খুলনা | শনিবার | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৬ আশ্বিন ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

দলিল লেখক জাকির হত্যা মামলার অধিকতর তদন্তে পিবিআই

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ২১ অগাস্ট, ২০১৯ ০১:২৬:০০

দলিল লেখক জাকির হত্যা মামলার অধিকতর তদন্তে পিবিআই


বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা জাকির হত্যা মামলাটি  অধিকতর তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই কর্তৃপক্ষকে আদেশ দিয়েছেন।  মহানগর হাকিম মোঃ আমিরুল ইসলাম গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি ইন্সপেক্টর মীর আতাহার আলী মামলার সকল আসামিকে অব্যাহতি দান পূর্বক আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেছিলেন। তার ওই রিপোর্টের বিরুদ্ধে ফরিয়াদী পক্ষ না-রাজি দরখাস্ত দাখিল করেন। অভিযোগ করেন-আসামিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে চূড়ান্ত রিপোর্টটি দাখিল করা হয়েছে। বেলা সোয়া ১১টার দিকে শুনানি শেষে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন। বিকেলে আদালত থেকে আদেশের কপি পিবিআই কার্যালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। আদালতের এক কর্মকর্তা  এ তথ্য জানান। 
২০১২ সালের ২০ মে সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে ৭টায় ডিসি এবং এসপি অফিসের নিকটতম দূরত্বের কেসিসি মার্কেটস্থ’ চেম্বারের তালা বন্ধ করে খান মোঃ জাকির হোসেন বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। হেলমেট পরিহিত দু’ আততায়ী সেখানে এসে তার নাম জিজ্ঞাসা করে। নাম বলা মাত্রই তাদের একজন পিস্তল বের করে তাকে গুলি করে। বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। দু’-তিনটি মোটরসাইকেলে ঘাতক দলের অন্য সদস্যরা জেলা পরিষদের সামনের সড়কে অপেক্ষা করছিল। তারা ওই দু’জনকে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। যাবার আগে ওই রাস্তায় তারা আরও একটি বোমা ফাটায়। মামলার নথি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, ২২ মে নিহতের স্ত্রী জামিলা বেগম খুলনা সদর থানায় হত্যা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহভাজন হিসেবে রেজাউল করিম বাবলু (৫৫), শেখ আলমগীর হোসেন (৩৫), শেখ আজিম উদ্দিন (৩৬), মোঃ জামির হোসেন ওরফে জামির শেখ (৪৩), জহিরুল ইসলাম ওরফে লাল্টু (৩৬), শেখ হাসান (৪৮) এবং মোঃ ফারুক হোসেন গ্রেফতার হয়। আরেক সন্দেহভাজন মোঃ বাহাউদ্দিন খন্দকার (৪৭) কে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গ্রেফতারের চেষ্টা করলে তিনি এবং ছাদিকুর রহমান ওরফে রনি (৩৫) উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন গ্রহণ করেন।  
আদালতে দাখিল করা না-রাজি দরখাস্ত সূত্রে জানা গেছে, রায়েরমহল বাউন্ডারি রোডের বাসিন্দা অপর দলিল লেখক বাহাউদ্দিন খন্দকারের সাথে নিহত জাকিরের পূর্ব শত্র“তা ছিল। তিনি দলিল লেখক সমিতির যুগ্ম-মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার পর এ শত্রুতা আরও তীব্র হয়। এর জের ধরে তিনি জাকিরকে হত্যার সব রকম পরিকল্পনা করে ১৮ মে নেপালের কাঠমন্ডুতে পাড়ি জমান। সেখানে ২৫ মে পর্যন্ত অবস্থান করে তিনি আসামী ছাদিকুর রহমান রনির সাথে ফোনে যোগাযোগ করে অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় এ হত্যাকান্ড সংঘটিত করেন। তারা যদি খুনের সাথে জড়িত না থাকত-তবে, কেন উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়েছেন? আগাম জামিন নেয়ার কারণ উল্লেখ করে ফরিয়াদী পক্ষের আইনজীবীরা তাদেরকে খুনের পরিকল্পনাকারী ও অর্থ যোগানদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করেন। ফরিয়াদী পক্ষে এড. আক্তার জাহার রুকু এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার জেলা সমন্বয়কারী এড. মোমিনুল ইসলাম আদালতে শুনানি করেন। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ










খুলনায় তৎপর ৮টি গ্রুপ 

খুলনায় তৎপর ৮টি গ্রুপ 

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:২০




ব্রেকিং নিউজ











‘খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের আরো অবনতি’

‘খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের আরো অবনতি’

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:৪৩