খুলনা | শুক্রবার | ২২ নভেম্বর ২০১৯ | ৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ |

উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি সংকট  নিরসরে জরুরি উদ্যোগ নিন  

৩০ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০

উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি সংকট  নিরসরে জরুরি উদ্যোগ নিন  

সরকারি-বেসরকারি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির নীতিমালা অনুসারে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির  আবেদন প্রক্রিয়া ১২ মে থেকে শুরু হয়ে ২৩ মে পর্যন্ত ধার্য ছিল। আবেদন প্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিতদের তালিকা বা ফলাফল ১০ জুন প্রকাশ করা হয়। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ক্লাস শুরু হবে ১ জুলাই থেকে। বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি করা হয়। গতবারের মত এবারো এসএমএস এর পাশাপাশি অনলাইনেও আবেদন করে প্রার্থী সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের জন্য আবেদন করার নিয়ম ছিল। কিন্তু অনলাইনে ভর্তি সংক্রান্ত নিয়ম না জানার খেসারত দিতে হচ্ছে যশোর শিক্ষা বোর্ডের প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থীকে। ফলে তারা একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হতে পারছে না। বিষয়টি উদ্বেগজনক।
যশোর বোর্ডে মোট ১ লাখ ৮২ হাজার ৩১০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮৮ জন। পাসের হার ৯০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। যার মধ্যে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য আবেদন করে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৫শ’ ৫২ জন। এ আবেদনের প্রেক্ষিতে ১ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষার্থী কলেজ ভর্তি হবার সুযোগ পেয়েছে। তিনটি ক্যাটাগরিতে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি শুরু হয়। প্রথম ধাপে আবেদন করার পর কলেজ পছন্দ না হলে ২য় বা ৩য় বার পর্যন্ত মাইগ্রেশনের মাধ্যমে আবেদন করার নিয়ম ছিল। কিন্তু এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বোর্ডের প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হতে পারছে না। অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে কলেজ নিশ্চয়ন, নিশ্চয়নের টাকা জমা না দেয়া, আবেদনে ভুল থাকাসহ নানা জটিলতায় এ সব শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ বঞ্চিত হচ্ছে। আর সন্তানকে কলেজে ভর্তি করাতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা। অনলাইনে আবেদন করেও নিজের পছন্দ মতো ভালো কলেজ না পাওয়ায় ভর্তি হইনি অনেকে। অন্যদিকে, অনেক শিক্ষার্থী অনলাইন সম্পর্কে বুঝতে না পেরে আবেদন না করেই ভর্তি হতে গিয়ে ফিরে এসেছে। আবার অনলাইনে আবেদনের পরেও অপেক্ষমান তালিকাধারীরা কোনো নির্দেশনা না পেয়ে ভর্তি হতে পারেনি। এমনও নানা জটিলতায় প্রতিদিনই যশোর শিক্ষাবোর্ডে ধর্না দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। 
তিন ধাপে আবেদন করার সময় পেয়েও কলেজে ভর্তি না হওয়াটা শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা। মাইগ্রেশন, কলেজ নিশ্চয়ন, আবেদনে ক্রটি বা নিশ্চয়নের টাকা না পাঠানোর কারণে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হতে পারছে না। যা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। আমরা মনে করি, কলেজে সিট খালি থাকা সাপেক্ষ  মন্ত্রণালয়ের বিশেষ  সুযোগ দানে তাদের পুনরায় আবেদনের মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ প্রদানে কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া হোক। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ








বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আজ

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আজ

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০


ঘূর্ণিঝড়ে ঢাল হলো সুন্দরবন

ঘূর্ণিঝড়ে ঢাল হলো সুন্দরবন

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০




ব্রেকিং নিউজ