খুলনা | রবিবার | ২৬ মে ২০১৯ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ |

শিরোনাম :
দলে অনুপ্রবেশকারী কোন জামায়াত-বিএনপিকে আ’লীগের টিকিট দেয়া যাবে না : মিজানজনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রীসাতক্ষীরায় প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের একাধিক চক্র ধরাছোঁয়ার বাইরে জনতার বিক্ষোভের মুখে দুই কর্মকর্তাসহ ৮ পুলিশ প্রত্যাহার : তদন্ত কমিটিধান কেনায় আরো ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি বিএনপি’রখুলনা চেম্বারে ফের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হতে যাচ্ছেন কাজী আমিনচার মাসে বন্দুকযুদ্ধে ১১৮ নাগরিক নিহত নারী ধর্ষণ ৩৫৪, শিশু ২৩৪ : গুম ৬ নির্বাচন কমিশনই এই নির্বাচনের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ ‘ওপেন গেম’ খেলেছে ওরা : মমতার অভিযোগ 

ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধসহ আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ জরুরি

৩০ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:১০:০০

ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধসহ আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ জরুরি

দেশে বর্তমানে ধর্ষণ-খুন যেন মহামারী আকার ধারণ করেছে। তবে উদ্বেগের বিষয় ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন বা এ সংক্রান্ত অপরাধ চেষ্টার পর নারী ও শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে বেপরোয়াভাবে। সর্বশেষ সাভারে ডেকে নিয়ে শিশু ধর্ষণ ও কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৮ সালে সারাদেশে ৪৩৩টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়ে মারা গেছে ২২টি শিশু। যৌন নির্যাতনের ফলে মারা গেছে একজন। এছাড়াও ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়েছিল ৫৩টি শিশুর ওপর। ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, হত্যা ও শারীরিক নির্যাতনের কারণে মারা  গেছে ২৭১টি শিশু। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে আরও ১ হাজার ৬ জন। দিন দিন খুন, হত্যা, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন যেভাবে বাড়ছে তাতে আমরা সভ্য সমাজে বাস করছি কিনা, এমন প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নির্যাতন ও এ সংক্রান্ত মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় খোদ নিজের প্রতিষ্ঠানে পুড়িয়ে হত্যা এবং এতে দায়িত্বশীল অনেকের জড়িত থাকা ও অপরাধীর পক্ষ নেয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের পচন কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। এ ধরনের লাগামহীন ধর্ষণ-খুন ও মানুষ হত্যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।
সমাজে খুন-ধর্ষণ ও নিপীড়ন বেড়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে এবং এতে তারা সাহসী হয়ে দ্বিগুণ উৎসাহে বেপরোয়া অপরাধ সংঘটন করছে। যেসব দেশে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, সেসব দেশে ধর্ষণের পরিমাণ অনেকাংশে কমে গেছে। কিন্তু বাংলাদেশে ধর্ষণের শাস্তি নির্দিষ্ট নয়। আইনের মারপ্যাঁচে সবাই আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পায়, যা কোনোভাবে কারোরই কাম্য নয়। 
আমরা মনে করি, সরকার ধর্ষণের পরিমাণ কমাতে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান কার্যকর করতে পারে। ধর্ষণের মতো নীতিবিবর্জিত কাজ কারোরই কাম্য নয়। তাই আসুন, সময় থাকতে ধর্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি এবং ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। এ পরিস্থিতি থেকে বের হতে হলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধীকে যথাযথ সাজা দেয়ার বিকল্প নেই।


 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ








সাবাস টিম টাইগার 

সাবাস টিম টাইগার 

১৯ মে, ২০১৯ ০০:১০






ব্রেকিং নিউজ