প্রতিবছর ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস’ ৪ ডিসেম্বর খসড়া এসএমই নীতিমালা অনুমোদন


প্রতি বছর ৪ ডিসেম্বরকে জাতীয় বস্ত্র দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। দিবসটি উদ্যাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা পরিপত্রের ‘খ’ ক্রমিকে তা অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন । বৈঠক শেষে দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, পাট দিবস ৬ মার্চ পালন করা হয়। মার্চ হচ্ছে স্বাধীনতার মাস, আর ডিসেম্বর হচ্ছে বিজয়ের মাস। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় স্বাধীনতা ও বিজয়কে একসাথে নিয়ে চলতে চায়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এভাবে দিবস পালন মানে মানুষকে একটু সেনসিটাইজড করা। মানুষ স্মরণ করবে আজ বস্ত্র দিবস, এজন্য আমাদের কিছু করণীয় আছে। আমাদের রপ্তানি আয় সবচেয়ে বেশি বস্ত্র থেকেই পাই।
তিনি বলেন, এখন থেকে প্রতি বছর ৪ ডিসেম্বরে ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস’ পালিত হবে।
অন্যদিকে জাতীয় শিল্পনীতির আওতায় এসএমই নীতিমালা ২০১৯’র খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এটি নতুন সংযোজন এবং জাতীয় শিল্পনীতির আলোকেই এটি করা হয়েছে। এই সেক্টরে ৭৮ লাখ অতি ক্ষুদ্র (মাইক্রে) এবং ক্ষুদ্র (স্মল) ও মাঝারি (মিডিয়াম) শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং জিডিপিতে এই খাতের অবদান প্রায় ২৫ শতাংশ।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই খাতের আওতায় ৭৮ লাখ শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং জিডিপি’র এক চতুর্থাংশ এই খাত থেকে অর্জিত হয়।’
শফিউল আলম বলেন, নতুন নীতিমালায় মূলত ৬টি বিষয়কে সামনে রাখা হয়েছে। এই ৬টি বিষয়ের প্রতিই মূলত ফোকাস করা হবে।
 


footer logo

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।