খুলনা | বুধবার | ২১ অগাস্ট ২০১৯ | ৬ ভাদ্র ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

ঘুণপোকা

মাসুম বিল্লাহ | প্রকাশিত ০৪ জুন, ২০১৯ ০০:১০:০০

ঘুণপোকা

আকাশ ময়লাটে। আকাশের চেহারা দেখে মেজারটা তিরতিরিয়ে ওঠে। আদালতে মামলা করার সুযোগ থাকলে দিতাম একখানা মামলা ঠুকে! আমাদের উত্তরপাড়ার গোঁসাই নন্দ কাকার মতো। আড়ালে-আবডালে গ্রামশুদ্ধ তাকে মামলাবাজ বলে চিনত, জানত। মানুষটা অনেক দিন আগে উপরে চলে গেছেন। আকাশটা এখন গো-ধরে বসে আছে, ঝমঝম নাহয় টুপটুপ করে নামার কোনো আলামত দেখা যাচ্ছে না। অথচ মানুষের মতো আকাশের শরীরও ঘামে ভেজা, দরদর করে ঘামছে। ঘাম মাটিতে পড়ার আগে শুকিয়ে যাচ্ছে বলে আমরা দেখতে পাচ্ছি না। ভ্যাঁপসা গরমে গায়ের হাওয়াই শার্ট ভিজে পিঠের সঙ্গে লেপ্টে আছে। শরীরের ভেতর রি রি করে ওঠে। তার উপর সিঁড়ি ভাঙতে হয়েছে, হাঁটু এখন ভেঙে পড়তে চাইছে। মার্কেটের টপ ফ্লোরে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানপাট। কেন বাবারা এত উপরে না-দিয়ে নিচের দিকে দোকানগুলো রাখলে খুব বেশি ক্ষতি হতো? এ দোকানটার নামটাও অদ্ভুত, ‘মোবাইল হসপিটাল’। ভেতর থেকে হাসি পেলেও মানুষের কেমন উদ্ভট অথচ ইউনিক আইডিয়া দেখ! নামটা মনে ধরেছে। কিন্তু এত সময় অপারেশন থিয়েটারের সামনে উৎকণ্ঠা নিয়ে বসে থাকা চাট্টিখানি কথা নয়, না-জানি মোবাইলখানা বাঁচে কী মরে! দোকানের হাত চারেক দূরে প্লাস্টিকের একটা টুলে সেই কখন থেকে বসে আছি। টুলের একটা পা নড়বড়ে, কখন ভেঙে কাত হয়ে পড়ে! মাথার ওপর একটা সিলিং ফ্যান ঘুরছে, কিন্তু বাতাস গায়ে লাগে না। ঘুরতে হয় বলে ঘুরছে দিন-রাত। আমার মায়া লাগল। ইচ্ছে করছে উঠে গিয়ে সুইচটা অফ করে দিই। সুইচ কোথায় আছে জানি না, চোখেও পড়ছে না। অপেক্ষা করতে করতে বিরক্তি এসে গেছে। লোকে ভাববে, বুড়োদের একটুতেই মেজাজ চড়ে, চুপ করে একদণ্ড বসে থাকতে পারে না। একটু আগেই একবার দোকানের ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করে এসেছি, আর কতক্ষণ লাগবে রে বাবা? বলেছে, বেশি সময় লাগবে না আংকেল। আপনি ফ্যানের নিচে বসে বাতাস খেতে থাকুন, কাজটা ওকে হলে আপনাকে ডাক দিবো। এদিকে আমার পা, কোমর ধরে এল। আর একবার গিয়ে তাড়া দিবো নাকি? গিয়ে সম্মানের সুরে বলবো, ও ডাক্তার, আমার মোবাইলের হার্টে কয়টা সেলাই দিচ্ছো? বিকেল ধরিয়ে দিলে যে! নাকি আইসিইউতে নেওয়ার ফন্দি এঁটেছো? তা বাবা আগেই বলে নিচ্ছি, ওটি হবে না, এতে করে আমার বুড়ো মোবাইল বাঁচুক, কী মরুক!...