খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২২ অগাস্ট ২০১৯ | ৭ ভাদ্র ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

মিনায় হজযাত্রীরা

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ০৯ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:৫৪:০০

পবিত্র মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে মিনার যেদিকে চোখ যায়, তাঁবু আর তাঁবু। মিনা এখন তাঁবুর শহর। তাঁবুতে প্রত্যেকের জন্য আলাদা ফোম, বালিশ, কম্বল বরাদ্দ। ফোমের নিচে বালু। মিনায় অবস্থান করা হজের অংশ। হজযাত্রীরা নিজ নিজ তাঁবুতে নামাজ আদায়সহ অন্যান্য ইবাদত করছেন।
মিনায় রাতযাপন জীবনের এক পরম পাওয়া। আজ শুক্রবার ৮ জিলহজ, হজযাত্রীরা মিনায় অবস্থান করবেন। ৯ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে যাবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন। এরপর প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে মুজদালিফায় গিয়ে রাতযাপন ও পাথর সংগ্রহ করবেন। ১০ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে মিনায় ফিরবেন। পবিত্র হজ পালনের জন্য মক্কায় সমবেত সারা বিশ্বের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান মিনায় পৌঁছেছেন। ভিড় এড়ানোর জন্য মোয়াল্লেম গাড়িতে করে আমাদের মিনায় নিয়ে এসেছেন। অন্য সময় গাড়িতে মিনায় পৌঁছাতে ২০ মিনিট লাগে। রাস্তায় তীব্র যানজটের কারণে বুধবার লাগল দুই ঘণ্টারও বেশি। মিনামুখী পুরো রাস্তায় হজযাত্রীদের স্রোত। বাসে, গাড়িতে, হেঁটে মিনায় যান তাঁরা। সেলাইবিহীন দুই টুকরা সাদা কাপড় পরে হজের নিয়তে তাঁদের মুখে ছিল তালবিয়া ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্নি মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক’। মিনার প্রবেশপথ দিয়ে হজের অনুমতিপত্র ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
হজের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, হজে আসা সংখ্যার দিক থেকে দেশগুলো হলো ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, তুরস্ক, ইরান। হজযাত্রীদের জন্য ২৫টি হাসপাতাল ও ১৫৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ৯৫৯টি এ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রয়েছে।
হাজিরা মিনায় বড় শয়তানকে পাথর মারবেন, কোরবানি দেবেন, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেঁটে মক্কায় গিয়ে কাবা শরিফ তাওয়াফ করবেন। তাওয়াফ, সাঈ শেষে আবার মিনায় ফিরে ১১ ও ১২ জিলহজ অবস্থান করবেন। সেখানে প্রতিদিন তিনটি শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করবেন তাঁরা। প্রত্যেক শয়তানকে সাতটি করে পাথর মারতে হয়। মসজিদে খায়েফের দিক থেকে মক্কার দিকে আসার সময় প্রথমে জামারায় সগির বা ছোট শয়তান, তারপর জামারায় ওস্তা বা মেজো শয়তান, এরপর জামারায় আকাবা বা বড় শয়তান। জামারায় প্রতি ঘণ্টায় তিন লাখ হাজি পাথর নিক্ষেপ করতে পারবেন।
হাজিরা যাতে নির্বিঘেœ শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করতে পারেন, সে জন্য ওই জায়গা সম্প্রসারণ করা হয়। সৌদি গ্রাম ও পৌরবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব হাবিব জয়নাল আবেদিন বলেন, মিনার তাঁবুগুলোতে আগুন ধরার ঝুঁকি নেই। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত তাঁবু।
মিনায় ২৪/৬২ নম্বর তাঁবু, অর্থাৎ বাংলাদেশ হজ কার্যালয়ের সামনে অনেক হজযাত্রী ভিড় জমান। তাঁবু দেখতে একই রকম হওয়ায় হজযাত্রীরা কিছুক্ষণের জন্য নিজের তাঁবু হারিয়ে ফেলেন। তাঁদের নিজ নিজ তাঁবুতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
হজযাত্রীরা মিনার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখেন। ১০ জিলহজের পর জামারায় খুব ভিড় থাকে। তখন ভালো করে দেখা যায় না। মিনার কাছেই সৌদি বাদশাহর বাড়ি, রাজকীয় অতিথি ভবন। হজযাত্রীরা মোয়াচ্ছাসা (হজের সার্বিক বিষয় দেখাশোনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ) কার্যালয়, রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ



পবিত্র হজ্ব আজ

পবিত্র হজ্ব আজ

১০ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:৫১



পবিত্র ঈদুল আযহা ১২ আগস্ট

পবিত্র ঈদুল আযহা ১২ আগস্ট

০৩ অগাস্ট, ২০১৯ ০১:০৭


১১ আগস্ট সৌদি আরবে  ঈদুল আযহা

১১ আগস্ট সৌদি আরবে  ঈদুল আযহা

৩০ জুলাই, ২০১৯ ০১:১৯






ব্রেকিং নিউজ










সংসদ বসছে  ৮ সেপ্টেম্বর

সংসদ বসছে  ৮ সেপ্টেম্বর

২২ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:৫৮