খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২১ নভেম্বর ২০১৯ | ৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

হজ্জ মুসলিম উম্মাহর এক বিশ্ব মহা সম্মেলন

মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান আশরাফী | প্রকাশিত ১০ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০

হজ্জ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম একটি স্তম্ভ। মুসলিম জাতির এক বিশ্ব মহা সম্মেলন। শারীরিক ও আর্থিক ব্যয়ের মাধ্যমে এই হজ্জ পালন করতে হয়। মানুষের জীবনে সক্ষম ব্যক্তির উপর একবার হজ্জ পালন করা ফরজ। হজ্জ আরবী শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ : ইচ্ছা বা অভিপ্রায় পোষণ, দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা। পরিভাষায়, “আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে জিলহজ্জ মাসের নির্ধারিত দিন সমূহে নির্ধারিত নিয়মে পবিত্র কাবা ঘর ও সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহ প্রদক্ষিণ করাকে হজ্জ বলে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, “মানুষদের মধ্যে যার যেখানে (আল্লাহর ঘরে) যাওয়ার সামর্থ আছে, আল্লাহর (সন্তুষ্টির) উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের (কাবা) হজ্জ করা তার জন্য অবশ্য কর্তব্য। (সূর আলে ইমরান ঃ ৯৭।) হজ্জ আদায় প্রসঙ্গে নবী করিম (সাঃ) বলেন, “হে মানব মন্ডলী! আল্লাহ তায়ালা তোমাদের ওপর হজ্জ ফরজ করে দিয়েছেন। কাজেই তোমরা হজ্জ পারন করো (মুসলিম)।
হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত : যাদের উপর হজ্জ ফরজ : হজ্জ ফরজ হওয়ার জন্য পাঁচটি শর্ত রয়েছে।
(১) মুসলিম হওয়া। 
(২) বিবেকবান হওয়া, পাগল না হওয়া। 
(৩) বালেগ হওয়া, প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া। 
(৪) আজাদ বা স্বাধীন হওয়া অর্থাৎ কারো গোলাম বা দাস না হওয়া।
(৫) দৈহিক ও আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান হওয়া।
হজ্জ ফরজ হয়েছে কিনা জানবেন যেভাবে : হজ্জ ও জাকাতের মধ্যে বিশেষ পার্থক্য রয়েছে। তাই কারো ওপর জাকাত ফরজ না হয়েও তার ওপর হজ্জ ফরজ হতে পারে। হজ্জ ও জাকাতের মধ্যে পার্থক্য হলো, জাকাতের সম্পর্ক নির্ধারিত নিসাবের সঙ্গে। হজ্জের সম্পর্ক মক্কায় আসা-যাওয়ার খরচের সঙ্গে। সুতরাং স্থাবর সম্পত্তির কিছু অংশ বিক্রয় করে কেউ যদি হজ্জ আদায় করতে সক্ষম হয় এবং হজ্জ থেকে ফিরে এসে বাকি সম্পত্তি দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে, তাহলে তার ওপর হজ্জ ফরজ (ইমদাদুল আহকাম, খন্ড : ২, পৃষ্ঠা : ১৫২, আহসানুল ফাতাওয়া, খন্ড : ৪, পৃষ্ঠা : ৫১৬)। একইভাবে ব্যবসায়ীর দোকানে যে পরিমাণ পণ্য আছে, তার কিছু অংশ বিক্রয় করলে যদি হজ্জ করা সম্ভব হয় এবং ফিরে এসে যদি বাকি পণ্য দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা যায়, তাহলে তার ওপরও হজ্জ ফরজ (ইমদাদুল আহকাম, খন্ড : ২, পৃষ্ঠা : ১৫৩)।