তাছাড়া আমিই আর কয় দিন, উপরঅলা ডেকে নিল বলে। দু’জনের একজন আগে, আরেকজন পরে; একসঙ্গে তো আর আত্মহত্যা করতে পারি নে, বাপু!... খানিক বাদে আমার ডাক পড়ল। ‘চাচা, আপনের মোবাইল ঠিক হয়ে গেছে’। অ মাবুদ, শুকরিয়া, শুকরিয়া...। ও মা, বা পা তুলতে পারছি না, ঝিঝি ধরার আর সময় পেল না। হাতের একটা আঙুল কামড়ে ধরলাম মিনিট সময়। এতে নাকি ঝিঝি লাগা কমে। পা টেনে নিয়ে এগোই...। দোকানের সামনে দাঁড়াতেই এক ভদ্রলোক এসে আমার গা ঘেঁষে দাঁড়াল। তারপর দোকানের ছেলেটিকে বলল, এই যে বাবু, দেখ তো আমার মোবাইলের কী অসুখ! আমার কথা বউ শোনে না, কিন্তু আমি ঠিকই শুনি। ভদ্রলোকের কথায় শব্দহীন গোপন হাসি হাসলাম। পৃথিবীতে এমন কোনো স্বামী নেই যে তার বউয়ের কথা শোনে না। থাকলেও তা কোনো বিরল প্রজাতির অদ্ভুত প্রাণি! মনে মনে বলি, ভায়া, আপনার মোবাইলের কঠিন অসুখ। কঠিন চিকিৎসা দরকার, সহজে কথা শুনবে না। দেখেন, ডাক্তার কী ওষুধ দেয়! আমার মোবাইলের অবশ্য অন্যঅসুখ, ডিসপ্লে সাদা হয়ে গেছে, কে কল দিয়েছে নাÑদেখেই বলিঃ কে? বিথী? আমার কী দোষ-ফোন যা দেওয়ার তা ওই বিথীই একটু দেয় আমাকে ‘এই শুনছো, আসার সময় কাঁচামরিচ এনো’, কোনোদিন হয়ত ‘বেটালক, থাইরক্স শেষ’ আনতে বলল। এই পর্যন্ত ফোনের ব্যবহার। আমার আর কাউকে ফোন করার নেই। পাশের ভদ্রলোক এবার আমার গায়ের ওপর ঠেস দাঁড়াতেই ঘুরে তাকাই। চমকে উঠি, নৃপেন। এ যে আমাদের নৃপেন হালদার। রসমাখা স্বরে বলি, এই যে মশাই, একটু সরে দাঁড়ান। আমি কোনো মেয়ে মানুষ নই। নৃপেন আমাকে জড়িয়ে ধরল। বলে, ওরে হাদারাম, তুই কী ভেবেছিস তোকে চিনতে পারিনি? প্রথম দেখেই চিনেছি। বল তো, কতদিন পর আমাদের দেখা? আমি মনে করার ভঙ্গিতে বলি, উনিশ বছর। তুই ওকালতিতে পড়লি। আর আমি বাবার ব্যবসায় থিতু হলাম। নৃপেন বলল, চল, বসি... 
-হুম, চল...। একটু আগের বিরক্তি উবে গিয়ে এখন সেখানে ভালোলাগা ঘিরে ধরল। পুরনো দুই বন্ধু মুখোমুখি বসলাম, প্লাস্টিকের ভাঙা টুলে। একদিন ভাঙা টুল পাল্টে নতুন টুল আসবে, কিন্তু বন্ধুত্ব কখনো হারায় না, ফিরে ফিরে আসে। আলমারীতে ভাঁজ করে রাখা কাপড়ের মতো, অনেকদিন পরও চেনা শরীরের গন্ধটা নাকে এসে লাগে, গন্ধটা, কাপড়কে বড্ড আপন মনে হয়। নৃপেন আমার উরুতে চাপ দিয়ে বলল, কী রে, কী চিন্তা করছিসÑ বউদির কথা? বুড়ো বয়সেও প্রেমটেম কমেনি! এখনো কাঁপাচ্ছিস নাকি, শালা? নৃপেন হাসছে। 
ওর কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম। পকেট থেকে টিস্যু বের করে দিই। বলি, নে, ঘাম মুছে ফেল। 
-কথা পাশ কাটাচ্ছিস? 
-তা কেন? 
-তাহলে বল! নৃপেনের মুখে চোরা হাসি এখনো। 
