খুলনা | শনিবার | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৬ আশ্বিন ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রাকৃতিক পরিবেশে আনন্দ উপভোগের সুযোগ পাবেন শহরের মানুষ 

রমনা’র আদলে নির্মিত হবে মুজগুন্নী শিশু পার্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:২০:০০

রমনা’র আদলে নির্মিত হবে মুজগুন্নী শিশু পার্ক

নগরীর মুজগুন্নী শিশু পার্কের স্থলে ঢাকাস্থ রমনা-এর আদলে দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)। পার্কটি নির্মাণ হবে সংস্থাটির সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থে। এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে শহরের মানুষ প্রাকৃতিক পরিবেশে আনন্দ উপভোগের সুযোগ পাবেন। 
কেডিএ’র তথ্য অনুসারে, নগরী খুলনার বাসিন্দারের বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষে মুজগুন্নী আবাসিক এলাকায় ৮ দশমিক ৬৭ একর  জমিতে একটি শিশু পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেয় সংস্থাটি। আর এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জায়গাটির অবকাঠামো, লেক, বাউন্ডারী ওয়াল ও ফাঁকা জায়গার উন্নয়ন করে ইজারা প্রদানের জন্য টেন্ডারের আহ্বান করে প্রতিষ্ঠানটি। কেডিএ’র আহ্বানের প্রেক্ষিতে বাৎসরিক ৬,৫১,০০০ (ছয় লাখ একান্ন হাজার) টাকায় ২০০৭ সালের ১৮ এপ্রিল ওই পার্কের ইজারা গ্রহণ করে খুলনার বেলফুলিয়ার রাজাপুরস্থ এস এস ওয়ার্ল্ড-এর মালিক জি এম সাইফুল ইসলাম। পার্কটির ইজারা গ্রহণের পর ওই বছরের ১৭ মে কেডিএ’র সাথে একটি লীজ চুক্তি সম্পন্ন করে দখলে যায় গ্রহীতা। চুক্তির শর্তে উল্লেখ ছিল পার্কটির ভেতরে মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি এবং আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজন করতে হবে। কিন্তু দখল নেয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ওই ইজারাদার কেডিএ’র চুক্তিপত্রে একাধিক শর্ত ভঙ্গ করে নিয়ম বহির্ভূতভাবে পার্কের প্রবেশ গেটে গেমস/রাইডস ও পার্কের মধ্যে অবস্থিত লেকটি সাবলিজ দেয়। পার্কের সীমানার মধ্যে ৩২টি দোকান ও বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ করে। এছাড়া পার্কটি ইজারা নেয়ার পর থেকে অদ্যাবধি ওই গ্রহীতা (সুদসহ আসল) বিপুল অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করেননি। কেডিএ বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য গ্রহীতা জি এম সাইফুলকে বারবার চিঠি দিয়েও সাড়া পায়নি। সঙ্গতকারনেই চলতি বছর ২২ জানুয়ারি ইজারাদার প্রতিষ্ঠানটির ইজারা বাতিল এবং  ১৫ দিনের মধ্যে মালামাল সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। অন্যদিকে পাওনা টাকা আদায়কে বাধাগ্রস্ত করতে ১৫ বছর পর্যন্ত ইজারা স্বত্ব বিদ্যমান আছে দাবি করে গ্রহীতার পক্ষে নিযুক্ত আমমোক্তার হিসেবে তার পিতা জি এম আব্দুস সাত্তার খুলনা যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে কেডিএ’র বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন। পাশাপাশি বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করেন। কিন্তু চলতি মাসের ১০ ফেব্র“য়ারি উভয়পক্ষে শুনানী শেষে নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা নামঞ্জুর করেন আদালত। এ ঘটনার পর পার্কে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে দখলে নেয়া হয়।
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সিনিয়র বৈষয়িক অফিসার জি এম মাসুদুর রহমান বলেন, বর্তমানে ওই শিশু পার্কের স্থলে ঢাকাস্থ রমনা-এর আদলে পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পার্কে ওয়াকওয়ে, রাইডস ও সিটিং এ্যারেজমেন্টসহ নানা সুযোগ-সুবিধা থকেবে। ইতোমধ্যে ওই প্রকল্প বাস্তবায়নে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে নগরীর অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র হবে। ফলে শহরের মানুষ প্রাকৃতিক পরিবেশে আনন্দ উপভোগ ও হাঁটাহাঁটি করার সুযোগ পাবে।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ










খুলনায় তৎপর ৮টি গ্রুপ 

খুলনায় তৎপর ৮টি গ্রুপ 

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:২০




ব্রেকিং নিউজ











‘খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের আরো অবনতি’

‘খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের আরো অবনতি’

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:৪৩