খুলনা | সোমবার | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৮ আশ্বিন ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

শিগগিরই প্রস্তাব যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে

বয়রা আবাসিকের লেক ঘিরে আধুনিক দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ৩০ জুন, ২০১৯ ০০:৪৫:০০

বয়রা আবাসিকের লেক ঘিরে আধুনিক দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের


নগরীর বয়রা আবাসিক প্রকল্পের লেকটি ঘিরে আধুনিক দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। উদ্যোগটি বাস্তবায়নে আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরে গোড়ার দিকে একটি প্রকল্প প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।  সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পার্কটি নির্মিত হলে নগরীর মানুষের বিনোদনের নতুন একটি ক্ষেত্র তৈরি হবে।
জানা গেছে, কালের বর্তমানে নগরীর গোয়ালখালির বাস্তুহারা এলাকার আশপাশ দিয়ে গড়ে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র বিশেষায়িত শেখ আবু নাসের হাসপাতাল, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর সেক্টর সদর দপ্তর, নৌ-বাহিনী ঘাঁটি (বানৌজা তিতুমীর), বিএনএন স্কুল এন্ড কলেজ, এ্যাংকরেজ স্কুল, নৌ-বাহিনী ভর্তি কেন্দ্র, নাবিক কলোনী, পুলিশ লাইন, মুজগুন্নী শিশু পার্ক, ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রায়েলমহল (অনার্স) কলেজ, নগরস্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ সরকারি-বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নগরীর বাইরে সহজ যাতায়াতের জন্য নির্মিত হয়েছে শেখ আবু নাসের হাসপাতাল বাইপাস লিংক রোড। ঠিক এই রোডের বাস্তুহারা মোড়ে ৮ একর জমির প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে গৃহসংস্থান বিভাগ এর লে-আউট প্লানে চিহ্নিত বয়রা আবাসিক প্রকল্পের লেক। বর্তমান ওই লেকটির চুতুর পাশে গড়ে উঠেছে ছোট বড় ও উঁচু উঁচু দালাল-কোটা ও আবাসিক প্রকল্প। কিন্তু এ আবাসিক এলাকায় বসবাসকারী বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠী বিনোদনের কোন সুযোগ না থাকায় জনস্বার্থে খুলনা সিটি কর্পোরেশন  মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করে লেকের দুই পাশে রিটেইনিং ওয়াল, ঘাটলা, বসার জন্য সেড ইত্যাদি নির্মাণ করে। এখন বিনোদন নিতে সারাদিন ব্যাপক মানুষের সমাগম ঘটছে ওই লেকে। বিশেষ করে সকাল-বিকেল থেকে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত শত শত মানুষ ওখানে ভীড় জমাচ্ছে। লেকের প্রাকৃতিক ওই সৌন্দর্য উপভোগ করতে অনেকে সপরিবারেও আসছেন। তবে ভালো কোন আলোর ব্যবস্থা না থাকায় লেকে আসা দর্শণার্থীরা সন্ধ্যা বা রাতে সৌন্দর্য উপভোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কানায় কানায় পূর্র্ণ পানি দক্ষিণা বাতাসে ঢেউ খেলছে। পূর্বে পাশে সারিবদ্ধভাবে বসানো সেডে বসে বিভিন্ন বয়সী মানুষ আপন মনে ওই দৃশ্য উপভোগ করছে। অনেকে বাদাম ও মুড়ি মাখা খেতে খেতে গল্প করছেন। কেউ কেউ পাশের ঘাটলায় বসে পানিতে শরীর ভেজাচ্ছেন। লেকে আসা দর্শণার্থী আব্দুল হাই বলেন, বাস্তুহারায় এখন ঘন জনগোষ্ঠীর বসতি এলাকা। বিশেষ করে বিত্তশালী লোকজন বেশি করে বাসভবন গড়ে তুলছে। এছাড়া নানা সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। কিন্তু এ এলাকায় বসবাসকারী ও বাইরে থেকে আসা মানুষের বিনোদনের সুযোগ নেই। বিনোদনের সকলকে যেতে হয় দূর-দূরান্তে। তাই সিটি কর্পোরেশন লেকের একপাশে বিনোদনের সামান্য সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করায় মানুষ নিঃশ্বাস ফেলতে হুমড়ী খেয়ে পড়ছে। অন্য আরেক দর্শাণার্থী ওসমান খান বলেন, লেকটি ঘিরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপকের পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত। নগরীর শহিদ হাদিস পার্কের আদোলে লেকের চতুরপাশে ওয়াকওয়ে, ডেক ও ফুয়ারাসহ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করলে জনাসাধারণের বিনোদনের খোরাক মেটাবে। গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, বয়রা আবাসিক প্রকল্পের লেকটি গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সম্পদ। বিনোদনের সুবিধার্থে এ লেকটি ঘিরে আধুনিকমানের দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরে গোড়ার দিকে পার্ক নির্মাণে প্রকল্প প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, পার্কটি নির্মিত হলে নগরীর মানুষের বিনোদনের নতুন একটি ক্ষেত্র তৈরি হবে।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ











কয়রায় সাবেক ইউপি মেম্বরকে কুপিয়ে জখম

কয়রায় সাবেক ইউপি মেম্বরকে কুপিয়ে জখম

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:৪৬



ব্রেকিং নিউজ











কয়রায় সাবেক ইউপি মেম্বরকে কুপিয়ে জখম

কয়রায় সাবেক ইউপি মেম্বরকে কুপিয়ে জখম

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:৪৬