খুলনা | রবিবার | ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

অপরাধীদের শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ বেড়েছে : হাইকোর্ট

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ২১ অগাস্ট, ২০১৯ ০১:১৭:০০


দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ায় ধর্ষণের মতো অপরাধ বেড়েছে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় দুই আসামির জামিন আবেদন খারিজ করা আদালতের লিখিত আদেশ গতকাল মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের স্বাক্ষরের পর প্রকাশিত ওই লিখিত আদেশে আদালতের পর্যবেক্ষণের বিষয়গুলো উঠে এসেছে।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ধর্ষণ বিশেষত শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার মতো ঘৃণ্য অপরাধ বেড়েই চলেছে। এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধীর দ্রুততম সময়ে বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারার দায় মূলত রাষ্ট্রের ওপরেই বর্তায়। এক্ষেত্রে বিচার বিভাগও জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়। আদালত তাদের লিখিত আদেশে আরও বলেছেন, আমাদের অভিজ্ঞতা হলো যে, ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার আসামিরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেপরোয়া ও ধূর্ত প্রকৃতির। এরা ভিকটিম ও তার পরিবারের ওপরে চাপ-প্রভাব বিস্তার, আদালতে সাক্ষ্য দিতে ভয়ভীতি, প্রলোভনসহ বিভিন্ন ধরনের কূটকৌশল অবলম্বন করে। ক্ষেত্র বিশেষে সালিশের নামে সামাজিক বিচার করে ভিকটিম ও তার পরিবারকে মামলা প্রত্যাহারে বাধ্য এবং আদালতে সাক্ষ্য প্রদানে বিরত থাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে থাকে। এ অবস্থায় সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের বিকল্প নেই। আমরা প্রত্যাশা করছি, সরকার দ্রুততম সময়ে এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন করবে।
আদালত বলেন, দেশের বিভিন্ন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যাসহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাগুলো বিচারের জন্য অপেক্ষমাণ। এর মধ্যে ৪-৫ বছরের পুরনো মামলার সংখ্যাও নেহাত কম নয়। অভিযোগ গঠনে বিলম্ব এবং যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া ধার্য তারিখে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক কয়েক মাস পরপর তারিখ পড়ছে। যদিও এই (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০) আইনের ২০(৩) ধারায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, মামলা বিচারের জন্য নথি প্রাপ্তির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে বিচার কাজ সমাপ্ত করার।
প্রসঙ্গত, ধর্ষণের মামলায় বিচারিক আদালতে জামিন নামঞ্জুরের পর আসামি মোঃ রাহেল ওরফে রায়হান এবং মোঃ সেকান্দার আলী জামিন বিষয়ে হাইকোর্টে আপিল দায়ের করেন। কিন্তু আদালত তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে পর্যবেক্ষণসহ এই আদেশ দেন। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ









চার বিএসএফ সদস্য আটক পতাকা বৈঠকে ফেরত

চার বিএসএফ সদস্য আটক পতাকা বৈঠকে ফেরত

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০০:০০



নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক

নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক

২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০০:৫৩


ব্রেকিং নিউজ




খুলনায় জমে উঠেছে প্রাণের মেলা  

খুলনায় জমে উঠেছে প্রাণের মেলা  

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:৪৯




দীর্ঘ ১৬ দিন পর সচল হলো বশেমুরবিপ্রবি 

দীর্ঘ ১৬ দিন পর সচল হলো বশেমুরবিপ্রবি 

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:৪৭



মাতৃভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু 

মাতৃভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু 

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:৪৪

ভাষা আন্দোলনের দাবি আজও পূরণ হয়নি

ভাষা আন্দোলনের দাবি আজও পূরণ হয়নি

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:৩৯