খুলনা | সোমবার | ১৯ অগাস্ট ২০১৯ | ৪ ভাদ্র ১৪২৬ |

শিরোনাম :
মোংলায় সাংগঠনিক তদন্তে এসে অভিযুক্তের সাথে ভ্রমণ ও ভুরিভোজ কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতারডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৩ হাজার, চিকিৎসা শেষে ফিরেছে ৪৫ হাজারবেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষার্থী শিঞ্জন একদিনের রিমান্ডে অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বাড়ছে নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন, চলছে বাছবিচারহীন গ্রেফতারখুলনায় প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গাড়ি ও ড্রাইভারের সুবিধা গ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ!ফের নগরীর বেসরকারি বিশ্বদ্যিালয়ের বিবিএ’র ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগঈদযাত্রায় সড়কে গেছে ২২৪ প্রাণস্ত্রী পরিচয়ে কুয়াকাটাসহ নগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে ওই ছাত্রীকে রেখেছিলো ‘শিঞ্জন রায়’

মাছে-ভাতে বাঙালির সুদিন আসুক

২৪ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০

মাছে-ভাতে বাঙালির সুদিন আসুক

‘মাছ চাষে গড়ব দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ শ্লোগানে চলছে-২০১৯ জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ। দেশ মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। পুষ্টি বিবেচনায় মাছের চেয়ে নিরাপদ আমিষ আর নেই। প্রাণিজ আমিষের চাহিদার শতকরা ৬০ ভাগ জোগান দিচ্ছে মৎস্য খাত। 
আমরা জানি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে আমিষের (প্রোটিন) গুরুত্ব অপরিসীম। অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সেক্টরের অবদান অসামান্য। বাংলাদেশে প্ররিবেশ ব্যবস্থা মিঠাপানির মাছ চাষের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিবেদনে মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। মিঠাপানির মাছ উৎপাদনের বিপুল সম্ভাবনার পাশাপাশি সামুদ্রিক মাছ আহরণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সমুদ্রে মাছ আহরণের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ২৫তম। বঙ্গোপসাগরে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি ছাড়াও প্রায় ৫০০ প্রজাতির অর্থকরী মাছ রয়েছে। এই মাছের অতি সামান্যই আহরিত হয়। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রজয়ে ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকায় মাছ ধরার আইনগত অধিকার পেয়েছে বাংলাদেশ। ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে মৎস্য আহরণ পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
দেশে এখন ৪২ লক্ষ ৭৭ হাজার টন মাছ উৎপাদিত হচ্ছে। এর মধ্যে উন্মুক্ত জলাশয় (নদী, বিল, হাওর) থেকে শতকরা ২৫ ভাগ, বদ্ধ জলাশয় (পুকুর, ডোবা) থেকে ৫৭ ভাগ এবং বাকি অংশ সমুদ্র থেকে উৎপাদিত হচ্ছে। দেশের সমতল ভূমির ৮ লক্ষ হেক্টর বদ্ধ জলাশয়ের বাইরে আর কোনো ফসলি জমি নষ্ট করে মাছ চাষ করা ঠিক হবে না। বিদ্যমান নদী ও পুকুর গুলোয় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়াতে হবে। মৎস্য উৎপাদন বাড়ায় বাংলাদেশ অভ্যস্তরীণ মুক্ত জলাশয় থেকে মৎস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশ্বে চতুর্থ এবং অভ্যন্তরীণ বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে পঞ্চম স্থান লাভ করেছে। এক হিসাবে দেখা গেছে, প্রতিবছর অব্যবস্থাপনা ও অবহেলায় উৎপাদিত মাছের একটা বড় অংশ, প্রায় ১০ লক্ষ টন নষ্ট বা অপচয় হয়ে যায়। এটা রোধ করতে পারলে মাছ উৎপাদনে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব হবে। বাংলাদেশ সরকার ভিশন ২০২১-এ দেশে মাছের উৎপাদন ৪৫.০ লক্ষ টন নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২২ সাল নাগাদ বিশ্বে যে চারটি দেশ মাছ চাষে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করবে, তার শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশের নাম। মাছের উৎপাদন সাফল্য উৎসাহজনক হলেও উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে এর চেয়ে বহুগুণ। 
বিভিন্ন উপাত্ত থেকে জানা যায়, দেশে প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ বা ১১ শতাংশ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৎস্য খাতে জীবীকা নির্বাহ করে। বছরে প্রায় ৬ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান হচ্ছে এই সেক্টরে। নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুরসহ জলাধারের সংখ্যা হ্রাস পেলেও আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের জন্য উৎপাদন বিস্ময়করভাবে বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। সুতরাং নদীমাতৃক বাংলাদেশে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, জাতীয় উদ্যোগ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় মৎস্য খাতের সাফল্যকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ





রক্তে ভেজা ‘পনেরই আগস্ট’ আজ

রক্তে ভেজা ‘পনেরই আগস্ট’ আজ

১৫ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:০০


মহামিলনের পবিত্র হজ্জ শুরু

মহামিলনের পবিত্র হজ্জ শুরু

১০ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:০০







ব্রেকিং নিউজ