খুলনা | বুধবার | ১৭ জুলাই ২০১৯ | ২ শ্রাবণ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

চার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ

এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১১ জুলাই, ২০১৯ ০০:৪৪:০০


ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফারমার্স ব্যাংক থেকে চার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধ মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বুধবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকায় মামলাটি করা হয়। দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এস কে সিনহা ছাড়া এ মামলার বাকি আসামিরা হলেন ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মোঃ শাহজাহান, নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তাঁর স্ত্রী সান্ত্রী রায়।
এর আগে এস কে সিনহার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে দুদক। ফারমার্স ব্যাংক (নাম পরিবর্তিত হয়ে বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) থেকে সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার এ্যাকাউন্টে চার কোটি টাকা জমা হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করতে ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে এম শামীমসহ ছয় কর্মকর্তাকে তলব করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের পাঠানো নোটিশে গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ওই কর্মকর্তাদের দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির থাকতে বলা হয়েছিল। দীর্ঘদিন এস কে সিনহার ভাই অনন্ত কুমার সিনহার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালিয়ে আসছে দুদক।
দুদকের এক অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে বলা হয়, ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে চার কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করে ওই টাকা ‘রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ’ এক ব্যক্তির নামে হস্তান্তর দেখিয়ে আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিং করা হয়েছে। ২০১৬ সালে ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে দুই কোটি টাকা করে মোট চার কোটি টাকা শাহজাহান ও নিরঞ্জন নামের দুই ব্যক্তি ঋণ নেন। এরপর একই বছরের ১৬ নভেম্বর সেই অর্থ পে-অর্ডারের মাধ্যমে এস কে সিনহার ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করেন।
অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে বলা হয়, ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে চার কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করে ওই টাকা ‘রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ’ এক ব্যক্তির নামে হস্তান্তর দেখিয়ে আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিং করা হয়েছে।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ





এইচএসসি’র ফল  প্রকাশ আজ

এইচএসসি’র ফল  প্রকাশ আজ

১৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:৪২









ব্রেকিং নিউজ