খুলনা | সোমবার | ১৯ অগাস্ট ২০১৯ | ৪ ভাদ্র ১৪২৬ |

শিরোনাম :
মোংলায় সাংগঠনিক তদন্তে এসে অভিযুক্তের সাথে ভ্রমণ ও ভুরিভোজ কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতারডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৩ হাজার, চিকিৎসা শেষে ফিরেছে ৪৫ হাজারবেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষার্থী শিঞ্জন একদিনের রিমান্ডে অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বাড়ছে নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন, চলছে বাছবিচারহীন গ্রেফতারখুলনায় প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গাড়ি ও ড্রাইভারের সুবিধা গ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ!ফের নগরীর বেসরকারি বিশ্বদ্যিালয়ের বিবিএ’র ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগঈদযাত্রায় সড়কে গেছে ২২৪ প্রাণস্ত্রী পরিচয়ে কুয়াকাটাসহ নগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে ওই ছাত্রীকে রেখেছিলো ‘শিঞ্জন রায়’

Shomoyer Khobor

লাইট ফ্যান পানি কোন সার্ভিস ঠিকমত  পাচ্ছে না খুমেকের ডেঙ্গু রোগীরা 

বশির হোসেন  | প্রকাশিত ১০ অগাস্ট, ২০১৯ ০১:১৪:০০

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ড নিয়ে নানান অভিযোগ রোগীদের। ইন্টার্ণ চিকিৎসক ছাড়া কোন সিনিয়র চিকিৎসক না যাওয়া, কিটস স্বল্পতার কারণে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে না পারা, সারাদিন লাইট ফ্যান পানি কিছুই ঠিক না থাকা। এ নিয়ে সারা দিন অনেক ভোগান্তি হয়েছে। অবশ্য সন্ধ্যার দিকে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় সব লাইট ফ্যান চলছে। রোগীরা বলেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে বিকেলে এসে ঠিক করেছে। তবে ডেঙ্গুর প্রাথমিক পরীক্ষা ছাড়া মেডিকেল এ ডেঙ্গুর এজিজিএম এন্টিজেন পরীক্ষা সম্ভব হচ্ছে না। ডেঙ্গু ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডাঃ পার্থ প্রতীম দেবনাথ বলেন, ডাঃ যায়নি এটা সঠিক না। আমি নিজে গিয়েছি। অন্য ডাক্তাররাও রোগী দেখেছে। শতাধিক ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসকরা। পিডব্লিউডির গাফিলতিতে বদনাম হচ্ছে চিকিৎসকদের।
এদিকে গতকাল শুক্রবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরেজমিন দেখা যায়, পর্যাপ্ত বেড ছাড়া শুধুমাত্র ফোমের উপর মশারি টাঙ্গিয়ে চিকিৎসা চলছে ৪৬ জন  ডেঙ্গু  রোগীর। রোগী ও তাদের স্বজনেরা খালি পায়ে প্রবেশ করলেও চিকিৎসক নার্স ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জুতা পরে অবাধে চলাচল করছে, ফলে নোংরা অবস্থায় থাকছে ওয়ার্ডটি। এদিকে জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩১। এ নিয়ে খুলনা বিভাগে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১৩২১ জনে দাঁড়িয়েছে। ফলে অনেকটা অসহায় অবস্থায়ই চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে সকলকে। কোন রোগী জ্বর নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর প্রথমে দ্বিতীয় তলার মেডিসিন ওয়ার্ড থেকে রিসিভ করিয়ে ডেঙ্গু সনাক্ত হলেই কেবল তাকে ওই ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হচ্ছে। যেটি আরও একটি ভোগান্তি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এটি একদিকে যেমন ডাক্তারদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক তেমনি রোগীদের জন্যও। চিকিৎসা পদ্ধতির এমন পরিস্থিতির মধ্যেও প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। সেই সাথে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর চেয়ে সরকারি হাসপাতালেই রোগীরা বেশি ভিড় জমাচ্ছে। এখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ফ্রি করার কারণে এ সুযোগটি নিচ্ছে রোগীরা। 
এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় খুলনায় ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়েছে বলে সিভিল সার্জনের দপ্তর জানিয়েছে। এর মধ্যে ২৬ জন সরকারি হাসপাতালে এবং ৫ জন ভর্তি হয় বেসরকারি হাসপাতালে খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ এএসএম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, খুলনায় এ পর্যন্ত ২২৪ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে ২৫৪ জন সরকারি হাসপাতালে এবং ৭৫ জন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করে। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