-প্রেমের ধরণ, রূপ তো পাল্টাবে, কিন্তু মরে না কখনো! 
-ও রে দার্শনিক! ঘটনা আড়াল করছিস। 
-বুঝেছি, তুই যা শুনতে চাইছিস তা না—শুনে ছাড়বি না ত! আচ্ছা বলছি, শোন, তোর বউদি মানে বিথীকে বলেছি, তুমি বুড়ি হলেও তোমাকে প্রথম দিনের মতো ভালোবাসব। তোমার খসখসে গালে চুমু খাবো, তোমার কপালে ছোট্ট কালো টিপ পড়িয়ে দিতে ভুলে যাব না, তোমার গালের ছোট্ট তিলটার মায়ায় কাটিয়ে দেবো সংসারসীমান্ত... 
‘এই থাম’ নৃপেন উচ্চকণ্ঠে বলে। তুই আবার ‘কবি’ হলি কবে? বইটই বের করেছিস নাকি? 
নৃপেন এমনই। আশ্বস্থ করে বললাম, মনের কথা বলতে কবি হতে হয় না। প্রসঙ্গ পাল্টাতে বলি, তোর কথা বল, ওকালতি করে তো হেব্বি মাল্লু কামাচ্ছিস? 
‘কী বললি?’ নৃপেন চিৎকার করে উঠল। আবার দ্রুত স্বর নামিয়েও আনে, বলে, তোদের এই এক দোষ, সবাইকে এক গোয়ালে এনে তুলিস! 
-স্যরি, বন্ধু সরি। 
-রাখ তোর স্যরি, এখন তো সব ফকিরটকিরের জাত ওকালতিতে ঢুকছে, মনে করে, চার হাত-পায়ে টাকা ধরবে আর পকেটে ঢুকাবে! তারপর ধর মুচির ছেলে যতোই উকিল হোক, একদিন না একদিন রক্ত নেচে উঠবে... কড়া রোদ }} ৪ পাতার ৩ কলাম 
দেখে বলে উঠে-‘চামড়া শুকানো রোদ উঠেছে’! অথচ আগে জমিদারের ছেলেরা এই পেশায় আসত, দেখা যেত সারাজীবনেও ওকালতি করে এক পয়সাও পকেটে পুরতে পারল না। 
আমি মাথা নেড়ে সম্মতি জানাই। বুঝতে পারছি চারপাশের অনিয়মে ও ক্ষেপে আছে, জানতে চাইলাম, হ্যাঁ রে নৃপেন, তুই কেসটেস জিতিস নাকি হারিস? 
চড়াস্বরে নৃপেন বলল, এই নৃপেন হারে না, শুধু জেতে...। একটু থেমে চোখে-মুখে মেঘ জমিয়ে বলে, জীবনের প্রথম কেসটায় ধরা খেয়েছিলাম রে.. আসামিকে কোর্টে স্যারেন্ডার করাই, ভেবেছি জজ জামিন দেবেন, কিন্তু জেলে ঢুকিয়ে দিল! আমার মন খারাপ দেখে সিনিয়র সবাই বললেন, আমরা আনলেও একই রেজাল্ট হতো, আসামিদেরকে জেলে যেতেই হতো। এরপর থেকে সব কেসই জিতি আমি...প্রথম যে কেসটা জিতি...
বুঝতে পারছি, নৃপেনকে এখন ওর সফলতার গল্প বলার নেশা ধরেছে, কেউ তার পরাজয় দেখতে ভালোবাসে না, কারোর মুখেও পরাজয়ের কথা শুনতে পছন্দ করে না, ফলে সে অনেকভাবে চেষ্টা করে তার জয়ীগল্পগুলো বলার। আমারও নৃপেনের জিতে আসা কেসহিস্ট্রি শুনতে ইচ্ছে করছে, কারণ, এভাবে সরাসরি কোনো উকিলের মুখে শোনার সুযোগ আগে হয়নি। সিনেমা, নাটকে, গল্পের বইয়ে যা পড়ার, যা দেখার দেখেছি। আমি নৃপেনের দিকে পূর্ণ মনোযোগী শ্রোতার মতো তাকিয়ে বলি, বল, শুনতে চাই, এসব ক্রাইমস্টোরির প্রতি আমার আলাদা ঝোঁক। 
