খুলনা | বুধবার | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

এবারও সাড়া মেলেনি নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ে

জোড়াগেট পশু হাটে ২ কোটি ৮ লাখ হাসিল আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৫ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:৩২:০০

এবার নগরীর জোড়াগেট কোরবানির পশুর হাটে শেষ সময় পর্যন্ত ৭ হাজার ৮শ’ ৫টি পশু বিক্রি হয়েছে। আর এ পশু বাবদ হাসিল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮ লাখ ৯ হাজার ৯৫৫ টাকা। অপরদিকে অত্যন্ত সীমিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করা হলেও নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানিতে তেমন সাড়া মেলেনি। 
কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ আগস্ট খুলনা সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত জোড়াগেট পশুর হাটের উদ্বোধন করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে হাটে পশু কেনা-বেচা শুরু হয় পরদিন অর্থাৎ ৭ আগস্ট। হাট শেষ হয় ঈদের দিন সকালে। নির্ধারিত সময়ে ৭ হাজার ৮শ’ ৫টি পশু বিক্রি হয়েছে। এসব পশুর বাবদ হাসিল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৯ লাখ ৯৫৫ টাকা। যদিও এবার হাটের টার্গেট ধরা হয়েছিলো ২ কোটি ৩৮ লাখ ৮ হাজার টাকা। এর আগে ২০১০ সাল থেকে কেসিসি নিজস্ব তত্ত্বাবধানে জোড়াগেট কোরবানির পশুরহাট পরিচালনা করে আসছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে পশু বিক্রি হয় ৭ হাজার ৩২টি। গরু ৫ হাজার ৩৮১টি, ছাগল ১ হাজার ৬৪২ চি। রাজস্ব আদায় হয় এক কোটি ৬৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। 
এদিকে, অত্যন্ত সীমিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করা হলেও নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানিতে তেমন সাড়া মেলেনি। ৩১টি ওয়ার্ডে ১৩৬টি স্থান নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানিতে তেমন সাড়া মেলেনি। কোথাও কোথাও স্থান নির্ধারণ করা হলেও কোন প্রস্তুতি দেখা মেলেনি। কোন পশুও যায়নি। গত বছর নির্ধারিত স্থান ছিলো ১৬৩টি। যার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছিলো শতকরা ৪৫ ভাগ। 
নগরবাসী জানান, এবার নির্ধারিত স্থানে ভাল প্রস্তুতি ছিলো না। বিশেষ বৃষ্টি প্রতিরোধক ব্যবস্থা না থাকায় মানুষ যেতে চাইনি। অনেক স্থান পুরোপুরি ফাঁকাও গেছে। 
কর্পোরেশনের বাজার সুপার সেলিমুল রহমান বলেন, হাটে পর্যাপ্ত গরু ছিলো। শেষ সময়ে অন্তত ২ হাজার গরু অবিক্রিত অবস্থায় ফিরে গেছে। তবে গত বছরের তুলনায় হাসিল বেশি আদায় হয়েছে। কারণ এবার পশু বিক্রি বেশি ছিলো এবং সুষ্ঠু পরিচালনা ও ব্যয়ও কম হয়েছে।
কর্পোরেশনের কঞ্জারভেন্সি অফিসার আনিসুর রহমান বলেন, কেসিসি’র নিজস্ব জনবল ছিলো এবং আউটসোসিং-এ জনবল নিয়ে সকাল নয়টার মধ্যে নগরীর সকল ময়লা অপসারণ করেছে। অন্যদিকে ৩১টি ওয়ার্ডে ব্লিসিং পাওডার ও স্যাভলন দেয়া হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টির পানিতে বেশির ভাগ ময়লা ধুয়ে চলে গেছে। 
কর্পোরেশনের ভেটেনারী সার্জন ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম বলেন, শতকরা ৪০ভাগ নির্ধারিত স্থানে, ৫০ ভাগ বাসা-বাড়িতে এবং ১০ভাগ সড়কে কোরবানি হয়েছে। তবে কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি ছিলো। বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত স্থানে মানুষ যেতে চাইনি।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ







উৎসব মুখর পরিবেশে আ’লীগের সম্মেলন

উৎসব মুখর পরিবেশে আ’লীগের সম্মেলন

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২৮




কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস আজ

কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস আজ

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২২



ব্রেকিং নিউজ







উৎসব মুখর পরিবেশে আ’লীগের সম্মেলন

উৎসব মুখর পরিবেশে আ’লীগের সম্মেলন

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২৮




কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস আজ

কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস আজ

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২২