খুলনা | রবিবার | ২৬ মে ২০১৯ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ |

শিরোনাম :
দলে অনুপ্রবেশকারী কোন জামায়াত-বিএনপিকে আ’লীগের টিকিট দেয়া যাবে না : মিজানজনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রীসাতক্ষীরায় প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের একাধিক চক্র ধরাছোঁয়ার বাইরে জনতার বিক্ষোভের মুখে দুই কর্মকর্তাসহ ৮ পুলিশ প্রত্যাহার : তদন্ত কমিটিধান কেনায় আরো ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি বিএনপি’রখুলনা চেম্বারে ফের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হতে যাচ্ছেন কাজী আমিনচার মাসে বন্দুকযুদ্ধে ১১৮ নাগরিক নিহত নারী ধর্ষণ ৩৫৪, শিশু ২৩৪ : গুম ৬ নির্বাচন কমিশনই এই নির্বাচনের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ ‘ওপেন গেম’ খেলেছে ওরা : মমতার অভিযোগ 

মানব পাচার রোধে জোরালো  পদক্ষেপ নেয়া জরুরি

১৫ মে, ২০১৯ ০০:১০:০০

মানব পাচার রোধে জোরালো  পদক্ষেপ নেয়া জরুরি

সাগরের বুকে বারবার সলিল সমাধি, ধরপাকড়ের আশঙ্কা কিছুই অবৈধ অভিবাসনে ইচ্ছুকদের দমাতে পারছে না। আফ্রিকা, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের মাঝে অবস্থিত ভূমধ্যসাগর অবৈধভাবে ইউরোপ গমনেচ্ছুদের জন্য মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। এবার লিবিয়া থেকে নৌকায় ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে ডুবে অন্তত ৬৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৩৭ জন বাংলাদেশি বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার রাতে লিবিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জুয়ারা উপকূল থেকে একটি বড় নৌকায় ৭৫ অভিবাসী যাত্রা শুরু করে। পরে তাদের একটি ছোট নৌকায় তুলে দেয়া হলে দুর্ঘটনা ঘটে। নৌকাটি শুক্রবার সকালে তিউনিসিয়ার উপকূলে ডুবে যায়। তিউনিসিয়ার জেলেরা ১৬ জনকে উদ্ধার করে জার্জিস উপকূলে নিয়ে আসে। বিষয়টি উদ্বেগজনক।
অবৈধপথে বিদেশ যাত্রায় মৃত্যুর খবর নতুন নয়। জাতিসংঘের হিসাবে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে ভূমধ্যসাগরে ডুবে মারা গেছেন ৬৪ জন। গত বছর প্রতিদিন এখানে মারা গেছেন ছয় অভিবাসী। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছেছেন ১৫ হাজার ৯০০ শরণার্থী। এটা গত বছরের চেয়ে সামান্য বেশি। 
মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও জীবনে স্বপ্নের হরিণ ধরতে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে আফ্রিকার দেশ লিবিয়া থেকে ইউরোপে প্রবেশ করছেন বাংলাদেশিসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর উচিত অবৈধ বিদেশযাত্রা ঠেকাতে ও মানব পাচার রোধে জোরালো পদক্ষেপ নেয়া। যেহেতু এ ক্ষেত্রে প্রধান ভিকটিম হচ্ছে বাংলাদেশিরা, তাই বাংলাদেশের উচিত এখানে সর্বোচ্চ কৌশল নিয়োজিত করা, একই সঙ্গে তিউনিসিয়ায় আটক ও নিহত ভাগ্যবিড়ম্বিতদের স্বদেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারেও জরুরি ব্যবস্থা নেয়া। পাশাপাশি মধ্যপ্রচ্যের অনেক দেশের নাগরিক সিজনাল ভিসায় ইতালিতে এসে কাজ করার সুযোগ পেলেও বাংলাদেশকে ব্লাকলিস্টে ফেলে রেখেছে ইতালি সরকার। যার ফলে প্রায় সাত বছর ধরে কোনো বাংলাদেশি অভিবাসী ইতালিতে  বৈধভাবে প্রবেশ করতে পারছে না। তাই ইতালির এই শ্রমবাজার নতুন করে পেতে সরকারকে উদ্যোগ নেয়া দরকার বলে আমরা মনে করি।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ








সাবাস টিম টাইগার 

সাবাস টিম টাইগার 

১৯ মে, ২০১৯ ০০:১০






ব্রেকিং নিউজ