খুলনা | বুধবার | ১৭ জুলাই ২০১৯ | ২ শ্রাবণ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

জলাধারগুলো পুনরুজ্জীবিত ও পানির সংকট দূর হবে

সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনার নয় উপজেলায় ১৫ ভরাট পুকুর খনন করছে এলজিইডি

এস এম আমিনুল ইসলাম | প্রকাশিত ২৮ মে, ২০১৯ ০১:০৫:০০

প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনায় ১৫টি ভরাট পুকুর খননের উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ইতোমধ্যে ৫টি প্যাকেজে ও ১৫টি স্কীমে এসব পুকুর খনন কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দেয়া হয়েছে। ফলে অচিরেই এর সুফল পাবে সাধারণ মানুষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে জলাধারগুলো পুনরুজ্জীবিত হবে। পাশাপাশি মানুষ খাওয়ার কাজেও এ পানি ব্যবহার করতে পারবে। 
জানা গেছে, প্রাকৃতিক কারণসহ নানাভাবে খুলনার বেশির ভাগ পুকুর, খাল, দিঘি ও নদীর মতো জলাশয় নাব্যতা হারাচ্ছে। অনেক জলাশয় ইতোমধ্যে ভরাটও হয়ে গেছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে যত্রতত্র জলাবদ্ধার সৃষ্টি হয়। হাজার হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ে। ভোগান্তিতে পড়ে জনসাধারণ। এছাড়া নানা প্রতিকুলতার মুখে পড়ে কৃষক শ্রেণীর মানুষ। এমন পরিস্থিতি উত্তরণে সারাদেশে ভরাট হয়ে যাওয়া পুকুর, খাল, দিঘি ও নদী খননে প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। এ প্রকল্পের আওতায় খুলনার নয় উপজেলায় প্রাথমিকভাবে ১৫টি পুকুর খননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জলাধারগুলোর মধ্যে রয়েছে বটিয়াঘাটা উপজেলার গাওঘরা স্কুলের পুকুর, বরণপাড়া গুচ্ছগ্রাম পুকুর, বড় আড়িয়া জামে মসজিদ পুকুর ও সুরখালি জামে মসজিদ পুকুর, রূপসার শিয়ালি গোরুয়া মহাশ্মশান পুকুর, সর্ববিদ্যা দুর্গা কালি মন্দির পুকুর, তিলক নেছারিয়া আলিয়া মাদ্রাসা পুকুর ও দক্ষিণ খাজাডাঙ্গা হাফিজিয়া মাদ্রাসা পুকুর। এছাড়া প্রকল্পে রয়েছে তেরখাদা উপজেলার পরিষদ পুকুর ও চিত্রা মহিলা কলেজ পুকুর, দাকোপে সুতারখালি ইউনিয়ন পরিষদ পুকুর, ডুমুরিয়ায় রঘুনাথপুর হাইস্কুল পুকুর, রামকৃষ্ণপুর বিজয়াঘাট মহাশ্মশান পুকুর, আমভিটা জামে মসজিদ পুকুর ও খরসঙ্গা দারুল উলুম কামিল নুরানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা পুকুর।
খুলনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাঈদুর রহমান বলেন, দেশের পুকুর দিঘি, খাল ও নদী খনন প্রকল্পের আওতায় ৪ কোটি ২৬ টাকা ব্যয়ে এসব পুকুর খনন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৫টি প্যাকেজে ও ১১টি স্কীমে এসব পুকুর খনন কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দেয়া হয়েছে।  ডুমুরিয়ার ৪টি পুকুরের টেন্ডার প্রক্রিয়া শিগগিরই সম্পন্ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে জলাধারগুলো দখলমুক্ত ও পুনরুজ্জীবিত হবে। পাশাপাশি চাষাবাদের মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া এ প্রকল্পের আওতায় পুকুরগুলোর চতুরপাশে ওয়ার্কওয়ে ও ঘাট নির্মাণ করা হবে। যাতে মানুষ পুকুরের পানি খাবারের কাজেও ব্যবহার করতে পারবে। এতে নিরসন হবে দীর্ঘদিনের খাবার পানির সংকট।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