নিজের হজ্জ আগে, পরে অন্যের হজ্জ : মনে রাখতে হবে যে আগে নিজের হজ্জ আদায় করবে। পরে মাতা-পিতার চিন্তা করবে। সামর্থ্য থাকলে তাঁদের নিয়ে একসঙ্গে হজ্জ করবে। অন্যত্থায় আগে নিজের ফরজ আদায় করবে (রহিমিয়া, খন্ড : ৮, পৃষ্ঠা : ১৮২)। অনেকে মনে করে সন্তানের বিয়ে আগে দিতে হয়। তারপর হজ্জ আদায় করতে হয়। অথচ এ কথা ইসলাম সমর্থিত নয়। ইসলামের দৃষ্টিতে সন্তানের বিয়েও খুবই জরুরি। তাই বলে সন্তানের বিয়ের জন্য হজ্জে বিলম্ব করা যাবে না (রহিমিয়া, খন্ড : ৮, পৃষ্ঠা : ২৭৬)।
হজ্জ ফরজ হওয়ার পর করণীয় : হজ্জ যে বছর ফরজ হয়, ওই বছরই আদায় করে নেয়া উচিত। অহেতুক কারণে বিলম্ব করা গুনাহ। একবার হজ্জ ফরজ হলে তা আর কখনো মাফ হয় না (আহসানুল ফাতওয়া, খন্ড : ৪, পৃষ্ঠা : ৫২৮)। মহানবী (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি হজ্জের ইচ্ছা করে, সে যেন তা দ্রুত আদায় করে নেয়। কেননা মানুষ কখনো অসুস্থ হয়ে পড়ে, কখনো সম্পদ খরচ হয়ে যায়, কখনো সমস্যার সম্মুখীন হয়’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস, নং : ২০৭)।
হজ্জে যাওয়ার আগে মানুষের অধিকার : হজ্জে হাওয়ার প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর করণীয় হলো, মানুষের অধিকারের প্রতি যতœবান হওয়া। ঋণ থাকলে তা পরিশোধ করা। ইবাদতে কোনো ত্র“টি থাকলে তা শুধরে নেয়া। তাওবা-ইস্তিগফার করা। বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত ও জিকির করা। হজ্জের মাসআলা-মাসায়েল শেখা (ফাতাওয়া আলমগিরি, খন্ড : ১, পৃষ্ঠা : ২২০)।
নিয়ত হতে হবে বিশুদ্ধ : হজ্জে যাওয়ার সময় নিয়ত বিশুদ্ধ করে নিতে হবে। মহান আল্লাহর হুকুম পালনার্থে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য হজ্জ করছি এমন নিয়ত করতে হবে। লোকে হাজি বলবে, সম্মান দেখাবে, প্রসিদ্ধি অর্জন হবে, ব্যবসা ভালো জমবে, নির্বাচনে ভালো করা যাতে এ ধরনের মনোভাব নিয়ে হজ্জ করলে সাওয়াব তো হবেই না, বরং লৌকিকতার কারণে গুনাহ হবে (মুসলিম, হাদিস নং : ১৯০৫)।
যাবতীয় খরচ হালাল হতে হবে : হজ্জের সার্বিক কাজে যেসব টাকা খরচ করা হবে, তা হালাল হতে হবে। হজ্জের মধ্যে হারাম টাকা খরচ করাও হারাম। যে হজ্জে হারাম টাকা খরচ করা হয়, সে হজ্জ কবুল হয় না (দুরুল মুখতার, খন্ড : ৩, পৃষ্ঠা : ৫১৯)। 
প্রথমত : মুহাক্কিক আলিমগন হজ্জের সফলকে আখিরাতের সফরের সাথে তুলনা করেছেন। যেহেতু মানুষ যখন হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হয়, তখন আত্মীয়-স্বজন, বাড়ি-ঘর, বন্ধু-বান্ধব ত্যাগ করে তারা যেন পরকালের সফরে বের হয়। হজ্জের প্রতিটি কাজের ভিতর হিকমত বা রহস্য রয়েছে, যেমন, ইহরামের সাদা কাপড়, কাফনের কাপড় স্মরণ করিয়ে দেয়, ইহরামের পর লাব্বাইক আল্লাহুমা লাব্বাইক, বলা কিয়ামতের দিন আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া সমতুল্য। সেদিন যেমন মানুষ দিশেহারা হয়ে নবী রাসূলগণের নিকট দৌড়া-দৌড়ি করবে, অনুরূপভাবে হাজী ও সাফা-মারওয়া পর্বতদ্বয়ের মাঝামাঝি স্থানে দৌড়া-দৌড়ি করে থাকে। আরাফার ময়দানে লক্ষ লক্ষ মানুষের অবস্থান হাশরের ময়দানের নমুনা বলে বোধ হয়। এক কথায়, হজ্জের প্রতিটি আমল থেকেই আখিরাতের সফরের কথা ভেসে ওঠে হজ্জ যাত্রীর হৃদয়ে। 
