খুলনা | সোমবার | ১৭ জুন ২০১৯ | ৩ আষাঢ় ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

চালুর দুই মাসের মাথায় খুমেক হাসপাতালে হরমোন ও সিবিসি পরীক্ষা বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ২৯ মে, ২০১৯ ০১:২০:০০


রিএজেন্ট’র অভাবে খুলনা মেডিকেল কলেজের প্যাথলোজি বিভাগে হরমোন ও সিবিসি (অটোমেটিক) পরীক্ষা চালুর দুই মাসের মাথায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কবে চালু হবে তার সুনির্দিষ্ট কোন তারিখও জানে না কেউ। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যয়বহুল এই পরীক্ষা দু’টি বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করাতে আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ রোগীরা। কর্তৃপক্ষ বলছে সরকারের কাছে চাহিদা দেয়া হয়েছে। রি-এজেন্ট আসলে আবারও নতুন করে শুরু করা সম্ভব হবে।
হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রোগীদের ব্লাড সেল কাউন্টার বা সিবিসি পরীক্ষা রি-এজেন্ট না থাকার কারণে বন্ধ রয়েছে চালুর মাত্র ২ মাস সার্ভিস দিয়েছে মেশিনটি। 
খোঁজ নিয়ে জানা যায় হাসপাতালের প্যাথলোজিতে সিবিসি পরীক্ষা করাতে মাত্র ১৫০ টাকা খরচ হয়, অন্যদিকে বেসরকারি যে কোন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ পরীক্ষা করাতে খরচ হয় ১০০০ থেকে ১২শ’ টাকা। প্রতিদিন শতাধিক রোগী দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগী পরীক্ষা করাতে না পেরে দালালের খপ্পরে পরে যায় নাম সর্বস্ব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ফলে কয়েকগুণ বেশি অর্থ দিয়েও সঠিক রিপোর্ট নিতে পারছে না তারা। এতে উভয়দিকে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তারা।
অন্যদিকে হাসপাতালে বহু কাঙ্খিত হরমোন পরীক্ষা চালু করা হয়েছিল। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষা চালু হওয়ায় স্বতিতে ছিলো সাধারণ রোগীরা। অথচ চালুর মাত্র ২ মাসের মধ্যেই গত ফেব্র“য়ারি মাসে বন্ধ হয় যায় হরমোন পরীক্ষা। 
খোঁজ নিয়ে জান যায়, হাসপাতালে হরমোনের সবগুলো পরীক্ষা করতে ফি লাগতো মাত্র ৬শ’ টাকা। কিন্তু বাইরের প্যাথলোজি থেকে এসব পরীক্ষা করাতে প্রত্যেক রোগীকে দুই হাজার টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা খরচ করতে হয়। ব্যয়বহুল এ পরীক্ষাটি এখন বাইরে থেকে করাতে বাধ্য হচ্ছে রোগীরা। 
হাসপাতালের প্যাথলোজি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডাঃ নেওয়াজ মোর্শেদ রকি সময়ের খবরকে বলেন নতুন অত্যাধুনিক মেশিনে সিবিসি ও হরমোনের পরীক্ষা করা হয়। সরকার মেশিন দিয়েছে তার সাথে টেস্ট করার জন্য যেটুকু রি-এজেন্ট দিয়েছে, তা দিয়েই আমরা পরীক্ষা করিয়েছি। কিন্তু শেষ হয়ে যাওয়ার পরে আর কোন রিএজেন্ট দেয়া হয়নি। তাই আপাতত টেস্ট বন্ধ রয়েছে।
হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এটিএম মোর্শেদ সময়ের খবরকে বলেন, ব্লাড সেল কাউন্টার সিবিসি (অটোমেটিক) এবং হরমোন পরীক্ষা আগে এখানে ছিলো না। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করে অনেক কষ্ট করে অত্যাধুনিক মেশিনগুলো আনতে পেরেছি। প্রথমে যেটুকু রি-এজেন্ট দিয়েছিলো তা শেষ হয়ে যাওয়ার পরে আর দেয়নি। তাই আপাতত বন্ধ রয়েছে। আমরা চাহিদা দিয়েছি অনেক আগেই। আশাকরি কিছুদিনের মধ্যেই আবার এই সেবাগুলো চালু করতে পারবো।  
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