খুলনা | রবিবার | ২৬ মে ২০১৯ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ |

শিরোনাম :
দলে অনুপ্রবেশকারী কোন জামায়াত-বিএনপিকে আ’লীগের টিকিট দেয়া যাবে না : মিজানজনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রীসাতক্ষীরায় প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের একাধিক চক্র ধরাছোঁয়ার বাইরে জনতার বিক্ষোভের মুখে দুই কর্মকর্তাসহ ৮ পুলিশ প্রত্যাহার : তদন্ত কমিটিধান কেনায় আরো ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি বিএনপি’রখুলনা চেম্বারে ফের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হতে যাচ্ছেন কাজী আমিনচার মাসে বন্দুকযুদ্ধে ১১৮ নাগরিক নিহত নারী ধর্ষণ ৩৫৪, শিশু ২৩৪ : গুম ৬ নির্বাচন কমিশনই এই নির্বাচনের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ ‘ওপেন গেম’ খেলেছে ওরা : মমতার অভিযোগ 

দুধে ভেজালে জড়িতদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি

১১ মে, ২০১৯ ০০:১০:০০

দুধে ভেজালে জড়িতদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি

শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব মানুষের জন্য দুধ একটি প্রয়োজনীয় খাবার। অথচ সেটিতেও নেই নিরাপত্তা। ভেজালই যেন প্রতিটি জিনিসের কেন্দ্র। তরল দুধও নেই এর বাইরে। বাজারে পাওয়া যায় এমন কাঁচা এবং পাস্তুরিত তরল দুধের বেশির ভাগেই সম্প্রতি ক্ষতিকর উপাদান পেয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। ভেজাল দুধ যে সুস্বাস্থ্যের নিশ্চয়তায় বিরাট বাধা এবং উদ্বেগের তা বলাই বাহুল্য। নিত্য প্রয়োজনীয় থেকে শুরু করে যাবতীয় ভোগ্য পণ্যই আজ ভেজালে সয়লাব। অথচ এদিকে সরকার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই তেমন মাথাব্যথা। যে কারণে নিরাপদ খাদ্য চিন্তায় সাধারণ জনগণ আজ উদ্বিগ্ন।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কিছুদিন আগে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বাজার থেকে দুধের ৯৬টি নমুনা সংগ্রহ করে। গবেষণাগারে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দেখা যায়, সেখানকার ৯৩টিতেই রয়েছে ক্ষতিকর উপাদান। কোন কোম্পানির দুধে ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে তা জানতে ইতোমধ্যেই নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। এর আগে একটি কমিটি করে কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী গবেষণা চালিয়ে দুধের ক্ষতিকর উপাদানের বিষয়টি পরিষ্কার হয় সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয়, যারা দুধে ভেজাল বা ক্ষতিকর উপাদান দিয়ে সাধারণের ক্ষতি করছে তাদের পরিণতি কি হয়।
এমনিতেই রোজার মাসে ভেজাল খাবারের আতঙ্কে রয়েছে দেশবাসী। এরই মাঝে দুধে ভেজালের খবর যেন ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘাঁ’। নিশ্চিন্তে খাওয়া যায় এমন খাবার বাইরে পাওয়া দিন দিন দুষ্কর হয়ে উঠছে। এরই সঙ্গে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংকরজাত খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন। সবকিছু মিলিয়ে সামনের দিনগুলোতে আমাদের নিরাপদ খাবার নিয়ে যে আশঙ্কা দেখা দিতে চলেছে, তা রীতিমতো ভয়ঙ্কর। সময় থাকতেই খাবার নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারলে ভবিষ্যৎ এগিয়ে যাবে অন্ধকারের দিকে।
সুস্থ-সবল এবং মেধাবী জাতি গড়ে তুলতে হলে বিশুদ্ধ খাবারের বিকল্প নেই। দেশকে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে নিতে হলে ভেজাল রোধের বিকল্প নেই। অথচ দুধের মতো প্রয়োজনীয় খাবারও যেখানে ক্ষতিকর উপাদানে ভরা, সেখানে বিষয়টি নিয়ে উদাসীনতা মোটেও কাম্য নয়। আদালতের তৎপরতার সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যে ভেজাল এবং ক্ষতিকর উপাদান দেওয়া ঠেকাতে সচেতন হতে হবে সবাইকে। একই সঙ্গে খাদ্যে ভেজালে জড়িত কতিপয় অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।


 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ








সাবাস টিম টাইগার 

সাবাস টিম টাইগার 

১৯ মে, ২০১৯ ০০:১০






ব্রেকিং নিউজ