দ্বিতীয়ত : হজ্জ হল আল্লাহর ইশক্ ও মহব্বত প্রকাশ করার এক অপরূপ বিধান। যেমন, প্রেমাসম্পকের আকর্ষনে মাতোয়ারা হয়ে প্রেমিক ছুটে চলে যিয়ারতে বায়লল্লাহর উদ্দেশ্যে। কখন মককায়, কখন মদীনায়, কখনো আরাফায়। আবার কখনো মুযদালিফায় উপস্থিত হয়ে হাজী কান্নাকাটি ও গড়া-গড়ি করছে মহান আল্লাহর দরবারে। দাঁড়াবার সুযোগ নেই তাঁর কোথাও। এভাবে ছুটাছুটি করে উত্তপ্ত হৃদয়ের প্রশান্তি লাভ করাতেই সদা সে সচেষ্ট। হজ্জের প্রতিটি আমলেই আমরা দেখতে পাই প্রেমের প্রকৃষ্ট নিদর্শন। কেননা বন্ধু-বান্ধব, বাড়ি-ঘর এবং আত্মীয়-স্বজনের মায়া ছেড়ে দিয়ে প্রেমাস্পদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া এবং তাঁরই তালাশে বন-জঙ্গল, পাহাড়-পর্বত, এবং সাগর-মহাসাগর পাড়ি দিয়ে পবিত্র মক্কা ও মদীনার অলি-গলিতে দৌড়া-দৌড়ি ও ছুটাছুটি করা এ এক মাত্র প্রেমিকেরই কাজ। 
হজ্জ না করার পরিনাম : পূর্বেই বলা হয়েছে, সক্ষম ব্যক্তির উপর জীবনে একবার হজ্জ করা ফরজ। বিশেষ ওজর ছাড়া হজ্জ না করার কোন সুযোগ নেই। এ প্রসঙ্গে নবী করিম (সাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তির বায়তুল্লাহ্র হজ্জ করার মতো পাথেয় ও যানবাহন আছে অথচ হজ্জ পালন করলো না সে ইহুদী কিংবা খৃষ্টান হয়ে মারা গেল কিনা তা বলা যায়না, (তিরমিযি) এছাড়াও অন্য এক হাদিসে নবী করিম (সাঃ) বলেন, “হজ্জের ইচ্ছা পোষণকারী যেন তাড়াতাড়ি তা সমার্পন করে ফেলে। কেননা সে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে, তার উট হারিয়ে যেতে পারে বা তার ইচ্ছা বাধাগ্রস্থ হয়ে পড়তে পারে (সূত্র : ইবনে মাজাহ)। হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত পূরণ হওয়ার সাথে সাথে বিলম্ব না করে আদায় করা খুবই জরুরী। হযরত সাইদ ইবনে জুবাইরা (রাঃ) বলেছেন, “আমার এক ধনী প্রতিবেশী হজ্জ না করা অবস্থায় মারা গিয়েছিল আমি তার জানাযার নামায পড়িনি।” 
হজ্জের সামাজিক ও আন্তর্জাতিক গুরুত্ব ঃ যদিও হজ্জ একান্তই ব্যক্তিগত আমল। তা সত্ত্বেও হজ্জের সামাজিক, রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে হজ্জের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। হজ্জের মৌসুম এমন এক বসন্ত মৌসুম, যার আগমনে নতুন প্রত্যয়ে উদ্দীপ্ত হয়ে উঠে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা মুসলিম উম্মাহ্। এ কারনেই হজ্জের মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ হাজার হাজার মাইল পথ অতিক্রম করে বায়তুল্লাহ্ যিয়ারতে ছুটে আসে। বিভিন্ন দেশ হতে আগত হজ্জ যাত্রীদের শারীরিক কাঠামো ভিন্ন, ভাষা ভিন্ন, কিন্তু মীকাতের নিকটে এসে তাঁরা নিজেদের পোশাক খুলে একই ধরনের কাপড় পরিধান করে, তখন তাঁদের মধ্যে একজাতি এক ইলাহ এবং বান্দার হওয়ার চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়। 
হজ্জ কেবল ইবাদত নয় বরং মুসলিমদের জাতীয় সমস্যা সমাধান এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ধর্মীয় ফোরাম। শুধু মুসলিম জাতির সমস্যার সমাধান নয়, সকলের ভিতর আন্তরিকতা বহুগুনে বৃদ্ধি পায়। সকলের মুখে একই ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়ে আকাশ বাতাশ মুখরিত হয়ে ওঠে। হজ্জের মৌসুমে আলিম উলামা পীর মাশায়েখ সুধী সাধক, পবিত্র মক্কা ও মদীনায় একত্রিত হয়ে থাকেন। যাদের মাধ্যমে দ্বীনি দিক্ষা দেয়া হয়, সমাজ থেকে শিরক, বিদায়াতি মুক্ত হয়। পারস্পারিক দ্বন্দ্ব-কলহ মিটিয়ে, লড়াই-ঝগড়ার পরিবর্তে ভালবাসা বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্ব বন্ধন ও বিশ্ব শান্তি স্থাপন হয়। হজ্জ সমিলন মুসলিম উম্মাহর এক বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব। যার বহিঃ প্রকাশ সুখ্যাতি ও গৌরব সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। 
