খুলনা | বুধবার | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

প্রি-একনেকে অনুমোদনের পর কেটেছে ১০ মাস, একনেকে ওঠেনি শের-এ বাংলা রোড চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ২২ জুলাই, ২০১৯ ০০:৩৩:০০

২০১৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রি-একনেক কমিটির সভায় অনুমোদন মেলে নগরীর শের-এ বাংলা রোড চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প। এরপর অতিবাহিত হয়ে গেছে প্রায় ১০ মাস। এখনও একনেক সভায় ওঠেনি জনগুরুত্বপূর্ণ ওই প্রকল্পটি। ফলে সহসা কমছে না ওই সড়কে চলাচলে জনসাধারণের ভোগান্তি।
জানা গেছে, নগরীর মধ্যে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক শের-এ  বাংলা রোড। খুলনা-সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, মোংলা, কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপ, বটিয়াঘাট, দেবহাটা রুটের সকল যাত্রী এ সড়ক দিয়ে শহরে যাতায়াত করে থাকে। ফলে এসব যাত্রীদের যাতায়াতে প্রতিদিন অসংখ্য রিকশা, ইজিবাইক ও ভ্যান চলাচলের ভীড়ে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়। 
অন্যদিকে গল্লামারী ও জিরোপয়েন্ট এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকা গড়ে উঠায় শহর সম্প্রসারিত হচ্ছে। আর ওই সম্প্রসারিত অঞ্চলে বসবাসকারীদেরও প্রতিনিয়ত এ সড়ক ব্যবহার করতে হয়। ফলে সড়কটির ব্যস্ততা বহু গুণে বেড়ে যাওয়ায় প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটছে। এ অবস্থায় সড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণ সময়ের ও খুলনাবাসীর প্রাণের দাবিতে পরিণত  হয়। 
খুলনাবাসীর গুরুত্বপূর্ণ এ দাবি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে গত ১৭ সালের নভেম্বর মাসে ময়লাপোতা থেকে জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীতকরনের একটি ডিপিপি ঢাকাস্থ সড়ক বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। এরপর সওজ অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ যাচাই-বাছাই কমিটির সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন ডিপিপি প্রেরণের নির্দেশনা আসে। ওই নির্দেশনা প্রতিপালনে ওই বছর ডিসেম্বরে ১৬৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ফের ডিপিপি গঠন করা হয়।  যার মধ্যে রয়েছে ৪ কিলোমিটার সড়ক ২৫.২ মিটার প্রশস্থকরণ, ভূমি অধিগ্রহণ, ডিভাইডার, পথচারীদের হাটার জন্য ফুটপথ ও পয়ঃনিষ্কাষণের জন্য আরসিসি ড্রেন নির্মাণ ইত্যাদি। ২০১৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর  প্রি-একনেক কমিটির সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন মেলে। প্রকল্পটি প্রি-একনেক কমিটির সভায় অনুমোদনের পর কিছু সংশোধনী দেয়া হয়। সংশোধনী শেষে সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে ফের ডিপিপি প্রেরণ করে সড়ক ও জনপথের খুলনা বিভাগ। কিন্তু এরপর প্রকল্পটি অনুমোদনের ব্যাপারে গড়িমসি চলে। ফলে আ’লীগে সরকারের আগের মেয়াদে ও বর্তমানেও জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় প্রকল্পটি স্থান পায়নি। এ অবস্থায় প্রতিদিন অসংখ্য রিকশা, ইজিবাইক ও ভ্যান চলাচলের ভীড়ে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।
নগরবাসী বলছে, প্রকল্পটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিগগিরই প্রকল্পটি অনুমোদন আর বাস্তবায়ন দরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে হলে স্বল্প সময়ে মানুষ যাতায়াত করতে পারবে, যানজট ও দুর্ঘটনা কমে আসবে এবং যাতায়ত ঝুঁকিমুক্ত হবে।
এ ব্যাপারে খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীরা বলেন, প্রকল্পের প্রস্তাব ইতোমধে মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। তবে একনেক কমিটির সভায় কখন উঠবে বা অনুমোদনের সম্ভাবনা আছে কিনা সে বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারছে না তারা।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ







উৎসব মুখর পরিবেশে আ’লীগের সম্মেলন

উৎসব মুখর পরিবেশে আ’লীগের সম্মেলন

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২৮




কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস আজ

কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস আজ

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২২



ব্রেকিং নিউজ







উৎসব মুখর পরিবেশে আ’লীগের সম্মেলন

উৎসব মুখর পরিবেশে আ’লীগের সম্মেলন

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২৮




কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস আজ

কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস আজ

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২২