খুলনা | মঙ্গলবার | ১৯ নভেম্বর ২০১৯ | ৫ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

বাগেরহাটের পুলিশ সুপারের কাছে গণস্বাক্ষরিত আবেদন

রামপালে সন্ত্রাসী তৈয়াব বাহিনীর কাছে কয়েকশ’ পরিবার জিম্মি : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক ও রামপাল প্রতিনিধি | প্রকাশিত ১৩ জুলাই, ২০১৯ ০০:৫৬:০০

রামপালে সন্ত্রাসী তৈয়াব বাহিনীর কাছে কয়েকশ’ পরিবার জিম্মি : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন


বাগেরহাটের রামপালে সন্ত্রাসী তৈয়াব বাহিনীর অত্যাচারে চার গ্রামের কয়েকশ’ পরিবার জিম্মি হয়ে পড়েছে। প্রতিকার চেয়ে ওই সব গ্রামের অর্ধশত ভুক্তভোগী প্রেসক্লাব রামপালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এদিকে গতকাল শুক্রবার এ সকল চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধের দাবি জানিয়ে কয়েকশ’ মানুষ বাগেরহাটের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন কেেরছন। 
গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার দেবীপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ শেখ। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তৈয়াব আলী একজন চিহ্নিত দাগী সন্ত্রাসী। তার দুই ভাই হাসান ও হোসেন পেশাদার সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী চাঁদাবাজ ও বনদস্যু। এদের বিরুদ্ধে বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন থানায় এক ডজনেরও বেশী অস্ত্র, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। সন্ত্রাসী তৈয়াবের ভাই হাসান আলী জেল খেটে কিছুদিন পূর্বে বের হয়ে ফের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড শুরু করেছে। অপর ভাই হোসেন আলী একটি অস্ত্র মামলায় সাজা ভোগ করছে। তৈয়াব ও তার স্ত্রী নাজমা বেগম এবং ভাই হাসানসহ কিছু সহযোগীদের নিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করাসহ ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। এদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষও। ওই সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান তৈয়াব আলী ও তার স্ত্রী রামপাল থানার ওসি শেখ লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধেও অসত্য অভিযোগ দিয়েছে। ওই সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা দেবীপুর, বামনডহর, রনজিৎপুর ও কদমদী গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দাকে জিম্মি করে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি ও পরিবারের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে ভয়ভীতি দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করেছে। এদের ভয়ে অনেকেই গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। বিভিন্ন সময় এরা গ্রামবাসীর নামে দুই ডজন মামলা ও অভিযোগ দিয়ে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। প্রতিকার চেয়ে গ্রামবাসী গণস্বাক্ষর করে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন। 
অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে অভিযুক্ত তৈয়াব আলী মুঠোফোনে বলেন, আমি জিআর-৬৫ নং মামলা প্রত্যাহার না করায় তারা ওই সব ষড়যন্ত্র করছে। তবে রামপাল থানার ওসি শেখ লুৎফর রহমান বলেন, তাদের বিরুদ্ধে অনেকগুলি মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। আমি শুনেছি গ্রামবাসী প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ দিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে চার গ্রামের অর্ধশতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। 
এ বিষয়ে র‌্যাব-৬’র স্পেশাল কোম্পানি কমান্ডার মেজর শামীম সরকার বলেন, রামপাল উপজেলার দেবীপুর এলাকার বেশ কিছু মানুষ একটি গ্র“পের হাতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারি রাখা হয়েছে। কোন সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ বা সাধারণ মানুষকে নির্যাতনকারী চক্রকে ছাড় দেয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানা তিনি। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ










জমজমাট খুলনা আয়কর মেলা 

জমজমাট খুলনা আয়কর মেলা 

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:৩৯


খুলনায় এলপি গ্যাসের দাম বাড়ছে

খুলনায় এলপি গ্যাসের দাম বাড়ছে

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০১:০০


ব্রেকিং নিউজ