হজ্জের আসল শিক্ষা : পবিত্র হজ্জ ব্রত পালনে অনেক শিক্ষা অর্জন হয়, ধর্মীয়, আধ্যত্মিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা দেয়, নিম্নে কিছু শিক্ষা প্রদান করা হল ঃ
(ক) মানুষের মধ্যে আত্মগর্ব, হিংসা পরশ্রীকাতরাতা, ঘৃণা, পরনিন্দা, কাম প্রভৃতি কুপ্রবৃত্তি রয়েছে তা হজ্জের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
(খ) হজ্জ মুসলমানদের অত্যন্ত কষ্টসাধ্য বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে, এই কাজগুলো হাজীদের সবর বা ধৈর্য্যরে শিক্ষা প্রদান করে।
(গ) হজ্জের মাধ্যমে ব্যক্তি ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। সে পশু কুরবানি করে নিজের পশুত্বকে বিসর্জন দেয়। এভাবে ক্ষুদ্রতর ত্যাগ থেকে সে বৃহত্তর ত্যাগের প্রশিক্ষণ পায়।
(ঘ) আরাফাতের ময়দানে দাঁড়িয়ে একজন মুসলমানকে হযরত আদম (আঃ) এর মাগফিরাতের কথা স্মরণ করতে হয়। যেখানে মা হওয়ার সাথে দীর্ঘ দিন পর স্বাক্ষাৎ হয়েছিল।
(ঙ) হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও হযরত ইসমাঈল (আঃ) এর আল্লাহর পথে ত্যাগ ও কুরবানীর যে উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা মুসলিম জাতিকে স্মরন করিয়ে দেয়।
(চ) হজ্জের মাধ্যমে সাম্যের শিক্ষা পাওয়া, এখানে ধনী-গরীব, রাজা প্রজার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, সবাই এখানে আল্লাহর তায়ালার বিশেষ মেহমান।
(ছ) হজ্জ আল্লাহর নিকট কোন শর্ত আরাপ ছাড়াই তার নিকট আত্মসমর্পন করার শিক্ষা দেয়।
পরিশেষে বলতে চাই, মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সহী নিয়তে পবিত্র হজ্জের আহকাম যেনে সঠিক ভাবে হজ্জ আদায় করে হজ্জের শিক্ষা জীবনে বাস্তবায়ন করার তাওফিক দান করুক। আমিন, ছুম্মা আমিন।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ



বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা

বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা

২৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:২৮




পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা ২৩ অক্টোবর

পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা ২৩ অক্টোবর

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০

ব্যভিচার : কারণ ও তার শাস্তির বিধান

ব্যভিচার : কারণ ও তার শাস্তির বিধান

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০

গীবত বা পরনিন্দা ঘৃণ্যতম অপরাধ

গীবত বা পরনিন্দা ঘৃণ্যতম অপরাধ

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:৩৮


মশা প্রসংগে মহাগ্রন্থ আল কুরআন

মশা প্রসংগে মহাগ্রন্থ আল কুরআন

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০

আশুরার তাৎপর্য ও শিক্ষা

আশুরার তাৎপর্য ও শিক্ষা

০৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:০৫


ব্রেকিং নিউজ