খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

তালুকদার আব্দুল খালেক নতুন চেয়ারম্যান

বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সকল ঘটনা তদন্ত করা হবে

ফুলবাড়ীগেট ও খানজাহান আলী প্রতিনিধি  | প্রকাশিত ২৪ অগাস্ট, ২০১৯ ০১:১৭:০০

বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সকল ঘটনা তদন্ত করা হবে

নগরীর শিরোমনি বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের বোর্ড অব ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে খুলনা সিটি মেয়র ও নগর আ’লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক। এছাড়া সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ ও প্রফেসর ডাঃ কাজী শহিদুল আলমকে ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়। এছাড়া তিনজন সদস্য হলেন ফুলতলা উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোঃ আকরাম হোসেন, বিএমএ ও স্বচিপ খুলনার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ ডাঃ মোয়াজ্জেম হোসেন ও মোঃ হাফিজুর রহমান। হাসপাতাল পরিচালনা ও গঠনতন্ত্র সংশোধন, সৃষ্ট সকল ঘটনার জন্য তদন্তে   ৫ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।  
গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় প্রতিষ্ঠানের কনফারেন্স কক্ষে হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, প্রতিষ্ঠানের ট্রেজারার সৈয়দা লুৎফুন নাহার, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য প্রফেসর কাজী শহিদুল আলম, আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন, সৈয়দ হাফিজুর রহমান, মিসেস হালিমা ইসলাম, বি এম এ সালাম, এড. মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিনিধি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডাঃ মোঃ আব্দুল হান্নান, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপাধ্যক্ষ ও বিএমএ ও স্বাচিপ সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোঃ মেহেদী নেওয়াজ, শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, হারুন অর রশিদ, খুলনা স্বাচিপ সভাপতি ডাঃ এস এম সামছুল আহসান মাসুমসহ সকল বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 
বোর্ডসভা শেষে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যরা কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ উপস্থিত সকলের সাথে প্রতিষ্ঠানের অডিটরিয়ামে বৈঠক করেন। বৈঠকে হাসপাতালের নতুন চেয়ারম্যন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন হাসপাতলের বিদায়ী চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ। 
সভায় প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে ম্যানেজিং ট্রাস্টিজ ও গঠনতন্ত্র পুনঃগঠন এবং সাম্প্রতিক সময়ে সৃষ্ট ঘটনার সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতার তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। 
বৈঠকের সভাপতি সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, খুলনা তথা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে তার উপর যে দায়িত্ব অর্পন করা হয়েছে, তা সততা এবং নিষ্ঠার সাথে পালনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি বলেন, আমার কাছে প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স এ বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। পুলিশের হাতে ফেন্সিডিলসহ হাসপতালের এ্যাডমিনিস্ট্রেটর (সিসি) মাহমুদুল হাসান তারিফ আটক হয়েছে, তার চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত সে সাসপেন্ডে থাকবে এবং প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারবেনা। তিনি আরও বলেন আরো কয়েজনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে তাদের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে 
সিটি মেয়র তার বক্তৃতায় বলেন প্রতিষ্ঠান থেকে অন্যায়ভাবে বের করে দেওয়া হয়েছে তদন্ত করে নির্দোষ প্রমাণ হলে তাদেরকে চাকুরিতে বহাল করা হবে। মতভেদ ভুলে এবং গ্র“পিং বাদ দিয়ে প্রতিষ্ঠানের কাজে মনোযোগি হওয়ার আহ্বান জানান সিটি মেয়র। 
বৈঠকে  উপস্থিত ছিলেন নগর আ’লীগের সহ-সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী, খানজাহান আলী থানা আ’লীগের সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিছুর রহমান, থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার স ম রেজওয়ান আলী, শ্রমিক লীগ নেতা আলহাজ্ব শেখ আনছার আলী, ইউসুফ আলী খলিফা, মোঃ শাকিল আহম্মেদ, এফ এম জাহিদ হাসান জাকির, মোড়ল হাবিবুর রহমান, মোড়ল আনিসুর রহমান, শেখ কামাল আহমেদ, জেলা তাঁতী লীগের সদস্য সচিব কাজী আজাদুর রহমান হিরোকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