নৃপেন শুরু করে : গ্রামের কেস বুঝলি, যুবক-যুবতীর প্রেম কেস। প্রেমের মাঝখানে শরীর জেগে ওঠে, এরপর মেয়েটার পেট জাগল, মানে পেটে বাচ্চা চলে আসে, তারপর পেটে চার মাসের বাচ্চাসহ আত্মহত্যা করে মেয়েটা। প্রতারনা ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়।
আসামী করা হয় প্রেমিকসহ আরো সাতজনের নামে। আদালতে মেয়েটির চাচাকে প্রশ্ন করলাম, ঘটনা খুলে বলুন...
আদালতে মেয়েটির চাচা বলল, হুজুর, ওদের প্রেমের কথা, পেটের বাচ্চার কথা জানাজানি হলে, আমাগে মেয়ে লোকলজ্জার ভয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়...।
‘বুঝতে পারছিস কিছু?’ নৃপেন আমাকে প্রশ্ন করল।
মাথা নেড়ে ‘না’ বললাম।
আরে সহজ ব্যাপারটা বুঝলি না! মেয়ের চাচার এক কথায় তো আসামিরে খালাস করে আনি। 
-কোন কথা? প্রশ্ন করলাম আমি। 
-মেয়েটির চাচা আলাদতে দাঁড়িয়ে বলেছে
-লোকলজ্জার ভয়ে আত্মহত্যা করেছে... এই কথায়...হা হা। নৃপেন বিজয়ীভঙ্গিতে হেসে উঠল। তারপর আরেকটা কেসস্টোরি বলার জন্য আমার মনোযোগ টানল। 
আগ্রহ নিয়ে বললাম, বল, আমি শুনছি...। কিন্তু আমার মাথার ভেতর ঘুণপোকার কুটকুট শুরু হয়েছে...প্রেমিকের কোনো শাস্তিই হলো না! 
নৃপেনের নতুন আরেকটা কেসস্টোরি শোনার প্রস্তুতি নিই।
নৃপেন বলতে শুরু করে, কেসের কথা তোকে বলছি, শোন, স্ত্রীর লাশ পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় পাওয়া গেছে। আমি আদালতে প্রমাণ করে দিলাম, আসামী নির্দোষ। যেদিন স্ত্রী মারা যায়, সেদিন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো ঝগড়াবিবাদ হয়নি। স্বামী ব্যবসার কাজে গ্রামের বাজারে গিয়েছিল। এদিকে স্ত্রী গর্ভবতী। বালতি নিয়ে পুকুরে পানি আনতে গিয়েছিল। অনেক চিন্তা করলাম। স্বামীর কাছে জানতে চাইলাম, পুকুরে নামার ব্যবস্থা কী? স্বামী বলে, নারিকেলের গাছ দেওয়া, গাছের উপর দিয়ে উঠানামা করতে হয়। এরপর গ্রামের দুইজনকে দিয়ে আদালতে স্বাক্ষী দেওয়ার ব্যবস্থা করলাম, যে, বউটার মৃগীর ব্যারাম ছিল। মৃগী রোগীর প্রধান বিপদ হলো পানি। আদালতে প্রমাণ করি—পুকুরে বালতি নিয়ে পানি আনতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে গিয়েই মৃত্যু হয়। সাথে যোগ হয় মৃগীর ব্যারাম। ব্যস। কেস ডিসমিস। 
নৃপেনকে থামিয়ে প্রশ্ন করি, লাশ তো বস্তাবন্দি অবস্থায় পুকুর থেকে তোলা হয়েছিল! 
নৃপেন বিজ্ঞের হাসি হেসে বলল, আদালতে একটা সময় ‘বস্তাবন্দি’ শব্দটা চাপা পড়ে যায়, অনেক বছর কেস চলেছে তো, আমরা ইচ্ছে করে শব্দটা চেপে যেতে থাকি। 
নৃপেনকে চেপে ধরি, এটা কেমন করে হয়! লাশ ছিল বস্তাবন্দি! এটা ধামাচামা দেওয়া এত সহজ! আচ্ছা, স্বামী খুন করেনি তো?
