ মন্ডলের ছেলে মোঃ রেজাউল মন্ডল (৩৯)।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার এ মামলার অপর আসামি ট্রাক ড্রাইভার মোঃ রফিকুল ইসলাম ওরফে হ্যাপি (৩২) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেন। এছাড়া বটিয়াঘাটা থানার কেসমত ফুলতলা গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ মোড়লের ছেলে মাওলানা মোঃ ইউনুস আলি (৬০) এ মামলায় কারাগারে রয়েছেন।       
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কয়রাডাঙ্গা গ্রামের বাঁশ ব্যবসায়ী শমসের আলি মন্ডল ও তার ছেলে রোকন মন্ডল ট্রাকে বাঁশ বোঝাই করে ড্রাইভার মোঃ রফিকুল ইসলাম ওরফে হ্যাপিকে নিয়ে বাগেরহাটের রামপাল থানার ফয়লা বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ড্রাইভার হ্যাপি চুয়াডাঙ্গা রেল ক্রসিং থেকে ৪/৫জনকে গাড়ীতে তুলে নেয়। পরের দিন সকাল ৮টার দিকে খানজাহান আলী থানার চিংড়িখালী এলাকার বাইপাস সড়কের পাশে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পার্শ্ববর্তী স্থানে আরও এক ব্যক্তিকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সেপ্টেম্বর নিহত শমসের আলি স্ত্রী জাহানারা বেগম বাদী হয়ে হ্যাপি ও ইউনুস আলির নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনকে আসামি করে খানজাহান আলী থানায় ৩৯৬/৪১২ ধারায় মামলা দায়ের করেন যার নং-২।  
 


footer logo

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।