খুলনা | মঙ্গলবার | ২১ মে ২০১৯ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

প্রথম দিনেই সাড়া জাগালো ‘‘চল, চল, চল এগিয়ে চল, টাইগার দল’’

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় খুলনার ছেলে ফরীদের ‘টিম টাইগার’ গান রিলিজ

আব্দুল্লাহ এম রুবেল | প্রকাশিত ১৬ মে, ২০১৯ ০০:৪২:০০

বিশ্বকাপ ক্রিকেট নিয়ে উন্মাদনা শুরু হয়ে গিয়েছে চারি দিকেই। আর মাত্র কয়েকটা দিন পরেই বিশ্ব ক্রিকেটের সব থেকে জমজমাট আর রোমাঞ্চকর এই আসর শুরু হতে যাচ্ছে। ক্রিকেট মানেই বাঙালির অন্য রকম উন্মাদনা। আর যদি সেটা হয় বিশ্বকাপ ক্রিকেট,  যেখানে মাশরাফি-সাকিব-মুশফিকরা নিজেদের লাল সবুজ পাতাকা আরও উপরে নেয়ার চেষ্টায় থাকেন, তাহলে তো কথাই নেই। সেই উন্মাদনা বাড়তে থাকে বহুগুন। বিশ্বকাপ ক্রিকেট যেন পুরো দেশকে নিয়ে আসে এক কাতারে। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের এই উন্মাদনায় যোগ হলো কবি ফরীদ আহমদের বিশেষ গান ‘টিম টাইগার’। এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে টাইগারদের উন্মাদনার মাত্রা নিঃসন্দেহে বাড়িয়ে দিবে টিম টাইগার শিরোনামের গানটি। গতকাল মেঘলা আকাশ মাল্টি মিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশিত হয়েছে। গানটি প্রকাশের পর পরই সাড়া ফেলেছে বিভিন্ন মহলে।  
গানটিতে কবি ফরীদ আহমাদ নিজেই কথা, সুর ও সঙ্গীত সাজিয়েছেন। গানটি খুলনার আরোহি স্টুডিওতে রেকর্ডিং করা হয়েছে। “টিম টাইগার লড়বে আমার পরাজয় ছিঁড়ে খাবেই/ বিশ্বমাঠে গর্জে উঠে দেখিয়ে তাই দেবেই/ সব নিরাশার গগন ছেদি/ লক্ষ বাঁধার বক্ষ ভেদি/ সাত সমুদ্র তেরো নদী/ দেবেই ওরা পাড়ি..” এমন অনুপম কথামালায় আবিষ্কার করেছেন উদ্দীপনাময় ক্রিকেটের গান এবং গেয়েছেন দরাজকণ্ঠে। 'শেখ রাসেল শিল্পীগোষ্ঠীর প্রযোজনা ও চলচ্চিত্র পরিচালক নুরুল ইসলাম বিপ্লব পরিচালিত মেঘলা আকাশ মাল্টিমিডিয়ার পরিবেশনায় পরিবেশিত হবে ক্রিকেট বিশ্বকাপকে ঘিরে কাব্যারোহী ব্যানারে গান টিম টাইগার। এই গানের মাধ্যমেই কাব্যারোহী ব্যান্ডের যাত্রা শুরু হবে। গানটি দৈর্ঘ্য প্রায় চার (৩:৫৩) মিনিট। 
বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার আগে গানটি দেখেছেন টাইগার অধিনায়ক মাশারফি বিন মুর্তজা। গানটির প্রশংসাও করেছেন তিনিও। এছাড়াও বর্তমান খুলনা সাহিত্যের রাজপুত্র, স্বনামে ধন্য, সব্যসাচী লেখক ফিরোজ আহমাদ “টিম টাইগার” গানটিকে বাংলাদেশের অদ্বিতীয় ক্রিকেট সঙ্গীত হিসেবে বিবেচিত করেন। গিানটি রিলিজি হওয়ার পর তিনি গানটি সম্পর্কে তার ফেসবুকে লিখেছেন,  ক্রিকেট যদি যুদ্ধক্ষেত্র হয় তবে টিম টাইগার গানটি রণসঙ্গীত।  
গানটি সম্পর্কে শিল্পী ফরীদ আহমাদ বলেন, ২০১৪ সালে বিশ্বকাপের একটি গান শোনার পরে, আমার কাছে মনে হয়েছে এর থেকেও ভালো গান তো হতে পারে। পরে এক ভাইয়ের পরামর্শে আমি নিজেই কবিতা আকারে কিছু একটা লিখে ফেলি। পরবর্তীতে এটাকে আমি সুরারোপ করে সিদ্ধান্ত নেই নিজেই গানটি গাওয়ার। এ গানটি গাওয়ার পর আমার কাছে মনে হয়েছে, এটি যে কেউ শুনলে সে বিশ্বাস করবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট জয়ের ক্ষমতা আমাদের আছে। বিশ্বকাপ ক্রিকেট জয়ের যে আত্মবিশ্বাস সেটা অনেকখানি বাড়িয়ে দিবে বলেই আমার মনে হয়েছে। উন্মাদনা তৈরি হবে সকলের মধ্যে। গানটির মধ্যে একটি তেজ আছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য গাইতে পারাটাই মূলতঃ আনন্দের, গর্বের। সেই ভালো লাগা থেকেই গানটা গাওয়া। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ










যাকাত গরিবের হক

যাকাত গরিবের হক

২১ মে, ২০১৯ ০০:৫২