খুলনা | সোমবার | ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৬ কার্তিক ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

নতুন চ্যাম্পিয়ন পাচ্ছে ক্রিকেট বিশ্ব

অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে ফাইনালে ইংল্যান্ড

ক্রীড়া প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১২ জুলাই, ২০১৯ ০০:০৯:০০

দীর্ঘ সাতাশ বছরের খরা কাটালো ইংল্যান্ড। ১৯৯২ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার পর মাঝে পাঁচটি বিশ্বকাপ পার হয়ে গেলেও ফাইনালের মুখ দেখেনি ইংল্যান্ড। অবশেষে ঘরের মাঠে এলো সেই কাক্সিক্ষত ফাইনাল। মঞ্চ তৈরি করেই রেখেছিলেন বোলাররা। বাকি কাজটা সারলেন ব্যাটসম্যানরা। সহজভাবে বললে জেসন রয়। ব্যস তৈরি হয়ে গেল ফাইনালের পথ! বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে আক্ষরিক অর্থেই উড়িয়ে ১৯৯২ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ড। এজবাস্টনের সেমিফাইনালে ইংলিশদের জয়টা ৮ উইকেটের। এ নিয়ে বিশ্বকাপে চতুর্থবার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। এর আগে ১৯৭৯, ১৯৮৭ ও ১৯৯২ সালে ফাইনালে উঠেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল ইংলিশদের। আগামী ১৪ জুলাই লর্ডসে ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। বুধবার ভারতকে হারিয়ে কিউইরা টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে। তাই এবারের বিশ্বকাপে যে নতুন চ্যাম্পিয়ন দেখছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
এজবাস্টনের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার মামুলি ২২৩ রানের তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জ্যাসন রয় ও জনি বেয়ারস্টোর মারকুটো ব্যাটিংয়েই মূলতঃ এই ম্যাচের সমাধান পেয়ে যায় ইংল্যান্ড। ওপেনিং জুটিতে তারা তোলে ১২৪ রান। তাও আবার মাত্র ১৭.২ ওভারে। ৪৩ বলে ৩৪ রান করে বেয়ারস্টো আউট হন। অন্যপ্রান্তে জ্যাসন রয়ের ব্যাটে তখন ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ের সুর। মাত্র ৬৫ বলে ৮৫ রানে হাসলো তার ব্যাট। ৯ বাউন্ডারি ও ৫ ছক্কায় সাজানো জ্যাসন রয়ের এই ব্যাটিংই অস্ট্রেলিয়ার বোলিং বিভাগকে উড়িয়ে দিলো। যেভাবে খেলছিলেন জ্যাসন রয় তাতে নিজের অভিষেক বিশ্বকাপে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু আম্পায়ার কুমার ধর্মাসেনা চরম ভুল সিদ্ধান্ত দিয়ে তাকে আউট ঘোষণা করলেন। বল তার ব্যাটেই লাগেনি। অথচ ধর্মসেনা জানালেন তিনি ক্যাচ আউট। আম্পায়ারকে শাপ-শাপান্ত করতে করতে মাঠ ছাড়লেন জ্যাসন রয়, সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১৫ রান দূরত্বে তখন তিনি। ২০ ওভারে ১৪৭ রানে ২ উইকেট হারানো ইংল্যান্ডকে জয়ের পথ দেখান অধিনায়ক ইয়ূন মরগান ও জো রুট।
এর আগে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। দলীয় ১৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ের কবলে পড়েছিল তারা। তবে তৃতীয় উইকেট জুটির দৃঢ়তায় কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও পারেনি। দলীয় চার রানে অ্যারন ফিঞ্চকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু এই আঘাত সামলাতে না সামলাতেই আবারও ইংল্যান্ডের আঘাত। দলীয় ১০ রানে ক্রিস ওকসের শিকারে পরিণত হন অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম ভরসা ডেভিড ওয়ার্নার। এরপর ১৪ রানে পিটার হ্যান্ডসকম্বকে সাজঘরে ফেরান তিনি। এর পরই স্টিভেন স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারের ব্যাটিংয়ে ভর করে কিছুটা চেষ্টা করেছিল। দু’জনে ১০৩ রানের জুটিও গড়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিচের সারির ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় বড় কোনো সংগ্রহ গড়তে পারেনি তারা। স্মিথ ৮৫ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলেন। আর অ্যালেক্স ক্যারে ৪৬ ও স্টার্ক ৪৯ রান করেন। ওকস ২০ ও আদিল রশিদ ৫৪ রানে তিনটি করে উইকেট নেন। আর আর্চার ৩২ রানে দুই উইকেট পান।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ




শ্রীলঙ্কায় গেলো নারী ইমার্জিং দল

শ্রীলঙ্কায় গেলো নারী ইমার্জিং দল

২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:২০










ব্রেকিং নিউজ