খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গাসহ নিহত ৩

খবর প্রতিবেদন  | প্রকাশিত ২২ অগাস্ট, ২০১৯ ১২:০৩:০০


বিজিবি ও গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গাসহ তিন জন নিহত হয়েছেন। বুধবার দিবাগত রাতে কক্সবাজার ও ময়মনসিংহে এসব বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুই রোহিঙ্গা ইয়াবা ব্যবসায়ী ও অপরজন একটি হত্যা মামলার আসামি বলে পুলিশ জানিয়েছে। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবার চালান নিয়ে অনুপ্রবেশকালে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। তারা হচ্ছেন, উখিয়ার কুতুপালং সাত নম্বর ক্যাম্পের ব্লক-ই-৩ এর ২৪ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা মৃত সৈয়দ হোসেনের ছেলে মো. সাকের (২২) এবং নয়াপাড়া মোচনী ক্যাম্পের ব্লক সি-৪ এর দুই নম্বর কক্ষের বাসিন্দা মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে নুর আলম (৩০)। ঘটনাস্থল থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা, দেশীয় বন্দুক, কিরিচ ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।
টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার জানান, মিয়ানমার থেকে মাদকের চালান আসছে এমন তথ্য পেয়ে বুধবার রাতে কাটাখালীর নাফনদী পয়েন্টে অবস্থান নেয় টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের হোয়াইক্যং বিওপি ক্যাম্পের একটি টহল দল। কিছুক্ষণ পর কাঠের নৌকা নিয়ে কয়েকজন লোক সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায়। এসময় মাদক বহনকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিজিবি’র উপর হামলা করলে বিজিবির সিপাহী মতিউর রহমান (২৪) ও উজ্জ্বল হোসেন (২৬) আহত হন। পরে বিজিবি আত্মরক্ষার্থে গুলিবর্ষণ করে। 
এদিকে, ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের পাগলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এখলাছ উদ্দিন (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি এখলাসের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে অটোচালক সুজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি বলেও জানিয়েছে পুলিশ। এখলাস গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার চাকুয়া গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গফরগাঁও উপজেলার পাগলা চাকুয়া এলাকায় এখলাসসহ কয়েক মাদক ব্যবসায়ী অবস্থান করছে, এমন খবরে অভিযানে যায় ডিবি পুলিশের একটি দল। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রথমে ইট পাটকেল ও পরে গুলি ছোড়ে মাদক কারবারিরা। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত এখলাছ উদ্দিনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ জুলাই রাতে সুজন নামের এক অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যা করে তার অটোরিকশা ছিনতাই করে এখলাছসহ বেশ কয়েকজন। সূত্র : মানবজমিন অনলাইন 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ






বিএনপি নেতা দুদুর বাড়িতে হামলা

বিএনপি নেতা দুদুর বাড়িতে হামলা

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১২:০৫



হঠাৎ ঢলে বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি

হঠাৎ ঢলে বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১২:০০





ব্রেকিং নিউজ