নৃপেন মাথা নাড়ে, বলে, অনেকবার স্বামীকে জিজ্ঞেস করেছি, উকিলের কাছে সত্য স্বীকার করো। কিন্তু স্বামী কিরা-কসম দিয়ে একই কথা বলে, আমি খুন করিনি, স্যার। 
মানতে পারলাম না, নৃপেন।...তাহলে খুনটা করল কে? 
নৃপেন আবারও মাথা নাড়ে। জানি না রে, বন্ধু, জানি না। 
কেন জানবি না? একটা মানুষ খুন হলো, পুলিশ জানবে না? উকিল জানবে না, আদালত জানবে না? অপরাধী শাস্তি পাবে না? আমার মাথার ভেতর প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খেতে লাগল। 
এ অবস্থা থেকে আপাতত উদ্ধার করল নৃপেন। বলে, কেসটা জেতার পর, ওই পরিবারের সঙ্গে আমার একটা সম্পর্ক হয়ে যায়। ওরা ওদের পুকুরের মাছ, ক্ষেতের সবজি, ফলমূল আমার বাড়ি দিয়ে যায়। আমি মানা করি, কিন্তু শোনে না! 
আচ্ছা, নৃপেন...আমি জানতে চাই, এই যে অপরাধীদের তুই আইনের মারপ্যাঁচ দিয়ে বাঁচিয়ে আনিস, এতে তোর কখনো খারাপ লাগে না? 
নৃপেন মাথা নেড়ে ‘না’ বলল। 
কিছু মনে করিস না, সত্য করে বল, বিবেকে খারাপ বাধে না? এমন কখনো মনে হয় না তোর, কাজটা ঠিক হয়নি? 
নৃপেন স্বাভাবিকভাবে বলে, না, এমন মনে হয় না, আমি যুক্তিতর্ক, প্রমাণ দেখিয়ে আসামীদের ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করি। তাছাড়া কে অপরাধী আর কে অপরাধী না তা-তো সব আমার পক্ষে জানা সম্ভব না! 
নৃপেনের কথার পর আর কথা খুঁজে পাই না। ভেতরে অস্থির লাগে। মাথার ভেতর ঘুণপোকার কুটকুট শুরু হয়ে গেল...তাহলে খুনটা করল কে? স্বামী? নাকি অন্য কেউ? 
জানি, এই রহস্য ভেদ কখনো করতে পারব না—চিরদিন এ খুনের রহস্য অমীমাংসিত থেকে যাবে। তেমনি আমার মাথার ভেতর থেকে যাবো ঘুণপোকারাও! আমার মৃত্যুর অবধি চলতে থাকবে ওদের দাপাদাপি, ছোটাছুটি...দিন-রাত কুটকুট...কুটকুট কামড়।


 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ


কুরবানীর ইতিহাস ও বিধান

কুরবানীর ইতিহাস ও বিধান

১১ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:৩৯

ঈদুল আযহা : তাৎপর্য

ঈদুল আযহা : তাৎপর্য

১১ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:১৯







জবাইয়ে যে ভুল করলে কুরবানী হয় না

জবাইয়ে যে ভুল করলে কুরবানী হয় না

১১ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:১৬

গরুর মাংসের সাদা ভুনা

গরুর মাংসের সাদা ভুনা

১১ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:১৪

পোলাওয়ের সাথে মাটন কোফতা কারি

পোলাওয়ের সাথে মাটন কোফতা কারি

১১ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:০৯


ব্রেকিং নিউজ