খুলনা | রবিবার | ২৬ মে ২০১৯ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ |

শিরোনাম :
দলে অনুপ্রবেশকারী কোন জামায়াত-বিএনপিকে আ’লীগের টিকিট দেয়া যাবে না : মিজানজনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রীসাতক্ষীরায় প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের একাধিক চক্র ধরাছোঁয়ার বাইরে জনতার বিক্ষোভের মুখে দুই কর্মকর্তাসহ ৮ পুলিশ প্রত্যাহার : তদন্ত কমিটিধান কেনায় আরো ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি বিএনপি’রখুলনা চেম্বারে ফের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হতে যাচ্ছেন কাজী আমিনচার মাসে বন্দুকযুদ্ধে ১১৮ নাগরিক নিহত নারী ধর্ষণ ৩৫৪, শিশু ২৩৪ : গুম ৬ নির্বাচন কমিশনই এই নির্বাচনের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ ‘ওপেন গেম’ খেলেছে ওরা : মমতার অভিযোগ 

Shomoyer Khobor

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসীতে ওষুধ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা

ফুল কোর্স ছাড়া এ্যান্টিবায়টিক বিক্রি ঠেকাতে চলতি সপ্তাহে মাঠে নামবে খুলনার ওষুধ প্রশাসন

বশির হোসেন | প্রকাশিত ১৭ মে, ২০১৯ ০০:৫০:০০

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসীতে এ্যান্টিবায়াটিক বিক্রির নিষেধাজ্ঞাজারী করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। তবে অনেকেই এ্যান্টিবায়াটিক ওষুধ সেবন করছেন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই। এছাড়া এ্যান্টিবায়টিক ওষুধ কিনলেও ফুল কোর্স সম্পন্ন না করার কারণে পরবর্তীতে শরীরে এ্যান্টিবায়টিকের কার্যকারিতা হাড়িয়ে যায়। এ কারনে এ্যান্টিবায়টিক ওষুধ বিক্রি করতে হলে এক সাথে ফুল কোর্স বিক্রি করতে হবে। আর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে চলতি সপ্তাহে মাঠে নামছে খুলনা জেলা ওষুধ প্রশাসন। 
গতকাল বৃহস্পতিবার ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর (কার্যবিরণী-০১/২০১৮/৫১ স্মারকে) এক নোটিশে ওভার দ্যা কাউন্টার ড্রাগস ছাড়া অন্য কোন ওষুধ প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ফলে কোন ফার্মেসী আর এখন থেকে প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোন ওষুধ বিক্রি করতে পারবে না এবং এ্যান্টিবায়টিক ওষুধ বিক্রি করতে হলে ফুল কোর্স বিক্রি করতে হবে।
খুলনা জেলা ওষুধ প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়ক মোঃ আব্দুর রশীদ সময়ের খবরকে বলেন প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি বন্ধ ছাড়াও এ্যান্টিবায়টিকের ফুল কোর্স বিক্রি নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। ইতোমধ্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসনসহ ডুমুরিয়ার এসিল্যান্ডের সাথে কথা হয়েছে। চলতি সপ্তাহ থেকে খুলনার বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করা হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কাউন্সিলিং এবং সচেতনতা কর্মসূচিও পালন করা হবে।
বিএমএ খুলনার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ বলেন খুলনার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ব্লাড কালচার করার মেশিন না থাকার কারণে কোন ধরনের ওষুধ লাগবে তা নির্ণয় না করেই অনুমান নির্ভর ওষুধ দিতে হয়। ফলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। এছাড়া এ্যান্টিবায়টিক-এর ফুল কোর্স সম্পন্ন না করার কারণে বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীতে একটি ভয়াবহ অবস্থা সামনে আসছে। শরীরে এ্যান্টিবায়টিক কাজ না করলে ব্যাপক হারে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়বে। ফলে সরকারের এই পদক্ষেপের সাথে চিকিৎসক সমাজ সম্পূর্ণ একমত। এটা বাস্তবায়নে খুলনার চিকিৎসক সমাজ সর্বদা সচেষ্ট থাকবে। 
উল্লেখ্য গত ২৪ এপ্রিল এ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সৈয়দ সাইয়েদুল হক সুমন। এই রিটের প্রেক্ষিতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া এ্যান্টিবায়টিক বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে হাইকোর্ট। এরপরই ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে গতকাল।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