খুলনা | সোমবার | ১৯ অগাস্ট ২০১৯ | ৪ ভাদ্র ১৪২৬ |

শিরোনাম :
মোংলায় সাংগঠনিক তদন্তে এসে অভিযুক্তের সাথে ভ্রমণ ও ভুরিভোজ কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতারডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৩ হাজার, চিকিৎসা শেষে ফিরেছে ৪৫ হাজারবেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষার্থী শিঞ্জন একদিনের রিমান্ডে অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বাড়ছে নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন, চলছে বাছবিচারহীন গ্রেফতারখুলনায় প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গাড়ি ও ড্রাইভারের সুবিধা গ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ!ফের নগরীর বেসরকারি বিশ্বদ্যিালয়ের বিবিএ’র ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগঈদযাত্রায় সড়কে গেছে ২২৪ প্রাণস্ত্রী পরিচয়ে কুয়াকাটাসহ নগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে ওই ছাত্রীকে রেখেছিলো ‘শিঞ্জন রায়’

Shomoyer Khobor

আমার কাছে সব রেকর্ড আছে : ডিআইজি মিজান

ঘুষ লেনদেনের কথোপকথনে ব্যবহৃত কণ্ঠ সম্পূর্ণ বানোয়াট : বাসির

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১২ জুন, ২০১৯ ০০:৩৭:০০

ঘুষ লেনদেনের কথোপকথনে ব্যবহৃত কণ্ঠ নিজের নয় বলে দাবি করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির। তিনি বলেছেন, ‘এটি সম্পূর্ণ বানোয়াট।’ গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এনামুল বাসির এ দাবি করেন। ডিআইজি মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে এনামুল বাসির বলেন, ‘এটিও বানোয়াট অভিযোগ। কেউ পারলে প্রমাণ করে দেখাক।’
এর আগে সকালে একটি গণমাধ্যমের কাছে এনামুল বাসির দাবি করেন, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে দুপুরে তাঁকে (এনামুল বাসির) আবারও প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি তদন্তাধীন। এখনই কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’
অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট বললেও অভিযোগকারী ডিআইজি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তার কাছে সব রেকর্ড আছে। কমিশন থেকে ডাকা হলে তিনি তা উপস্থাপন করবেন। মঙ্গলবার দুপুরে বেইলি রোডের বাসায় সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত ডিআইজি মিজানুর রহমান।
ডিআইজি মিজানুর রহমান বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন কমিটি করে অডিওটির সত্যতা যাচাই করুক, সংশ্লি¬ষ্ট কমিশনে পাঠাক। এই ভোকালটা উনার (এনামুল বাছিরের) কিনা দেখুক। তাহলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।’ অডিও ফাঁসের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নিজেকে সেভ করার জন্য এটা করেছি। আমার কাছে সব রেকর্ড আছে। আমাকে যখন ডাকবে তখন সব দেখাবো।’
কেন তিনি ঘুষ দিয়েছেন, এই প্রশ্নের উত্তরে মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিভিন্ন ভাবে আমাকে প্রেশার ক্রিয়েট করে। বার বার দেখা করতে চায়। আমি দেখা করলাম। যখন দেখলাম যে এই লোকটা নিজেই দুর্নীতিবাজ, তখন সেটা তো প্রমাণ করতে হবে। আমি এই বিষয়টাই প্রমাণ করেছি। আমি ব্যাংক থেকে টাকা উঠিয়েছি। আমার স্বজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি তার সব তথ্য আছে। আমি যথাসময়ে অনুসন্ধান কমিটিকে প্রমাণ দেবো।’
এক নারীকে জোর করে বিয়ের পর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ওঠায় গত বছরের জানুয়ারিতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মিজানকে। এর চার মাস পর তার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক; এক হাত ঘুরে সেই অনুসন্ধানের দায়িত্ব পান এনামুল বাছির। অনুসন্ধানকালে তিনি কয়েক দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ডিআইজি মিজানুর রহমান। তিনি একটি অডিও ফাঁস করেন। যেখানে ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছিরের কথোপকথন রয়েছে। এ অভিযোগের পর কমিশন থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশে এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে আলাদা তদন্ত হবে বলে রবিবার (১০ জুন) সাংবাদিকদের জানান দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

সম্মানী না মিললে সভায় আগ্রহ নেই

সম্মানী না মিললে সভায় আগ্রহ নেই

১৯ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:৫০



ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

১৯ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:৪৫










ব্রেকিং নিউজ