খুলনা | সোমবার | ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৬ কার্তিক ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১২৪ কোটি টাকার তিন প্রকল্পের অনুমোদন বাতিল

এন আই রকি | প্রকাশিত ১৯ জুন, ২০১৯ ০১:২৫:০০

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনা বিভাগের অন্তর্গত ১২৪ কোটি টাকার তিনটি প্রকল্পের অনুমোদন মেলেনি। প্রকল্পগুলো অনুমোদনের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পাঠানো হলেও সম্প্রতি তিনটি প্রকল্পই ফেরত এসেছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে খুলনার সংসদ সদস্যের সুপারিশকৃত প্রকল্পও ছিল। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রকল্পগুলো অনেক ছোট হওয়ায় অনুমোদন হয়নি। আগামীতে বড় বাজেটের ডিপিপি তৈরি করা হলে সেখানে এই প্রকল্পগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে। 
অনুমোদন না হওয়া প্রকল্পগুলো হল ক্রিসেন্ট জুট মিল ও তৎসংলগ্ন এলাকার ভেড়িবাঁধ নির্মাণ ও প্রতিরক্ষার কাজের জন্য ৩৪ কোটি টাকার প্রকল্প, খুলনা জেলার বারাকপুর দিঘলিয়া প্রকল্পের অধিনে চন্দনীমহল আশ্রায়ন প্রকল্প রক্ষায় ভৈরব ও আতাই নদীর তীর সংরক্ষণের জন্য ৪০ কোটি ৭৩ লাখ টাকার প্রকল্প এবং আতাই ও রূপসা নদীর বামতীর ভাঙন হতে শোলপুর-যুগিহাটি এবং পার হাজিগ্রাম রক্ষার কল্পে নদী তীর সংরক্ষণ কাজ এবং পুঁটিমারী বিলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ৪৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকার প্রকল্প। 
জানা যায়, দীর্ঘদিন সরেজমিনে যাচাই-বাছাই শেষে ১২৪ কোটি টাকার প্রকল্পগুলো গত বছর অনুমোদনের জন্য ডিপিপিতে পাঠানো হয়। কিন্তু ডাইরেক্টর জেনারেলের নির্দেশে গত ডিসেম্বর নাগাদ সবগুলো প্রকল্প বাতিল হয়ে যায়। কারণ হিসেবে জানা যায়, প্রকল্পগুলো কম বাজেটের হওয়ার কারণেই অনুমোদন হয়নি। যার ফলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরবর্তীতে খুলনা বিভাগের উন্নয়নের জন্য বড় বাজেটের প্রকল্প তৈরি করার পরামর্শ দিয়েছে। খুব দ্রুত ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশনা মোতাবেক সহস্রাধিক কোটি টাকারও বেশি বাজেটের প্রকল্প তৈরি করে ডিপিপিতে পাঠানো হবে। যার মধ্যে অনুমোদন না হওয়া তিনটি প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়া ডুমুরিয়ার চাঁদঘর নদী ভাঙন, দৌলতপুর বাজার, চরের হাট বিএনএস উত্তর পাশে, বটিয়াঘাটা বারো আড়িয়া ভাঙনসহ রিভার নেটওয়ার্ক উন্নয়নসহ নবগঙ্গা ও চিত্র নদীর সাথে কানেক্টিভ হওয়া ভৈরব নদীর দু’পাশে উন্নয়নমূলক কাজ হবে। 
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, চলতি বছরের শুরুতেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে বড় বাজেটের প্রকল্প তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। যা প্রায় শেষের দিকেই। আগামী জুলাই মাসের মধ্যে অনুমোদন না হওয়ায় প্রকল্পগুলোসহ বড় বাজেটের প্রকল্প ডিপিপিতে পাঠানো হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী-১ মোঃ শরীফুল ইসলাম বলেন, এখন থেকে ছোট বাজেটের কোন প্রকল্প অনুমোদন না হওয়ার সম্ভবনাই বেশি। তাই সম্প্রতি এ অঞ্চলের ৩টি প্রকল্প অনুমোদন হয়নি। তবে ভাল সংবাদ হচ্ছে একটি প্রকল্পের মধ্যে অনুমোদন না হওয়া তিনটি প্রকল্পসহ আরও অনেক উন্নয়নমূলক কাজ সংযুক্ত হচ্ছে। যা সহস্রাধিক কোটি টাকার বেশি। খুব দ্রুতই প্রকল্পটি ডিপিপিতে পাঠানো হবে।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