খুলনা | রবিবার | ২৬ মে ২০১৯ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ |

শিরোনাম :
দলে অনুপ্রবেশকারী কোন জামায়াত-বিএনপিকে আ’লীগের টিকিট দেয়া যাবে না : মিজানজনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রীসাতক্ষীরায় প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের একাধিক চক্র ধরাছোঁয়ার বাইরে জনতার বিক্ষোভের মুখে দুই কর্মকর্তাসহ ৮ পুলিশ প্রত্যাহার : তদন্ত কমিটিধান কেনায় আরো ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি বিএনপি’রখুলনা চেম্বারে ফের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হতে যাচ্ছেন কাজী আমিনচার মাসে বন্দুকযুদ্ধে ১১৮ নাগরিক নিহত নারী ধর্ষণ ৩৫৪, শিশু ২৩৪ : গুম ৬ নির্বাচন কমিশনই এই নির্বাচনের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ ‘ওপেন গেম’ খেলেছে ওরা : মমতার অভিযোগ 

খুমেক হাসপাতালের ওষুধ চুরি রোধে কার্যকর উদ্যোগ নিন

০৫ মে, ২০১৯ ০০:১০:০০

খুমেক হাসপাতালের ওষুধ চুরি রোধে কার্যকর উদ্যোগ নিন


বার বার ওষুধ চুরির সাথে জড়িতরা হাতে নাতে ধরা পড়লেও শাস্তি না হওয়ায় খুলনার সরকারি হাসপাতালগুলোতে চোর সিন্ডিকেটদের অপতৎপরতা বন্ধ হচ্ছে না। খুমেক হাসপাতালে সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে মাঝে মধ্যে অভিযান হলেও কৌশল পাল্টে আবারও সক্রিয় ওষুধ চোর সিন্ডিকেট। অন্যদিকে আবু নাসের হাসপাতালের ফার্মেসীতে ১২ লাখ টাকার ওষুধ চুরি হলেও দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না হওয়ায় অভিযুক্ত চার ফার্মাসিস্টই রয়েছে বহাল তবিয়তে। সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগেও শর্ট স্লিপে ওষুধ চুরির সাথে জড়িত কতিপয় নার্স ও কর্মচারীরা রয়েছেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
পত্রিকায় খবর প্রকাশ, ওয়ার্ডের ভিতরে ওষুধ চুরিতে কৌশল পাল্টেছে নার্স ও কর্মচারীরা। সরকারি ওষুধ সাú­াই নেই বলে রোগীদেরকে বাইরে থেকে ওষুধ এনে দিতে বলেন সংশ্লিষ্টরা। পরে সরকারি ওষুধই ব্যবহার করে কৌশলে রোগীদের কেনা ওষুধ বিক্রি করা হয় বাইরের ফার্মেসীতে। এছাড়া বহির্বিভাগে ফ্রি সার্ভিস কর্মীরা শর্ট স্লিপের মাধ্যমে এন্টিবায়েটিক ওষুধ নিয়ে যায় এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। হাসপাতালে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেট অপারেশন থিয়েটার থেকে শুরু করে বিভিন্ন ওয়ার্ডের রোগীদের ওষুধ চুরি করে বাইরের দোকানে বিক্রি করছে। আর ওষুধ চুরির এসব খবর জেনেও নিরব থাকছেন কর্তৃপক্ষ। সরকারি কর্মচারীদের চুরি করা এ ওষুধ হাসপাতালের সামনে নির্ধারিত দোকানে পৌঁছে দেয় অপারেশন থিয়েটারে কর্মরত ফ্রি সার্ভিস কর্মীরা। হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটার ও লেবার ওয়ার্ডে কর্মরত ফ্রি সার্ভিস আয়াদের প্রায় সবাই ওষুধ পাচারের সাথে জড়িত।
হাসপাতালের ওষুধের গায়ে সরকারি সীল থাকা এবং হাসপাতাল প্রশাসনের কঠোর নজরদারির কারণে সরকারি ওষুধ চুরি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে সাপ্লাই নেই এমন অজুহাতে রোগীদের দিয়ে ওষুধ কিনিয়ে তা আবার বাইরে পাচার করার এ অভিনব কৌশল এখন হাসপাতালে সর্বত্র। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ওষুধ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এমনটিই আমাদের প্রত্যাশা।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ








সাবাস টিম টাইগার 

সাবাস টিম টাইগার 

১৯ মে, ২০১৯ ০০:১০






ব্রেকিং নিউজ