খুলনা | মঙ্গলবার | ২১ মে ২০১৯ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

বটিয়াঘাটা ও দাকোপের তিনটি পোল্ডার পুনঃসংস্কারে প্রকল্প গ্রহণ : ব্যয় ৮৪০ কোটি ৪১ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৬ মে, ২০১৯ ০১:০৫:০০

বটিয়াঘাটা ও দাকোপের তিনটি পোল্ডার পুনঃসংস্কারে প্রকল্প গ্রহণ : ব্যয় ৮৪০ কোটি ৪১ লাখ টাকা

খুলনার বটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলার তিনটি পোল্ডার পুনঃ সংস্কারের জন্য ৮৪০ কোটি ৪১ লাখ টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ছয় সদস্য বিশিষ্ট কারিগরি কমিটি এই প্রকল্পটি তদারকি করবে। অর্থায়ন হবে এডিপি’র। সম্প্রতি বোর্ডের নকশা বিভাগের এক কর্মকর্তা প্রকল্পটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে গেছেন। ঈদের পর কমিটির অন্যান্য সকল কর্মকর্তারা পুনরায় প্রকল্পের অবস্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, ‘খুলনা জেলা পোল্ডার নং ৩০, ৩১ এবং ৩৪/২ এর অংশ (আমিরপুর, ভান্ডারকোট, কালিয়াডাঙ্গা, উপ-প্রকল্প পোল্ডার সমূহের পুনঃসংস্কার’ নামক প্রকল্পটির সকল কাজ ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কারিগরি কমিটির পরিকল্পনা, নকশা, উপ-প্রধান সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, সহকারী প্রধান অর্থনীতি, পরিবেশ ও বন কর্মকর্তা এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ যৌথভাবে প্রকল্পটি তদারকি করবেন। 
পাউবো’র সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৪০ কোটি ৪১ লাখ টাকা। যা ডিপিপিতে যাওয়ার পর পরিবর্তন হতে পারে। প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে নদীর তীর সংরক্ষণ, বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ, বিকল্প বাঁধ নির্মাণ, রেগুলেটর নির্মাণ, বাঁধের স্লোপ প্রতিরক্ষা, অফিস ও কলোনীর ভবন পুনঃনির্মাণ এবং জমি অধিগ্রহণ। প্রকল্পে ৩০নং পোল্ডারে বটিয়াঘাটা উপজেলা, ৩১নং পোল্ডারে দাকোপ উপজেলা এবং ৩৪/২নং পোল্ডারে বটিয়াঘাটা উপজেলার বাকি অংশের কাজ করা হবে। 
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ পলাশ কুমার ব্যানার্জী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সময়ের খবরকে বলেন, বটিয়াঘাটা এবং দাকোপ উপজেলার ৩টি পোল্ডারে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে। এতে করে নদীর তীর ও বাঁধ সংরক্ষণ হবে। প্রয়োজনমত বিকল্প বাঁধ ও রেগুলেটরও করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প ব্যয় এখন পর্যন্ত ৮৪০ কোটি ৪১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কারিগরি কমিটি এ প্রকল্প তদারকি করবেন। সম্প্রতি একজন কর্মকর্তা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ঈদের পর পুরো কমিটি সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন। এরপর প্রকল্প ব্যয় পরিবর্তনের বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। তিনি আরও বলেন, কমিটির প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করার পর ডিপিপিতে এটি পাঠানো হবে। প্রকল্পের সম্পূর্ণ অর্থায়ন হবে এডিপির ফান্ড থেকে। আশাকরা হচ্ছে কমিটি পরিদর্শন করার পর প্রকল্পের ব্যয় বাড়তে পারে।
   


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ










যাকাত গরিবের হক

যাকাত গরিবের হক

২১ মে, ২০১৯ ০০:৫২