খুলনা | মঙ্গলবার | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ২ আশ্বিন ১৪২৬ |

শিরোনাম :

Shomoyer Khobor

একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু  ১২ মে : ১ জুলাই ক্লাস 

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০১:০১:০০

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য আগামী ১২ মে থেকে অনলাইন ও এসএমএসে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে ২৩ মে পর্যন্ত। আর জুন মাসের মধ্যে ভর্তির কাজ শেষ করে আগামী ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে। রবিবার কলেজে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এসএসসি উত্তীর্ণরাই কলেজে ভর্তির আবেদন করবে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে বলে জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
নীতিমালা অনুযায়ী, আটটি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড থেকে ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে উত্তীর্ণরা একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হতে পারবেন। আর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তির ক্ষেত্রে এবার পাসের বছরের পরিবর্তে বয়স নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ ২২ বছর। এবছরও সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে হবে। অনলাইনের (www.xiclassadmission.gov.b) পাশাপাশি টেলিটক মোবাইল থেকে এসএমএস করে ভর্তির আবেদন করা যাবে।
নীতিমালা বলা হয়েছে, আগামী ১২ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। যারা ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছেন তাদেরও একই সময়েরে মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।  আর ২৪ থেকে ২৬ মে’র মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই ও আপত্তি নিষ্পত্তি করা হবে। পুনঃনিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে তারা ৩ থেকে ৪ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। ১০ জুন প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে। প্রথম তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ১১ থেকে ১৮ জুন যে কলেজের তালিকায় নাম আসবে ওই কলেজেই যে শিক্ষার্থী ভর্তি হবেন তা এসএমএসে নিশ্চিত করতে হবে।
২১ জুন দ্বিতীয় পর্যায়ে এবং ২৫ জুন তৃতীয় পর্যায়ের ফল প্রকাশ করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীরা ২২-২৩ জুন সিলেকশন নিশ্চয়ন এবং তৃতীয় পর্যায়ে তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ২৬ জুন সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। ২৭ থেকে ৩০ জুন শিক্ষার্থী ভর্তি শেষে আগামী ১ জুলাই ক্লাস শুরু হবে।
এ বছরও অনলাইনে ১৫০ টাকা ফি জমা দিয়ে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দক্রমের ভিত্তিতে আবেদন করা যাবে। প্রতি কলেজের জন্য ১২০ টাকা ফি দিয়ে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীর করা আবেদনের ভিত্তিতে মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজে তার অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।
বিভাগীয় ও জেলা সদরের কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজের শতভাগ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।  ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।
ভর্তি ফি : মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেশন চার্জসহ এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা এবং ঢাকা ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকার বেশি ভর্তি ফি নেওয়া যাবে না। সরকারি কলেজগুলো পরিপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফি সংগ্রহ করবে। আর দরিদ্র, মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ফি যতদূর সম্ভব মওকুফ করতে বলা হয়েছে।
ভর্তি প্রক্রিয়ার আগেই বেসরকারি কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি ফিসহ মাসিক বেতন ও অন্যান্য যাবতীয় খরচ লিস্ট নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নোটিং বোর্ডে এবং ওয়েবসাইটে দিতে হবে। কোনো শিক্ষার্থীর কাছে অনুমোদিত ফির অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা যাবে না এবং অনুমোদিত সব ফি যথাযথ রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ১ এপ্রিল

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ১ এপ্রিল

৩০ অগাস্ট, ২০১৯ ০০:৩১













ব্রেকিং নিউজ